ঢাকা ব্যুরো: জনগণ রাস্তায় নামলে কোন শক্তিতেই সরকার টিকে থাকতে পারবে না। তাদের (সরকারের) পেছনে যতই শক্তি থাকুক সেই শক্তি তাদের টিকিয়ে রাখতে পারে না। আজ শনিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর বলেন, আজকে অর্থনীতি দুর্নীতির কাছে হেরে গিয়েছে। রাজকোষ খালি, বেতন দেওয়ার টাকাও থাকবে না। এখন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পকেটমার ছাড়া রাজস্ব কর্মকর্তাদের আর কোন কাজ নেই।
আদালতের আচরণ আর গরিবের আচরণের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই দাবি করে গয়েশ্বর বলেন, সরকার সকল আদালতকে এমন ভাবে আয়ত্ত করেছে যে সরকারের পক্ষ থেকে যা বলা হয় আদালত সেটাই করে। আদালত তার নিজস্ব বিচার, বিবেক, বুদ্ধি এবং আইনকে অনুসরণ করতে ভয় পায়। যারা ভয় পায় তাদের কাছে বিচার দিয়ে লাভ নেই, কারণ সঠিক বিচার করার ন্যূনতম ক্ষমতা তাদের নেই।
গয়েশ্বর বলেন, আজকে অন্যায়ভাবে বন্দি আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অসংখ্য মামলায় আজকে বিচার পাচ্ছে না। অবিচারের মধ্য দিয়ে তারা নির্যাতিত হচ্ছে। এই সরকার একটি লুটেরা সরকার, ফ্যাসিবাদী সরকার, জনগণের পকেটমার সরকার। অর্থাৎ জনগণের পকেট যদি না মারতো তাহলে ১০ লক্ষ কোটি টাকা কী করে পাচার হলো? কী করে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি হয়ে যায়? কিভাবে শেয়ার বাজারের টাকা উধাও হয়ে যায়? কী করে লাগামহীনভাবে দুর্নীতি হয়?
মানববন্ধনে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুন রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় বিএনপি নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপি নেতা বেনজীর আহমেদ টিটু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।



