প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ যেহেতু ওসি পাঁচলাইশ ও সংগীয় পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দরিদ্র ডায়ালাসিস রোগী ও স্বজনদের হয়রানি,নির্যাতন ও মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়েরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সেহেতু পাঁচলাইশ থানার মামলা নং ০৭(০১)২৩ ন্যায় বিচারের স্বার্থে  ভিন্ন কোন এজন্সিকে দিয়ে তদন্তের দাবী করেছে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন বিএইচআরএফ।যথাযথ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংস্থাটির চেয়ারপারসন এডভোকেট এলিনা খান ও মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান প্রদত্ত সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশার্থে এক যুক্ত বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে মানবাধিকার নেতৃদ্বয় বলেন, সমস্থ প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায়  অভিযুক্ত পাঁচলাইশ পুলিশ  কতৃক শান্তিপূর্ন মানবিক প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন কালে ডায়ালাসিস রোগী বিধবা নাসরিন আক্তার ও তার একমাত্র পুত্র মোহাম্মদ মোস্তাকিম কে হয়রানি, শারীরিক আক্রমণ ও মোস্তাকিমকে গ্রেফ্তার ও রিমান্ডের আবেদন সহ পাঁচলাইশ  পুলিশের প্রতিটি অতিউৎসাহী ভূমিকা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার এর প্রমান পাওয়া গেছে।
এহেন পরিস্থিতিতে উক্ত মামলাটি ওসি পাঁচলাইশ এর অধীনে সঠিক তদন্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বিধায় মামলাটি মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সিআইডি, ডিবি,পিবিআই, RAB অথবা অন্য যে কোন তদন্ত সংস্থা দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেয়া প্রয়োজন। নইলে মুস্তাকিম  সহ  আরো ৫০/৬০ জন অজ্ঞাত কিডনী রোগী ও রোগীর স্বজনরা ন্যায় বিচার বঞ্চিত হওয়ার আশংকা বিদ্যমান। যেহেতু মামলার বাদী পুলিশ,তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ও স্বাক্ষী পুলিশ এবং তারা সবাই পাঁচলাইশ থানার ওসির অধীনে কর্মরত সেহেতু মামলা টির তদন্তভার উক্ত থানা থেকে তুলে নিয়ে  অন্য যেকোন এজেন্সি কে অর্পণ করা বাঞ্ছনীয়। বিবৃতি দাতারা এঘটনায় মিডিয়া কর্মীদের  মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ যেহেতু ওসি পাঁচলাইশ ও সংগীয় পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দরিদ্র ডায়ালাসিস রোগী ও স্বজনদের হয়রানি,নির্যাতন ও মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়েরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে সেহেতু পাঁচলাইশ থানার মামলা নং ০৭(০১)২৩ ন্যায় বিচারের স্বার্থে  ভিন্ন কোন এজন্সিকে দিয়ে তদন্তের দাবী করেছে মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন বিএইচআরএফ।যথাযথ কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংস্থাটির চেয়ারপারসন এডভোকেট এলিনা খান ও মহাসচিব এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান প্রদত্ত সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশার্থে এক যুক্ত বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে মানবাধিকার নেতৃদ্বয় বলেন, সমস্থ প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায়  অভিযুক্ত পাঁচলাইশ পুলিশ  কতৃক শান্তিপূর্ন মানবিক প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন কালে ডায়ালাসিস রোগী বিধবা নাসরিন আক্তার ও তার একমাত্র পুত্র মোহাম্মদ মোস্তাকিম কে হয়রানি, শারীরিক আক্রমণ ও মোস্তাকিমকে গ্রেফ্তার ও রিমান্ডের আবেদন সহ পাঁচলাইশ  পুলিশের প্রতিটি অতিউৎসাহী ভূমিকা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার এর প্রমান পাওয়া গেছে।
এহেন পরিস্থিতিতে উক্ত মামলাটি ওসি পাঁচলাইশ এর অধীনে সঠিক তদন্ত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বিধায় মামলাটি মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সিআইডি, ডিবি,পিবিআই, RAB অথবা অন্য যে কোন তদন্ত সংস্থা দ্বারা তদন্তের নির্দেশ দেয়া প্রয়োজন। নইলে মুস্তাকিম  সহ  আরো ৫০/৬০ জন অজ্ঞাত কিডনী রোগী ও রোগীর স্বজনরা ন্যায় বিচার বঞ্চিত হওয়ার আশংকা বিদ্যমান। যেহেতু মামলার বাদী পুলিশ,তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ও স্বাক্ষী পুলিশ এবং তারা সবাই পাঁচলাইশ থানার ওসির অধীনে কর্মরত সেহেতু মামলা টির তদন্তভার উক্ত থানা থেকে তুলে নিয়ে  অন্য যেকোন এজেন্সি কে অর্পণ করা বাঞ্ছনীয়। বিবৃতি দাতারা এঘটনায় মিডিয়া কর্মীদের  মানবিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন।