প্রেস বিজ্ঞপ্তি: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন ও ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ ১০ দফা দাবী আদায়ের ২৭ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপির কেন্দ্রীয় শ্রমিক সম্পাদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ. এম নাজিম উদ্দিন বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের কথা বলে ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে গণহত্যা করছে। তাদের সাথে কোন মুক্তিযোদ্ধা নেই, আছে শুধু চুক্তিযোদ্ধা। ফলে বিজয়ের মাসেও মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর নির্যাতন ও হামলা করা হচ্ছে। এটি তাদের চিরাচরিত নিয়ম হয়ে পড়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর মানুষের অধিকার যেভাবে কেড়ে নিয়েছে বাকশাল কায়েম করে তারই অনুকূলে মা বোনদের ইজ্জত লুটে নিয়েছে, ব্যাংক ডাকাতি করেছে, দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হয়েছে, কলাপাতা দিয়ে দাফন করেছে। বর্তমানেও গুম, খুন করে মানুষকে হত্যা, নির্যাতন করে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করেছে।

তিনি বলেন, দেশে একের পর এক সরকারি লুটতন্ত্রের কারণে দেশের বিভিন্ন সেক্টরে যেমন, তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষ অস্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। শ্রমজীবী মানুষেরা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে দুঃখ দুর্দশাকে সাথে দিন যাপন করছে। এরই মধ্যে সরকার দফায় দফায় বিদ্যুতের দামসহ বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। এই অগণতান্ত্রিক সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য বেগম খালেদা জিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল সালাম, শিল্প উদ্যোক্তা লায়ন আসলাম চৌধুরী (এফ.সি.এ), রুহুল কবির রিজভী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী সহ অসংখ্য কারাবন্দীদের বের করে আনার জন্য শ্রমিক জনতার দুর্বার বিপ্লবী গণ আন্দোলনের বিকল্প নাই।

উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সহসভাপতি দক্ষিণ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, কক্সবাজার জেলার সভাপতি রফিকুল ইসলাম, ফেনী জেলার সভাপতি হুমায়ুন চৌধুরী, বান্দরবান জেলার সভাপতি আলহাজ্ব মো. আব্দুল শুক্কুর, শাহানেওয়াজ চৌধুরী, সি: যুগ্ম সম্পাদক এম এ বাতেন, গাজী আয়ুব আলী, আনোয়ারুল আজিম সবুজ, সহ-সম্পাদক ইবরাহিম ফরাজী, আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান মজুমদার, মো. আলী, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, আইন সম্পাদক এডভোকেট ইকবাল হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান বিপ্লব, বিভাগীয় শ্রমিকদলের উপদেষ্টা মো. আলতাব, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জান্নাতুল নাঈমা ফেরদৌস বিথি, সিনিয়র সদস্য ডা. মহসীন তরু, কাজী আবসার, মো. সিরাজ, আবুল কামাল আজাদ, অপু সিং, মো. বাহার মিয়া, পাহাড়তলী থানা শ্রমিক দলের সভাপতি জাকির হোসেন মিন্টু, বান্দরবান পৌরসভা সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, ডবলমুরিং থানা সভাপতি আবদুল হান্নান, আকবর শাহ থানা সভাপতি মনির, সাধারণ সম্পাদক সুজন, পাহাড়তলী থানা সাধারণ সম্পাদক আকবর, চট্টগ্রাম ওয়াসার মো. মানিক, বন্দর শ্রমিক নেতা মো. আবদুর রউফ প্রমুখসহ বিভিন্ন থানা ও বেসিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা মিছিল সহকারে গণঅবস্থানে যোগদান করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন ও ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তিসহ ১০ দফা দাবী আদায়ের ২৭ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিএনপির কেন্দ্রীয় শ্রমিক সম্পাদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ. এম নাজিম উদ্দিন বক্তব্যে বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের কথা বলে ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে গণহত্যা করছে। তাদের সাথে কোন মুক্তিযোদ্ধা নেই, আছে শুধু চুক্তিযোদ্ধা। ফলে বিজয়ের মাসেও মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর নির্যাতন ও হামলা করা হচ্ছে। এটি তাদের চিরাচরিত নিয়ম হয়ে পড়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর মানুষের অধিকার যেভাবে কেড়ে নিয়েছে বাকশাল কায়েম করে তারই অনুকূলে মা বোনদের ইজ্জত লুটে নিয়েছে, ব্যাংক ডাকাতি করেছে, দেশে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হয়েছে, কলাপাতা দিয়ে দাফন করেছে। বর্তমানেও গুম, খুন করে মানুষকে হত্যা, নির্যাতন করে গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়ে আইনের শাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করেছে।

তিনি বলেন, দেশে একের পর এক সরকারি লুটতন্ত্রের কারণে দেশের বিভিন্ন সেক্টরে যেমন, তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষ অস্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। শ্রমজীবী মানুষেরা তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে দুঃখ দুর্দশাকে সাথে দিন যাপন করছে। এরই মধ্যে সরকার দফায় দফায় বিদ্যুতের দামসহ বিভিন্ন দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। এই অগণতান্ত্রিক সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষার জন্য বেগম খালেদা জিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল সালাম, শিল্প উদ্যোক্তা লায়ন আসলাম চৌধুরী (এফ.সি.এ), রুহুল কবির রিজভী, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী সহ অসংখ্য কারাবন্দীদের বের করে আনার জন্য শ্রমিক জনতার দুর্বার বিপ্লবী গণ আন্দোলনের বিকল্প নাই।

উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সহসভাপতি দক্ষিণ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, কক্সবাজার জেলার সভাপতি রফিকুল ইসলাম, ফেনী জেলার সভাপতি হুমায়ুন চৌধুরী, বান্দরবান জেলার সভাপতি আলহাজ্ব মো. আব্দুল শুক্কুর, শাহানেওয়াজ চৌধুরী, সি: যুগ্ম সম্পাদক এম এ বাতেন, গাজী আয়ুব আলী, আনোয়ারুল আজিম সবুজ, সহ-সম্পাদক ইবরাহিম ফরাজী, আবুল কালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান মজুমদার, মো. আলী, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, আইন সম্পাদক এডভোকেট ইকবাল হোসেন, যুব বিষয়ক সম্পাদক হাসিবুর রহমান বিপ্লব, বিভাগীয় শ্রমিকদলের উপদেষ্টা মো. আলতাব, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জান্নাতুল নাঈমা ফেরদৌস বিথি, সিনিয়র সদস্য ডা. মহসীন তরু, কাজী আবসার, মো. সিরাজ, আবুল কামাল আজাদ, অপু সিং, মো. বাহার মিয়া, পাহাড়তলী থানা শ্রমিক দলের সভাপতি জাকির হোসেন মিন্টু, বান্দরবান পৌরসভা সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের, ডবলমুরিং থানা সভাপতি আবদুল হান্নান, আকবর শাহ থানা সভাপতি মনির, সাধারণ সম্পাদক সুজন, পাহাড়তলী থানা সাধারণ সম্পাদক আকবর, চট্টগ্রাম ওয়াসার মো. মানিক, বন্দর শ্রমিক নেতা মো. আবদুর রউফ প্রমুখসহ বিভিন্ন থানা ও বেসিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দরা মিছিল সহকারে গণঅবস্থানে যোগদান করেন।