নিজস্ব প্রতিবেদক: দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র উদ্যোগে “৩০তম চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৩” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

বিশেষ অতিথিবৃন্দরা ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন’র মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এম. এ. লতিফ এমপি, এফবিসিসিআই’র সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন।

চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে এ সময় চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ-২০২৩ কমিটির চেয়ারম্যান এ. কে. এম. আক্তার হোসেন এবং সিআইটিএফ কমিটির কো-চেয়ারম্যানবৃন্দ, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ, সাবেক সভাপতিমন্ডলী ও পরিচালকবৃন্দ, অনারারী কনসাল, সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন ট্রেডবডি ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিসহ নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন, বাংলাদেশের জিডিপি ৮০ বিলিয়ন থেকে ৪৭৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সাথে বেড়েছে মাথাপিছু আয়ও। এসবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বগুণে। চিটাগাং চেম্বারের মত এত সফলভাবে কোন ট্রেডবডি মেলা আয়োজন করতে পারেনি। এ মেলার জন্য একটি স্থায়ী ভেন্যুর প্রয়োজন অনস্বীকার্য উল্লেখ করে তিনি বে-টার্মিনালের বিপরীতে এই মেলার জন্য একটি স্থায়ী ভেন্যু সহসা বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে বলে জানান এবং আগামী বছর থেকে সেখানে সিআইটিএফ আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, হামিদচরে পার্কিং সুবিধাসহ মেলা আয়োজনের জন্য একটি স্থায়ী কনভেনশন হল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি পবিত্র মাহে রমজানসহ সকল ধর্মীয় উৎসবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না করতে এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে কঠোর হওয়ার আহবান জানান।

বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন’র মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন সংস্থাসহ সিটি কর্পোরেশন ১০ হাজার কোটি টাকার এবং চাক্তাই থেকে বড়াইপাড়া পর্যন্ত ১৩শ কোটি টাকা ব্যয়ে খাল খনন করার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর স্থায়ী ও টেকসই উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে সকল শ্রেণির পরামর্শ এবং সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব মডেল শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে ১টি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ২টি ওয়ার্ডে তা বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানান।

বিশেষ অতিথি লতিফ এমপি বলেন, চিটাগাং চেম্বার দীর্ঘদিন যাবৎ বাণিজ্য মেলা আয়োজনে তার পরিচ্ছন্ন ইমেজ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে সারা দেশ থেকে ছোট বড় ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন বেড়েছে। চট্টগ্রামকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১ লক্ষ কোটি টাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে যা দেশের মোট উন্নয়নের ৩৫%। ব্যবসায়ীদের কাজের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হলে অর্থনীতির উন্নয়ন ব্যাহত হবে উল্লেখ করে তিনি ব্যবসা বান্ধব নীতি প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশেষ অতিথি এফবিসিসিআই সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জন করতে আমাদের রপ্তানি ৩০০ বিলিয়ন ডলার করার পাশাপাশি শিল্পায়ন ও এসএমই খাতের উন্নয়ন করতে হবে। দেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় বেসরকারি খাতের অবদান ৮০% উল্লেখ করে তিনি ব্যবসা বান্ধব নীতিমালা প্রণয়নে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন বলে জানান। এছাড়া সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন উৎস খুঁজে বের করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন,গত তিন দশক যাবৎ চট্টগ্রাম বাণিজ্য মেলা চট্টগ্রামবাসীর জন্য একটি নিখাদ বিনোদনের উৎস ও মিলন মেলায় রূপ নিয়েছে। তিনি বেসরকারী খাতের উন্নয়নে সহায়ক নীতিমালা প্রণয়ন, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ধরণের অনুমোদন চট্টগ্রাম থেকে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে প্রদানের ব্যবস্থা করা, রপ্তানী বহুমূখীকরণের জন্য নতুন ক্ষেত্র, উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করে চলমান প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ এর চেয়ারম্যান এ. কে. এম. আক্তার হোসেন মেলার সার্বিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে বক্তব্য প্রদান করেন।

চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ কমিটির কো-চেয়ারম্যান মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন) ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন।

প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ এবং চেম্বার নেতৃবৃন্দ ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, মাসব্যাপী এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা পলোগ্রাউন্ডে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক: দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র উদ্যোগে “৩০তম চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৩” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আজ বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি।

বিশেষ অতিথিবৃন্দরা ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন’র মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এম. এ. লতিফ এমপি, এফবিসিসিআই’র সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন।

চেম্বার প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম’র সভাপতিত্বে এ সময় চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ-২০২৩ কমিটির চেয়ারম্যান এ. কে. এম. আক্তার হোসেন এবং সিআইটিএফ কমিটির কো-চেয়ারম্যানবৃন্দ, চেম্বার পরিচালকবৃন্দ, সাবেক সভাপতিমন্ডলী ও পরিচালকবৃন্দ, অনারারী কনসাল, সরকারি উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন ট্রেডবডি ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিসহ নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেন, বাংলাদেশের জিডিপি ৮০ বিলিয়ন থেকে ৪৭৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। একই সাথে বেড়েছে মাথাপিছু আয়ও। এসবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বগুণে। চিটাগাং চেম্বারের মত এত সফলভাবে কোন ট্রেডবডি মেলা আয়োজন করতে পারেনি। এ মেলার জন্য একটি স্থায়ী ভেন্যুর প্রয়োজন অনস্বীকার্য উল্লেখ করে তিনি বে-টার্মিনালের বিপরীতে এই মেলার জন্য একটি স্থায়ী ভেন্যু সহসা বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে বলে জানান এবং আগামী বছর থেকে সেখানে সিআইটিএফ আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, হামিদচরে পার্কিং সুবিধাসহ মেলা আয়োজনের জন্য একটি স্থায়ী কনভেনশন হল স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। এছাড়া তিনি পবিত্র মাহে রমজানসহ সকল ধর্মীয় উৎসবে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি না করতে এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে কঠোর হওয়ার আহবান জানান।

বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন’র মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন সংস্থাসহ সিটি কর্পোরেশন ১০ হাজার কোটি টাকার এবং চাক্তাই থেকে বড়াইপাড়া পর্যন্ত ১৩শ কোটি টাকা ব্যয়ে খাল খনন করার প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তিনি চট্টগ্রাম নগরীর স্থায়ী ও টেকসই উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করে সকল শ্রেণির পরামর্শ এবং সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব মডেল শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে ১টি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ২টি ওয়ার্ডে তা বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানান।

বিশেষ অতিথি লতিফ এমপি বলেন, চিটাগাং চেম্বার দীর্ঘদিন যাবৎ বাণিজ্য মেলা আয়োজনে তার পরিচ্ছন্ন ইমেজ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে, যার ফলে সারা দেশ থেকে ছোট বড় ব্যবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি পেয়েছে, অবকাঠামো উন্নয়ন বেড়েছে। চট্টগ্রামকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১ লক্ষ কোটি টাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে যা দেশের মোট উন্নয়নের ৩৫%। ব্যবসায়ীদের কাজের ধারাবাহিকতা বাধাগ্রস্ত হলে অর্থনীতির উন্নয়ন ব্যাহত হবে উল্লেখ করে তিনি ব্যবসা বান্ধব নীতি প্রণয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিশেষ অতিথি এফবিসিসিআই সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশের লক্ষ্য অর্জন করতে আমাদের রপ্তানি ৩০০ বিলিয়ন ডলার করার পাশাপাশি শিল্পায়ন ও এসএমই খাতের উন্নয়ন করতে হবে। দেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় বেসরকারি খাতের অবদান ৮০% উল্লেখ করে তিনি ব্যবসা বান্ধব নীতিমালা প্রণয়নে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধিত্ব প্রয়োজন বলে জানান। এছাড়া সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন উৎস খুঁজে বের করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন,গত তিন দশক যাবৎ চট্টগ্রাম বাণিজ্য মেলা চট্টগ্রামবাসীর জন্য একটি নিখাদ বিনোদনের উৎস ও মিলন মেলায় রূপ নিয়েছে। তিনি বেসরকারী খাতের উন্নয়নে সহায়ক নীতিমালা প্রণয়ন, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সব ধরণের অনুমোদন চট্টগ্রাম থেকে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে প্রদানের ব্যবস্থা করা, রপ্তানী বহুমূখীকরণের জন্য নতুন ক্ষেত্র, উদ্যোক্তা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করে চলমান প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ এর চেয়ারম্যান এ. কে. এম. আক্তার হোসেন মেলার সার্বিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে বক্তব্য প্রদান করেন।

চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ কমিটির কো-চেয়ারম্যান মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন) ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন।

প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্দ এবং চেম্বার নেতৃবৃন্দ ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, মাসব্যাপী এই আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা পলোগ্রাউন্ডে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে।