বিনোদন প্রতিবেদক: “ও কালা চাঁন গলার মালা পেট পুরেদ্যে তোঁয়ার-লাই”সহ বহু গানের গুণিশিল্পী বুলবুল আকতার এখন মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। এ খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তিনি মানবিক সাহায্যের জন্য সকলের নিকট হাত পেতেছেন। আশা করছি সকলে তার রোগ সারানোর জন্য দোয়াসহ আর্থিকভাবে সহযোগীতা কামনা করছি।

নানা জটিল ব্যাধি তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে।এক সময় তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকেও তার দরাজ কন্ঠে গান শুনিয়েছেন। তাঁর গান ব্যবহার করে “মেইড ইন চিটাগং” চলচ্চিত্রটি প্রচুর সাড়া জাগিয়েছে এবং মুনাফা করেছে। তাঁদের পক্ষ থেকেও কানাকড়ি পাননি তিনি।

“ও কালা চাঁন” গানের মূলশিল্পী বুলবুল আকতার। তাছাড়া চট্টগ্রামের মানুষ চাইলে কী না পারে? যেন গানের পাখি বুলবুল আকতার তাঁর দরাজ কন্ঠের গানের ঢালী নিয়ে আমাদের মাঝে ফিরে ফিরে আসতে পারে।

এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাথে সাথে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জননেতা এটিএম পেয়ারুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে তিনিও এগিয়ে আসবেন, সন্দেহ নেই। শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারি ট্রাস্টও বুলবুল আকতারের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারে। তাঁরা এ রকম অসংখ্য কাজের নজির স্থাপন করেছে। বাকিরা তো আছেনই।

শিল্পীর সাথে আমার পরিচয় নেই, গান শুনে তাঁর ভক্ত হয়েছি। আমার মতো আরো বহু মানুষ আছেন, যারা শিল্পীকে তাঁর গানের জন্য ভালোবাসেন। তাঁর পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। আশা করি মানুষ তাঁকে সম্মান দেখাবেন। অসুস্থতার জন্য তাঁর গান পরিবেশন বন্ধ হয়ে আছে। আপনার-আমার হাত ধরে তিনি আবার গানে ফিরতে চান।

বিনোদন প্রতিবেদক: “ও কালা চাঁন গলার মালা পেট পুরেদ্যে তোঁয়ার-লাই”সহ বহু গানের গুণিশিল্পী বুলবুল আকতার এখন মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। এ খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তিনি মানবিক সাহায্যের জন্য সকলের নিকট হাত পেতেছেন। আশা করছি সকলে তার রোগ সারানোর জন্য দোয়াসহ আর্থিকভাবে সহযোগীতা কামনা করছি।

নানা জটিল ব্যাধি তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে।এক সময় তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকেও তার দরাজ কন্ঠে গান শুনিয়েছেন। তাঁর গান ব্যবহার করে “মেইড ইন চিটাগং” চলচ্চিত্রটি প্রচুর সাড়া জাগিয়েছে এবং মুনাফা করেছে। তাঁদের পক্ষ থেকেও কানাকড়ি পাননি তিনি।

“ও কালা চাঁন” গানের মূলশিল্পী বুলবুল আকতার। তাছাড়া চট্টগ্রামের মানুষ চাইলে কী না পারে? যেন গানের পাখি বুলবুল আকতার তাঁর দরাজ কন্ঠের গানের ঢালী নিয়ে আমাদের মাঝে ফিরে ফিরে আসতে পারে।

এ বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সাথে সাথে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জননেতা এটিএম পেয়ারুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে তিনিও এগিয়ে আসবেন, সন্দেহ নেই। শাহানশাহ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারি ট্রাস্টও বুলবুল আকতারের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারে। তাঁরা এ রকম অসংখ্য কাজের নজির স্থাপন করেছে। বাকিরা তো আছেনই।

শিল্পীর সাথে আমার পরিচয় নেই, গান শুনে তাঁর ভক্ত হয়েছি। আমার মতো আরো বহু মানুষ আছেন, যারা শিল্পীকে তাঁর গানের জন্য ভালোবাসেন। তাঁর পাশে দাঁড়ানো আমাদের কর্তব্য। আশা করি মানুষ তাঁকে সম্মান দেখাবেন। অসুস্থতার জন্য তাঁর গান পরিবেশন বন্ধ হয়ে আছে। আপনার-আমার হাত ধরে তিনি আবার গানে ফিরতে চান।