দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের অন্যতম আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর একাধিক মামলার আসামি মোবারক হোসেন ওরফে ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করতে এক সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে জেলা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ফটিকছড়ি উপজেলায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অভিযানের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার রাতে সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকায় অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। নির্ভরশীল সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে ইমনের পরিবারের কয়েকজনের মোবাইল ফোন হেফাজতে নেয় পুলিশ। তারপর তথ্য সংগ্রহ করে অভিযান শুরু করে। তবে এখনো ইমনের নাগাল পায়নি পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগরের বাসিন্দা মো. মুসার ছেলে ডেভিড ইমন মূলত ইন্টারপোলের তালিকাভুক্ত বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর (বড় সাজ্জাদ) অন্যতম প্রধান বিশ্বস্ত সহযোগী। দীর্ঘদিন ধরে সে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্প গ্রুপ থেকে বড় অঙ্কের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের বাকলিয়ার জোড়া খুন ও পতেঙ্গায় ঢাকাইয়া আকবর হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

সম্প্রতি নগরের চকবাজার এলাকার ‘ডিজিটাল ডট নেট’ (ডিডিএন) নামক একটি ইন্টারনেট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ডেভিড ইমন]। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় সোমবার (১৩ জুলাই) ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল প্রকাশ্য দিবালোকে ওই অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের নগদ ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনার একটি অডিও রেকর্ড ও সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের নিজ এলাকা ফটিকছড়ির কাঞ্চন নগরে তার খোঁজে মাঠে নামে জেলা পুলিশের বিশেষ টিম।

দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের অন্যতম আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর একাধিক মামলার আসামি মোবারক হোসেন ওরফে ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করতে এক সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে জেলা পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ফটিকছড়ি উপজেলায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। জেলা পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অভিযানের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার রাতে সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকায় অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। নির্ভরশীল সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে ইমনের পরিবারের কয়েকজনের মোবাইল ফোন হেফাজতে নেয় পুলিশ। তারপর তথ্য সংগ্রহ করে অভিযান শুরু করে। তবে এখনো ইমনের নাগাল পায়নি পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগরের বাসিন্দা মো. মুসার ছেলে ডেভিড ইমন মূলত ইন্টারপোলের তালিকাভুক্ত বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর (বড় সাজ্জাদ) অন্যতম প্রধান বিশ্বস্ত সহযোগী। দীর্ঘদিন ধরে সে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শিল্প গ্রুপ থেকে বড় অঙ্কের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের বাকলিয়ার জোড়া খুন ও পতেঙ্গায় ঢাকাইয়া আকবর হত্যাকাণ্ডসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

সম্প্রতি নগরের চকবাজার এলাকার ‘ডিজিটাল ডট নেট’ (ডিডিএন) নামক একটি ইন্টারনেট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিকের কাছে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ডেভিড ইমন]। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় সোমবার (১৩ জুলাই) ২০-২৫ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল প্রকাশ্য দিবালোকে ওই অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের নগদ ৩৫ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনার একটি অডিও রেকর্ড ও সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের নিজ এলাকা ফটিকছড়ির কাঞ্চন নগরে তার খোঁজে মাঠে নামে জেলা পুলিশের বিশেষ টিম।