প্রেস বিজ্ঞপ্তি: মাদরাসা শিক্ষাকে মূল ধারার শিক্ষার সাথে সংযুক্তি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন দারুল উলূম কামিল মাদরাসা গর্ভনিং বডির সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। আজ বুধবার (০১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মাদরাসায় আলিম ২০২২-২০২৩ সেশনে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সরকার মাদরাসা শিক্ষাকে মূল শিক্ষার সাথে সংযুক্ত করে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য জ্ঞানের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছে। আধুনিক বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তির যুগেও পিছিয়ে নেই মাদরাসা শিক্ষা। দেশের সাধারণ শিক্ষার কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই এগিয়ে চলছে মাদরাসাগুলো। মাদরাসা এখন জাতীয় উন্নয়নের সহায়ক। মাদরাসা জঙ্গী কিংবা সাম্প্রদায়িক বিষবাস্প ছড়ানোর কেন্দ্র নয়। এক সময় মাদরাসা শিক্ষায় ভীতিকর পরিবেশ বিরাজ করতো। মাদরাসা শিক্ষা অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় মাদরাসা শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। সেভাবে দারুল উলুম কামিল মাদরাসাকেও গড়ে তুলতে হবে। মাদরাসার সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন ঘটাতে হবে।
তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি নতুন পাঠ্যবই প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে অযথা গুজব সৃষ্টি করে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্ঠি করতে চাইছে একটি পক্ষ। পাঠ্যবইয়ে যা নেই তা নিয়েই হইচই করা হচ্ছে। মূলত দেশের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে যারা সহ্য করতে পারছে না তারাই পরিকল্পিতভাবে এ গুজব সৃষ্ঠি করছে। এসব গুজব থেকে সতর্ক থাকার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।
সুজন বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম, অথচ সেই শান্তির ধর্ম ইসলামের ভ‚ল ব্যাখা দিয়ে তরুন সমাজকে বিপথগামী করার চেষ্ঠা চলছে। এসব অপতৎপরতার বিরুদ্ধে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সোচ্চার হওয়ারও আহবান জানান তিনি। তিনি শিক্ষার্থীদের মাদরাসার নিয়ম কানুন এবং শান্তি শৃংখলা মেনে লেখাপড়া করার আহবান জানান। মাদরাসায় কোন অবস্থাতেই লেখাপড়া বহির্ভূত কর্মকান্ড কিংবা কোন প্রকার বিশৃংখলা সহ্য করা হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি। এছাড়া অভিভাবকদের সন্তানদের প্রতি নজর রাখারও অনুরোধ জানান তিনি। তিনি শিক্ষক, ছাত্র এবং অভিভাবক ত্রিপক্ষের সমন্বয়ে পাঠদান কার্যক্রমকে আনন্দমুখর করে তোলার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।
আলোচনা শেষে বুখারী শরীফ এবং হাদীস শরীফ দরস দেন প্রধান মুহাদ্দিস মও. আহমদুর রহমান নদভী। মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মও. আনোয়ার হোসাইন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক অধ্যক্ষ ড. এটিএম তাহের, আরবি প্রভাষক মও. মুনির উদ্দিন, মোঃ ফরিদ উদ্দিন, মও. মাহবুবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম প্রমূখ।
Post Views: 255




