নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন থেকে বাঁচতে হলে সরকারি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানতে হবে বলে নগরবাসীকে সতর্ক করেছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। আজ শনিবার (১৫ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করে নগরবাসীকে সতর্ক হওয়ার অনুরোধ জানান।

এসময় তিনি বলেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের আক্রান্তের হার খুবই ঊর্ধ্বমুখী। দ্রুতগতিতে এ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তা খুবই আশঙ্কাজনক। ঘরে ঘরে করোনা হানা দিচ্ছে। প্রতিদিন নতুন করে করোনা রোগীর আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর এভাবে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে হাসপাতালেও জায়গা হবে না বলে মন্তব্য করেন সুজন।

তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে যে, সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে নানাবিধ মেলা, খেলা, সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্টানাদি আয়োজন করা হচ্ছে। স্বাস্থবিধি মেনে শতভাগ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলার কথা থাকলেও স্বাস্থবিধি তো একেবারেই মানা হচ্ছে না, উল্টো গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। এখানে নেই কোনো সংস্থারও মনিটরিং। ফলত করোনায় সংক্রমিত হওয়ার শংকা থেকেই যাচ্ছে। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতা কিংবা বিক্রেতাদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাস্ক ছাড়া অনেকটা উদাসীন ভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে পথচারীদের। এতে করে সরকারি বিধিনিষেধ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এভাবে বেপরোয়া ভাবে জীবন যাপন করলে সরকারের একার পক্ষে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে। হাসপাতালে রোগীর সিট কিংবা অক্সিজেনের অভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। আইসিইউ কিংবা এইচডিইউর অভাবে রোগীর প্রাণরক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাওয়ার আগে এখন থেকেই সরকারকে কঠোর হওয়ার অনুরোধ সুজনের। এক্ষেত্রে মেলা, খেলাসহ সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জনসম্পৃক্ত আচার অনুষ্ঠান বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহবান জানান তিনি। তাছাড়া সর্দি, কাশি, জ্বরসহ যাদের ন্যূনতম উপসর্গ দেখা যাচ্ছে তাদেরকে কোনভাবেই অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হওয়ার আহবান জানান তিনি। সুজন করোনা মোকাবেলায় টিকা গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করে এখনো যারা টিকা গ্রহণ করেননি তাদেরকে অতিসত্বর টিকা গ্রহণ করার আহবান জানান। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকদের বুস্টার ডোজ গ্রহণ করারও আহবান জানান তিনি। তিনি যেসব এলাকায় সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় নির্বাচনের আয়োজন করতে হচ্ছে সেসব এলাকায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্বাচনী প্রচারণার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এর অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হতে চলেছে। হাতে হাতে মোবাইল, ট্যাব ও ঘরে ঘরে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে দেশের কোটি মানুষ। তাই নির্বাচনী প্রচারণাকে ডিজিটালের আওতায় আনা নির্বাচন কমিশনের জন্য কোন কঠিন কাজ হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি পূণরায় জীবন রক্ষাকে অত্যধিক গুরুত্ব দিয়ে জনগনকে সর্বক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার এবং নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার রেখে করোনা মোকাবেলায় সরকারকে সহযোগিতা করার উদাত্ত আহবান জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন থেকে বাঁচতে হলে সরকারি বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানতে হবে বলে নগরবাসীকে সতর্ক করেছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। আজ শনিবার (১৫ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করে নগরবাসীকে সতর্ক হওয়ার অনুরোধ জানান।

এসময় তিনি বলেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের আক্রান্তের হার খুবই ঊর্ধ্বমুখী। দ্রুতগতিতে এ ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তা খুবই আশঙ্কাজনক। ঘরে ঘরে করোনা হানা দিচ্ছে। প্রতিদিন নতুন করে করোনা রোগীর আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর এভাবে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকলে হাসপাতালেও জায়গা হবে না বলে মন্তব্য করেন সুজন।

তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে যে, সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে নানাবিধ মেলা, খেলা, সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অনুষ্টানাদি আয়োজন করা হচ্ছে। স্বাস্থবিধি মেনে শতভাগ যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলার কথা থাকলেও স্বাস্থবিধি তো একেবারেই মানা হচ্ছে না, উল্টো গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। এখানে নেই কোনো সংস্থারও মনিটরিং। ফলত করোনায় সংক্রমিত হওয়ার শংকা থেকেই যাচ্ছে। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে ক্রেতা কিংবা বিক্রেতাদের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি না মানার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাস্ক ছাড়া অনেকটা উদাসীন ভাবে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে পথচারীদের। এতে করে সরকারি বিধিনিষেধ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। এভাবে বেপরোয়া ভাবে জীবন যাপন করলে সরকারের একার পক্ষে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়বে। হাসপাতালে রোগীর সিট কিংবা অক্সিজেনের অভাবে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। আইসিইউ কিংবা এইচডিইউর অভাবে রোগীর প্রাণরক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যাওয়ার আগে এখন থেকেই সরকারকে কঠোর হওয়ার অনুরোধ সুজনের। এক্ষেত্রে মেলা, খেলাসহ সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও জনসম্পৃক্ত আচার অনুষ্ঠান বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহবান জানান তিনি। তাছাড়া সর্দি, কাশি, জ্বরসহ যাদের ন্যূনতম উপসর্গ দেখা যাচ্ছে তাদেরকে কোনভাবেই অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরনাপন্ন হওয়ার আহবান জানান তিনি। সুজন করোনা মোকাবেলায় টিকা গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করে এখনো যারা টিকা গ্রহণ করেননি তাদেরকে অতিসত্বর টিকা গ্রহণ করার আহবান জানান। সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিকদের বুস্টার ডোজ গ্রহণ করারও আহবান জানান তিনি। তিনি যেসব এলাকায় সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় নির্বাচনের আয়োজন করতে হচ্ছে সেসব এলাকায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে নির্বাচনী প্রচারণার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এর অক্লান্ত পরিশ্রমে বাংলাদেশ এখন সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হতে চলেছে। হাতে হাতে মোবাইল, ট্যাব ও ঘরে ঘরে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে দেশের কোটি মানুষ। তাই নির্বাচনী প্রচারণাকে ডিজিটালের আওতায় আনা নির্বাচন কমিশনের জন্য কোন কঠিন কাজ হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি পূণরায় জীবন রক্ষাকে অত্যধিক গুরুত্ব দিয়ে জনগনকে সর্বক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার এবং নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার রেখে করোনা মোকাবেলায় সরকারকে সহযোগিতা করার উদাত্ত আহবান জানান।