চন্দনাইশ প্রতিনিধিঃ বিগত সময়ের মত বিএনপি-জামাত আগুন সন্ত্রাস, ভাংচুর, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা চালাচ্ছে। আগষ্ট মাস আসলেই তাদের গায়ে আগুন ধরে যায়। তারা দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকতে না পেরে অনেকটা পাগলের প্রলাপ বখছে। বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীরা আন্দোলনের নামে গরুর গাড়িতে আগুন দিয়ে জীবন্ত গরু দাহ করে আগুন সন্ত্রাস সৃষ্টি করেছে। সাধারণ মানুষ তাদের পাশে না থাকায় তারা আন্দোলনে সফল হতে না পেরে ভিন্ন পথে প্রবাহিত হওয়ার চেষ্টা করছে। গতকাল ৩১ জুলাই বিকেলে চন্দনাইশ উপজেলা আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠন, সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিএনপি-জামায়াতের সারাদেশব্যাপী আগুন সন্ত্রাস, ভাংচুর নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় থাকাকালীন একাধিকবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। খাদ্যে স্বয়ংসস্পূর্ণ, উন্নয়ন অগ্রগতি অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষ পুনরায় নৌকায় ভোট দিয়ে আ’লীগকে জয়যুক্ত করার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। এখন দেশ এগিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ নৌকার পক্ষে রায় দেয়ার কথা শুনে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
গাছবাড়িয়া খাঁন হাট চত্বরে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অথিতি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবু আহমদ জুনুর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন পৌর মেয়র মাহবুবুল আলম খোকা, আ’লীগ নেতা যথাক্রমে আবুল বশর ভূঁইয়া, বলরাম চক্রবর্তী, মাষ্টার আহসান ফারুক, এম কায়ছার উদ্দীন চৌধুরী, আবদুল মালেক রানা, সাখাওয়াত হোসেন শিবলু, দোহাজারী পৌরসভার মেয়র লোকমান হাকিম, চেয়ারম্যান যথাক্রমে খোরশেদ বিন ইসহসক, এসএম সায়েম, নাসির উদ্দীন টিপু, মাস্টার মহিউদ্দীন, আ.স.ম ইদ্রিস, ওসমান আলী, নবাব আলী, খোরশেদ আলম টিটু, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মো. তৌহিদুল আলম, এ.এস.এম মুছা তছলিম, মুরিদুল আলম মুরাদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মারজাদুল ইসলাম চৌধুরী আরমান।
উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে মো. আবদুল আলীম, আমিন আহমেদ চৌধুরী রোকন, আহমদুর রহমান, ওসমান আলী, হাফেজ আহমদ, মাহাবুবুল হক সিকদার, তাপস দত্ত, আ’লীগ নেতা বশির উদ্দীন মুরাদ, আবদুল শুক্কর, বেলাল হোসেন মিঠু, ইয়াছিন আরাফাত চৌধুরী, ফোরক আহমদ, আ.স.ম মাহাবুবুল আলম রিপু, নাসির উদ্দীন চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা ওয়াহিদ, জাহিদ চৌধুরী, সিরাজুল কাফি চৌধুরী, নিশান, কাজী রুমি, মো. সাকিব প্রমুখ।
পরবর্তীতে গত ২৭ জুলাই দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অসত্য সংবাদ প্রকাশ করায় উপজেলা আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। একই সাথে যুগান্তরের চট্টগ্রাম ব্যুরো চীফ শহীদুল্লাহ শাহরিয়ারের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।
বক্তাগণ বলেন, আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে যুগান্তর পত্রিকা কর্তৃপক্ষ তাদের ভূল স্বীকার করে ক্ষমা না চাইলে আরো বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম চৌধুরী দেশের জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছিলেন। স্বাধীনতার পর থেকে পারিবারিকভাবে প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার হিসেবে ব্যবসায় জড়িত রয়েছেন। তার ভাইয়েরাও একইভাবে বিভিন্ন ব্যাবসার সাথে সম্পৃক্ত থেকে দেশের জন্য কাজ
করে যাচ্ছেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তার পরিবারের কেউ অন্য দলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত নয়। তারা কেউ সরকারি কোন সুযোগ-সুবিধা বা টিআর কাবিকার প্রকল্প ব্যবহার করে নাই। তার বিরুদ্ধে দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় অবান্তর, অসত্য, বিভ্রান্তিমূলক তথ্য উপস্থাপন করে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করায় সংসদ সদস্যের মানহানি ঘটেছে। তাই পরবর্তীতে এ ধরনের মিথ্যা বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছেন বক্তারা।




