চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:  আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে কুমিল্লা-১১(চৌদ্দগ্রাম) নির্বাচনী আসনের রাজনৈতিক দলগুলো। আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। সেই লক্ষ্যে চৌদ্দগ্রামে এবার এমপি প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশী পুরাতন নেতাদের পাশাপাশি নতুন নেতৃত্বের নেতারাও আছেন অনেকে।

স্থানীয় আ’লীগ সূত্র জানায়, আ’লীগের একাধিক প্রার্থী থাকলেও এমপি মুজিব ছাড়া মনোনয়ন লড়াইয়ে বেশ আলোচনায় রয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র মিজানুর রহমান। সাবেক মেয়র মিজান পারিবারিক ভাবে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। দু’বারের মেয়র ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকরে দায়িত্ব পালন করেছেন। চৌদ্দগ্রামের রাজনীতিতে তরুন এই নেতা তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় । আওয়ামিলীগের শীর্ষ নেতারাও তাকে বেশ পছন্দ করেন। একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা। এখানে নারী-পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২৩ হাজার ৪১৫। আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ৪ বারের এমপি ও সাবেক রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক।সাবেক পৌর মেয়র মো. মিজানুর রহমান রহমানের নাম বেশ আলোচনাই রয়েছে।

মনোনয়ন পাওয়ার জন্য এই প্রার্থীরা বর্তমানে নির্বাচনী এলাাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সভা-সেমিনার করে বেড়াচ্ছে। রাজনৈতিক আড্ডায় ও চায়ের দোকানে শোনা যাচ্ছে এই প্রার্থীদের নাম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

প্রকাশ্যে অনেক নেতাকর্মীরা বলেন, মেয়র মিজান নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা। রাজনীতির মাঠের সিনিয়র ও সক্রিয় এই নেতা নৌকার মাঝি হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এটাই তৃণমূলের প্রত্যাশা।

সাবেক পৌর মেয়র মো. মিজানুর রহমান বলেন, চৌদ্দগ্রামের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। আ’লীগ দলীয় নেতাকর্মীদের কন্ঠরোধ করতে তাদের মামলায় জড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে চৌদ্দগ্রাম আওয়ামীলীগের আজ চরম দুর্দিন। চৌদ্দগ্রামের রাজনীতিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। চৌদ্দগ্রামের রাজনীতির পরিবেশ সুষ্ঠু-সুন্দর করার লক্ষ্যে এবং আধুনিক উন্নয়নমুখি চৌদ্দগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমি কাজ করবো। আমি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি। জনগণের চাওয়া-পাওয়া, কথার মূল্যায়ণ যদি হয়, তাহলে আমি নৌকার মনোনয়ন পাবো ইনশাল্লাহ। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠ জরিপ করছে। আশা করি মাঠের প্রকৃত অবস্থা নীতিনির্ধারকরা জানেন। সর্বোপরি আমাদের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রীর শেষ সিদ্ধান্তই আমরা মেনে চলবো

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:  আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নেমেছে কুমিল্লা-১১(চৌদ্দগ্রাম) নির্বাচনী আসনের রাজনৈতিক দলগুলো। আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারির মাঝামাঝি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। সেই লক্ষ্যে চৌদ্দগ্রামে এবার এমপি প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশী পুরাতন নেতাদের পাশাপাশি নতুন নেতৃত্বের নেতারাও আছেন অনেকে।

স্থানীয় আ’লীগ সূত্র জানায়, আ’লীগের একাধিক প্রার্থী থাকলেও এমপি মুজিব ছাড়া মনোনয়ন লড়াইয়ে বেশ আলোচনায় রয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র মিজানুর রহমান। সাবেক মেয়র মিজান পারিবারিক ভাবে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। দু’বারের মেয়র ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকরে দায়িত্ব পালন করেছেন। চৌদ্দগ্রামের রাজনীতিতে তরুন এই নেতা তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় । আওয়ামিলীগের শীর্ষ নেতারাও তাকে বেশ পছন্দ করেন। একটি পৌরসভা ও ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা। এখানে নারী-পুরুষ ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২৩ হাজার ৪১৫। আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ৪ বারের এমপি ও সাবেক রেলপথমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক।সাবেক পৌর মেয়র মো. মিজানুর রহমান রহমানের নাম বেশ আলোচনাই রয়েছে।

মনোনয়ন পাওয়ার জন্য এই প্রার্থীরা বর্তমানে নির্বাচনী এলাাকার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সভা-সেমিনার করে বেড়াচ্ছে। রাজনৈতিক আড্ডায় ও চায়ের দোকানে শোনা যাচ্ছে এই প্রার্থীদের নাম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

প্রকাশ্যে অনেক নেতাকর্মীরা বলেন, মেয়র মিজান নির্বাচনে অংশগ্রহণের কথা। রাজনীতির মাঠের সিনিয়র ও সক্রিয় এই নেতা নৌকার মাঝি হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক এটাই তৃণমূলের প্রত্যাশা।

সাবেক পৌর মেয়র মো. মিজানুর রহমান বলেন, চৌদ্দগ্রামের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। আ’লীগ দলীয় নেতাকর্মীদের কন্ঠরোধ করতে তাদের মামলায় জড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে চৌদ্দগ্রাম আওয়ামীলীগের আজ চরম দুর্দিন। চৌদ্দগ্রামের রাজনীতিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে। চৌদ্দগ্রামের রাজনীতির পরিবেশ সুষ্ঠু-সুন্দর করার লক্ষ্যে এবং আধুনিক উন্নয়নমুখি চৌদ্দগ্রাম গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমি কাজ করবো। আমি দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি। জনগণের চাওয়া-পাওয়া, কথার মূল্যায়ণ যদি হয়, তাহলে আমি নৌকার মনোনয়ন পাবো ইনশাল্লাহ। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মাঠ জরিপ করছে। আশা করি মাঠের প্রকৃত অবস্থা নীতিনির্ধারকরা জানেন। সর্বোপরি আমাদের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রীর শেষ সিদ্ধান্তই আমরা মেনে চলবো