বিনোদন ডেস্ক: ‘কিতা বাইসাব বালানি’ শিরোনামে গানটি সোলসের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশ হলো। এটি সিলেট অঞ্চলের লোকপ্রিয় একটি গান। যা নতুন করে সংগীতায়োজন করে প্রকাশ করেছে সোলস। ৫০ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম চট্টগ্রামের বাইরে কোনো আঞ্চলিক গান নিয়ে হাজির হলো দলটি।

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন পার্থ বড়ুয়া। পার্থ বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আমরা ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ব্যান্ডের লোগো উন্মোচন করেছিলাম। তখনই জানিয়েছি ৫০টি গান উপহারসহ বেশ কিছু আয়োজনের। তারই যাত্রা হলো সিলেটি ভাষার এই গানটির মাধ্যমে। এভাবে ধারাবাহিকভাবে সোলসের পেজে গান প্রকাশ করতে থাকব। সেখানে যেমন থাকবে মৌলিক সৃষ্টি, তেমনি লোকপ্রিয় গানগুলোও তুলে আনার চেষ্টা করব।’

সোলস সূত্রে জানা গেছে, গানটি প্রকাশের পর তৃতীয় দিনে এসে খোঁজ মিলেছে এর মূল স্রষ্টার। সিলেট বিয়ানিবাজারের বাউল সাধক মরহুম ওয়াহিদুর রহমান খান এই গানটি লিখেছেন ও গেয়েছেন কয়েক দশক আগে। বিষয়টি সোলসকে নিশ্চিত করেছেন ওয়াহিদুর রহমান খানের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সন্তান।

তবে দলনেতা পার্থ বড়ুয়া সচেতনভাবেই ‘কিতা বাইসাব বালানি’ গানটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে শোনার আহ্বান করেছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা দলের কেউই সিলেটের নই। আমাদের প্রধান ভাষা চাটগাঁইয়া। এবারই প্রথম সিলেটি ভাষায় গাইলাম। ১৯৮২ সালে প্রকাশিত হয় সোলসের প্রথম অ্যালবাম ‘সুপার সোলস’।

এটি ছিল দেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় অ্যালবাম।

বিনোদন ডেস্ক: ‘কিতা বাইসাব বালানি’ শিরোনামে গানটি সোলসের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশ হলো। এটি সিলেট অঞ্চলের লোকপ্রিয় একটি গান। যা নতুন করে সংগীতায়োজন করে প্রকাশ করেছে সোলস। ৫০ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম চট্টগ্রামের বাইরে কোনো আঞ্চলিক গান নিয়ে হাজির হলো দলটি।

গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন পার্থ বড়ুয়া। পার্থ বড়ুয়া গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আমরা ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ব্যান্ডের লোগো উন্মোচন করেছিলাম। তখনই জানিয়েছি ৫০টি গান উপহারসহ বেশ কিছু আয়োজনের। তারই যাত্রা হলো সিলেটি ভাষার এই গানটির মাধ্যমে। এভাবে ধারাবাহিকভাবে সোলসের পেজে গান প্রকাশ করতে থাকব। সেখানে যেমন থাকবে মৌলিক সৃষ্টি, তেমনি লোকপ্রিয় গানগুলোও তুলে আনার চেষ্টা করব।’

সোলস সূত্রে জানা গেছে, গানটি প্রকাশের পর তৃতীয় দিনে এসে খোঁজ মিলেছে এর মূল স্রষ্টার। সিলেট বিয়ানিবাজারের বাউল সাধক মরহুম ওয়াহিদুর রহমান খান এই গানটি লিখেছেন ও গেয়েছেন কয়েক দশক আগে। বিষয়টি সোলসকে নিশ্চিত করেছেন ওয়াহিদুর রহমান খানের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সন্তান।

তবে দলনেতা পার্থ বড়ুয়া সচেতনভাবেই ‘কিতা বাইসাব বালানি’ গানটি ক্ষমা-সুন্দর দৃষ্টিতে শোনার আহ্বান করেছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা দলের কেউই সিলেটের নই। আমাদের প্রধান ভাষা চাটগাঁইয়া। এবারই প্রথম সিলেটি ভাষায় গাইলাম। ১৯৮২ সালে প্রকাশিত হয় সোলসের প্রথম অ্যালবাম ‘সুপার সোলস’।

এটি ছিল দেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় অ্যালবাম।