বিনোদন ডেস্ক: বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়াভাই’ খ্যাত বর্ষীয়ান চিত্রনায়ক, সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) আজ রোববার মারা গেছেন। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

আগামীকাল মঙ্গলবার ভোরের ফ্লাইটে বর্ষীয়ান এই চিত্রনায়কের লাশ দেশে আনা হবে। ফারুকের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট মানিকগঞ্জে। পাঁচ বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

নাম আকবর হোসেন পাঠান হলেও তিনি সবার কাছে ফারুক নামে অধিক পরিচিত। বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, ব্যবসায়ী ও রাজনীতির পাশাপাশি নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ফারুকের। তিনি লাঠিয়াল, সুজন সখী, নয়নমনি, সারেং বৌ, গোলাপী এখন ট্রেনে, সাহেব, আলোর মিছিল, দিন যায় কথা থাকে, মিয়া ভাইসহ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

লাঠিয়াল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ১৯৭৫ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৬ সালে আজীবন সম্মাননা অর্জন করেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি সবচেয়ে সফল ও সেরা নায়কদের একজন হিসেবে স্বীকৃত।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক তরুণ বয়স থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

বিনোদন ডেস্ক: বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিয়াভাই’ খ্যাত বর্ষীয়ান চিত্রনায়ক, সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন পাঠান (ফারুক) আজ রোববার মারা গেছেন। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

আগামীকাল মঙ্গলবার ভোরের ফ্লাইটে বর্ষীয়ান এই চিত্রনায়কের লাশ দেশে আনা হবে। ফারুকের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট মানিকগঞ্জে। পাঁচ বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট।

নাম আকবর হোসেন পাঠান হলেও তিনি সবার কাছে ফারুক নামে অধিক পরিচিত। বর্ণাঢ্য জীবনে তিনি চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, ব্যবসায়ী ও রাজনীতির পাশাপাশি নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে ফারুকের। তিনি লাঠিয়াল, সুজন সখী, নয়নমনি, সারেং বৌ, গোলাপী এখন ট্রেনে, সাহেব, আলোর মিছিল, দিন যায় কথা থাকে, মিয়া ভাইসহ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

লাঠিয়াল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ১৯৭৫ সালে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৬ সালে আজীবন সম্মাননা অর্জন করেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি সবচেয়ে সফল ও সেরা নায়কদের একজন হিসেবে স্বীকৃত।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক তরুণ বয়স থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।