বিনোদন প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের জনপ্রিয় কণ্ঠ শিল্পী গীতা আচার্য্য চট্টগ্রামের ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরে অসাধারণ একটি গান রের্কডিং শেষ করেছে। গানটি আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযাহা উপলক্ষে মিউজিক ভিডিও করে তার ব্যাক্তিগত ইউটিউবে আপলোড করে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

গানটি লিখেছেন দৈনিক সকালের সময় চট্টগ্রাম ব্যুরো’র সিনিয়র রির্পোটার নজরুল ইসলাম ও সুর করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মিউজিক ডিরেক্টর আর. কে চক্রবর্ত্তী জুয়েল।

গানের ভিডিও ধারণ করবেন অনিক মাল্টিমিডিয়া নামের একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

গানটিতে কর্ণফুলী নদী ও চট্টগ্রাম বন্দর, ডিসিহীল, লালদীঘির ময়দান, কোর্ট বিল্ডিং, চট্টগ্রামের শিল্প কারখানা, ও চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের সম্রাট শেফালী ঘোষ, আব্দুল গফুর হালী, রমেশ শীল, আস্কর আলী পন্ডিতের গানের গুরুত্ব প্রকাশ করা হয়েছে।

গানটির সুরকার বাংলাদেশ টেলিভিশনের সংগীত পরিচালক আর কে জুয়েল দি ক্রাইমের বিনোদন প্রতিবেদককে বলেন, গানটিতে চট্টগ্রামের ইতিহাস ঐতিহ্য দর্শনীয় স্থান এবং স্মৃতি সৌন্দর্য্যসহ বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

গীতিকার সাংবাদিক নজরুল ইসলাম দি ক্রাইমের বিনোদন প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান সময়ে ভালো কিছু নিয়ে গান লেখা হচ্ছে না, এ গানটি সারা দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিবে। আর যিনি কণ্ঠ দিয়েছে তিনি চট্টগ্রামের মানুষের কাছে গানের রানী হিসেবে খ্যাত।

সংগীত শিল্পী গীতা আচার্য্য দি ক্রাইমের বিনোদন প্রতিবেদককে বলেন, শেফালী ঘোষ, আবদুল গফুর হালী, সেলিম নিজামীর মৃত্যুর পর চট্টগ্রামে অঞ্চলে তাদের শুন্যতা কেউ পূরণ করতে পারেনি। ভালো গীতিকারের সে মানের লেখাও এখন পাওয়া যাচ্ছে না। এ গানটি চট্টগ্রামের প্রতিটি মানুষ শুনবে এবং সারা দেশের মানুষের কাছে চট্টগ্রামকে উপস্থাপন করা হয়েছে। গানটি যে কারো ভালো লাগবে সেটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

বিনোদন প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের জনপ্রিয় কণ্ঠ শিল্পী গীতা আচার্য্য চট্টগ্রামের ইতিহাস ঐতিহ্য তুলে ধরে অসাধারণ একটি গান রের্কডিং শেষ করেছে। গানটি আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযাহা উপলক্ষে মিউজিক ভিডিও করে তার ব্যাক্তিগত ইউটিউবে আপলোড করে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

গানটি লিখেছেন দৈনিক সকালের সময় চট্টগ্রাম ব্যুরো’র সিনিয়র রির্পোটার নজরুল ইসলাম ও সুর করেছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মিউজিক ডিরেক্টর আর. কে চক্রবর্ত্তী জুয়েল।

গানের ভিডিও ধারণ করবেন অনিক মাল্টিমিডিয়া নামের একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।

গানটিতে কর্ণফুলী নদী ও চট্টগ্রাম বন্দর, ডিসিহীল, লালদীঘির ময়দান, কোর্ট বিল্ডিং, চট্টগ্রামের শিল্প কারখানা, ও চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গানের সম্রাট শেফালী ঘোষ, আব্দুল গফুর হালী, রমেশ শীল, আস্কর আলী পন্ডিতের গানের গুরুত্ব প্রকাশ করা হয়েছে।

গানটির সুরকার বাংলাদেশ টেলিভিশনের সংগীত পরিচালক আর কে জুয়েল দি ক্রাইমের বিনোদন প্রতিবেদককে বলেন, গানটিতে চট্টগ্রামের ইতিহাস ঐতিহ্য দর্শনীয় স্থান এবং স্মৃতি সৌন্দর্য্যসহ বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

গীতিকার সাংবাদিক নজরুল ইসলাম দি ক্রাইমের বিনোদন প্রতিবেদককে বলেন, বর্তমান সময়ে ভালো কিছু নিয়ে গান লেখা হচ্ছে না, এ গানটি সারা দেশের মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিবে। আর যিনি কণ্ঠ দিয়েছে তিনি চট্টগ্রামের মানুষের কাছে গানের রানী হিসেবে খ্যাত।

সংগীত শিল্পী গীতা আচার্য্য দি ক্রাইমের বিনোদন প্রতিবেদককে বলেন, শেফালী ঘোষ, আবদুল গফুর হালী, সেলিম নিজামীর মৃত্যুর পর চট্টগ্রামে অঞ্চলে তাদের শুন্যতা কেউ পূরণ করতে পারেনি। ভালো গীতিকারের সে মানের লেখাও এখন পাওয়া যাচ্ছে না। এ গানটি চট্টগ্রামের প্রতিটি মানুষ শুনবে এবং সারা দেশের মানুষের কাছে চট্টগ্রামকে উপস্থাপন করা হয়েছে। গানটি যে কারো ভালো লাগবে সেটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।