প্রেস বিজ্ঞপ্তি: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং নিউক্লিয়াস ও স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের কীর্তিমান সংগঠক ও রাউজান থানা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং যুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনী প্রধান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, রাউজানে সমবায় আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান-এর ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাউজানের ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ‘ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক গণপাঠাগার’-এর উদ্যোগে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়

এছাড়া, তাঁর পরিবারের উদ্যোগে স্থানীয় মো. তকি সিকদার সার্বজনীন জামে মসজিদে খতমে কোরআন এবং মোনাজাতের আয়োজনসহ আমরা করবো জয়-এর উদ্যোগে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

পুষ্পস্তবক অর্পণকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. তৈয়ব উদ্দিন, মো. তকি সিকদার সার্বজনীন জামে মসজিদ ও কবরস্থান পরিচালনা কমিটির সভাপতি সমাজসেবী মোহাম্মদ ইউসুফ, সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মফিজ, সমাজসেবী মো. সেলিম সিকদার, মো. মনির আহমদ, মো. আলমগীর, মো. নাজির হোসেন সিকদার, মফিজ সিকদার, যুবলীগ নেতা মো. আরিফুল ইসলাম, ইউনাইটেড সিকিউরিটিজ-এর এজিএম এন্ড ব্রাঞ্চ অপারেশন শওকত নাজিম, আইন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কামরুল মিন্টু, তরুণ সমাজসেবক শওকত হাসান, মো. মাসুদ হোসেন, নোমান তালুকী, পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা শওকত জালাল, উন্নয়নকর্মী শওকত হাফেজ, মৌলানা হোসাইন আহম্মদ তাফসীর, মো. হারুন, মো. মুসা, মো. সুলতান, মো. নাঈম উদ্দিন, হাফেজ জুবায়ের প্রমুখ। কবর জেয়ারত শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন উপাধ্যক্ষ মৌলানা মো. ইউসুফ নুরী।

উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান ১৯৩২ সালের ১৭ জুলাই রাউজানে এক সম্ভ্রান্ত ও বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্বীয় থানায় শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা পালনকারী, শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হকের ঋণ সালিশি বোর্ডের সদস্য, চট্টগ্রাম আদালতের জুরার এবং রাউজান শিক্ষক সমিতির আমৃত্যু সভাপতি, উত্তর চট্টগ্রামের ‘শিক্ষকরবি’ খ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক ও মুসলিম মনীষা হযরত আলহাজ¦ ওছমান আলী মাস্টার (রহ.) প্রকাশ-‘বড় মাস্টার’ এর সুযোগ্য প্রথম পুত্র।

তিনি ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগ আন্দোলন, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৮ সালে শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচন ও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁদের বাড়ি মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম প্রধান ‘শেল্টার হাউস’ ছিলো।

আমৃত্যু অসাম্প্রদায়িক ও দুর্বার সাহসী ফজলুল হক দীর্ঘদিন অত্যন্ত সুনামের সাথে ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং রাউজান চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ছিলেন। জনাব হক গহিরা শান্তির দ্বীপ কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতিরও দীর্ঘসময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৭ সালের ৭ জানুয়ারি নিজ গ্রামের নিজ বাসভূমে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর এবং নিউক্লিয়াস ও স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের কীর্তিমান সংগঠক ও রাউজান থানা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং যুদ্ধকালীন মুজিব বাহিনী প্রধান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, রাউজানে সমবায় আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান-এর ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাউজানের ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ‘ বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক গণপাঠাগার’-এর উদ্যোগে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়

এছাড়া, তাঁর পরিবারের উদ্যোগে স্থানীয় মো. তকি সিকদার সার্বজনীন জামে মসজিদে খতমে কোরআন এবং মোনাজাতের আয়োজনসহ আমরা করবো জয়-এর উদ্যোগে বছরব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

পুষ্পস্তবক অর্পণকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মো. তৈয়ব উদ্দিন, মো. তকি সিকদার সার্বজনীন জামে মসজিদ ও কবরস্থান পরিচালনা কমিটির সভাপতি সমাজসেবী মোহাম্মদ ইউসুফ, সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মফিজ, সমাজসেবী মো. সেলিম সিকদার, মো. মনির আহমদ, মো. আলমগীর, মো. নাজির হোসেন সিকদার, মফিজ সিকদার, যুবলীগ নেতা মো. আরিফুল ইসলাম, ইউনাইটেড সিকিউরিটিজ-এর এজিএম এন্ড ব্রাঞ্চ অপারেশন শওকত নাজিম, আইন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা কামরুল মিন্টু, তরুণ সমাজসেবক শওকত হাসান, মো. মাসুদ হোসেন, নোমান তালুকী, পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা শওকত জালাল, উন্নয়নকর্মী শওকত হাফেজ, মৌলানা হোসাইন আহম্মদ তাফসীর, মো. হারুন, মো. মুসা, মো. সুলতান, মো. নাঈম উদ্দিন, হাফেজ জুবায়ের প্রমুখ। কবর জেয়ারত শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন উপাধ্যক্ষ মৌলানা মো. ইউসুফ নুরী।

উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান ১৯৩২ সালের ১৭ জুলাই রাউজানে এক সম্ভ্রান্ত ও বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্বীয় থানায় শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা পালনকারী, শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হকের ঋণ সালিশি বোর্ডের সদস্য, চট্টগ্রাম আদালতের জুরার এবং রাউজান শিক্ষক সমিতির আমৃত্যু সভাপতি, উত্তর চট্টগ্রামের ‘শিক্ষকরবি’ খ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক ও মুসলিম মনীষা হযরত আলহাজ¦ ওছমান আলী মাস্টার (রহ.) প্রকাশ-‘বড় মাস্টার’ এর সুযোগ্য প্রথম পুত্র।

তিনি ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগ আন্দোলন, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৮ সালে শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচন ও ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন তাঁদের বাড়ি মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম প্রধান ‘শেল্টার হাউস’ ছিলো।

আমৃত্যু অসাম্প্রদায়িক ও দুর্বার সাহসী ফজলুল হক দীর্ঘদিন অত্যন্ত সুনামের সাথে ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং রাউজান চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি ছিলেন। জনাব হক গহিরা শান্তির দ্বীপ কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতিরও দীর্ঘসময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮৭ সালের ৭ জানুয়ারি নিজ গ্রামের নিজ বাসভূমে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।