আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এ বছর সাহিত্যে নোবেল পেলেন নরওয়েজিয়ান লেখক জন ফসে। ম্যাগনাম ওপাস উপন্যাসের জন্য তিনি নোবেল পেয়েছেন। তার নিজস্ব শৈলীতে রচিত উপন্যাসকে বলা হয় ‘ফস মিনিমালিজম’। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫ টার দিকে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।

বৃহস্পতিবার স্টকহোমে সুইডিশ একাডেমি তাদের ঘোষণায় বলেছে, ২০২৩ সালের সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে জন ফসেকে। তার উদ্ভাবনী নাটক এবং গদ্য মানুষের না বলতে পারা কথাগুলোকে শিল্প আকারে তুলে ধরেছে।

১৯৫৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নরওয়ের পশ্চিম উপকূলে জন্মগ্রহণ করেন ফসে (৬৪)। তিনি প্রায় ৪০টি নাটক লেখার পাশাপাশি অসংখ্য উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, শিশুদের বই এবং অনুবাদ করেছেন।

তার ম্যাগনাম ওপাসে মূলত একজন বয়স্ক চিত্রশিল্পী এবং বিধবার গল্প তুলে ধরেছেন। ৮০০ পৃষ্ঠার বইটিতে তাদের একাকী জীবনযাপনের গল্প যেখানে ধর্ম, পরিচয়, শিল্প এবং পারিবারিক জীবনের বাস্তবতা ফুটে উঠেছে।

ফসের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘স্টেংড গিটার’ (১৯৮৫)-এ প্রথমবার তার নিজস্ব শৈলী ‘ফস মিনিমালিজম’ থিম দেখা গেছে। এই গল্পে দেখা যায় একজন অল্পবয়সী মা তার বাসার ময়লা ফেলার জন্য নিজের ফ্ল্যাটে তালা মেরে বাইরে যায়। কিন্তু ভেতরে তখন তার সন্তান বদ্ধ অবস্থায় ছিল।

কিন্তু পরিস্থিতি তখন এমন যে সে তখন সন্তানকে একা রেখে কোথাও সাহায্য চাইতেও যেতে পারছে না। এই ধরণের কিছু সংকটপূর্ণ মুহুর্ত ফসে তার লেখনিতে নান্দনিকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যা আমাদের জীবনে নিয়মিতই ঘটে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এ বছর সাহিত্যে নোবেল পেলেন নরওয়েজিয়ান লেখক জন ফসে। ম্যাগনাম ওপাস উপন্যাসের জন্য তিনি নোবেল পেয়েছেন। তার নিজস্ব শৈলীতে রচিত উপন্যাসকে বলা হয় ‘ফস মিনিমালিজম’। বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫ টার দিকে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।

বৃহস্পতিবার স্টকহোমে সুইডিশ একাডেমি তাদের ঘোষণায় বলেছে, ২০২৩ সালের সাহিত্যে নোবেল দেওয়া হয়েছে জন ফসেকে। তার উদ্ভাবনী নাটক এবং গদ্য মানুষের না বলতে পারা কথাগুলোকে শিল্প আকারে তুলে ধরেছে।

১৯৫৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর নরওয়ের পশ্চিম উপকূলে জন্মগ্রহণ করেন ফসে (৬৪)। তিনি প্রায় ৪০টি নাটক লেখার পাশাপাশি অসংখ্য উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, শিশুদের বই এবং অনুবাদ করেছেন।

তার ম্যাগনাম ওপাসে মূলত একজন বয়স্ক চিত্রশিল্পী এবং বিধবার গল্প তুলে ধরেছেন। ৮০০ পৃষ্ঠার বইটিতে তাদের একাকী জীবনযাপনের গল্প যেখানে ধর্ম, পরিচয়, শিল্প এবং পারিবারিক জীবনের বাস্তবতা ফুটে উঠেছে।

ফসের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘স্টেংড গিটার’ (১৯৮৫)-এ প্রথমবার তার নিজস্ব শৈলী ‘ফস মিনিমালিজম’ থিম দেখা গেছে। এই গল্পে দেখা যায় একজন অল্পবয়সী মা তার বাসার ময়লা ফেলার জন্য নিজের ফ্ল্যাটে তালা মেরে বাইরে যায়। কিন্তু ভেতরে তখন তার সন্তান বদ্ধ অবস্থায় ছিল।

কিন্তু পরিস্থিতি তখন এমন যে সে তখন সন্তানকে একা রেখে কোথাও সাহায্য চাইতেও যেতে পারছে না। এই ধরণের কিছু সংকটপূর্ণ মুহুর্ত ফসে তার লেখনিতে নান্দনিকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যা আমাদের জীবনে নিয়মিতই ঘটে।