প্রেস বিজ্ঞপ্তি: অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গীবাদের ঠাঁই হবে না বলে মন্তব্য করেছেন এম. এ. লতিফ এমপি। এম. এ. লতিফ এমপি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত নারী সংগঠন ‘স্বাধীনতা নারী শক্তি’র উদ্যোগে আয়োজিত কর্ণফুলী মোহনায় আজ শনিবার (১০ ডিসেম্বর)সকালে এক বিক্ষোভ সমাবেশে দশ সহস্রাধিক নারী সদস্যের উপস্থিতিতে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। Extremist Pakistan? // Fundamentalist Afghanistan ? // Or Secular Bangladesh? // You Choose ব্যানার এবং মুহুর্মুহু শ্লোগানে প্রকম্পিত হয় সমাবেশ এলাকা।
বিক্ষোভ সমাবেশে এম. এ. লতিফ এমপি বলেন-জাতি যখন বঙ্গবন্ধুর কন্যার নেতৃত্বে উন্নত দেশের কাতারে যাওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে তখন বিএনপি-জামাত ও জঙ্গীবাদী গোষ্ঠি এবং বিদেশি স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির মদদে দেশের স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতিকে নস্যাৎ করার পাঁয়তারায় লিপ্ত হয়েছে। দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে ২০১৩ সালের মত আবারও নৈরাজ্য ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার চেষ্টা করছে। তাদের এটা জানা উচিত বাঙালি জাতি অনেক প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে এবং লক্ষ লক্ষ বীর শহীদের বিনিময়ে এদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে যেভাবে পাক হানাদারদের রুখে দিয়ে বাঙালিরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছে সেইভাবে জঙ্গীবাদ ও মৌলবাদী গোষ্ঠিকে রুখে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাবে।
তিনি আরো বলেন-ষড়যন্ত্রকারীরা স্বাধীনতার মূল আদর্শ ও উন্নয়নের ধারা থেকে আমাদেরকে সরাতে চায় যা এদেশের মানুষ মেনে নিবে না এবং জনগণই তাদের এই অপপ্রয়াস রুখে দিবে। দেশকে পাকিস্তানের মত সন্ত্রাসী এবং ব্যর্থ রাষ্ট্র বানাতে দিবে না এদেশের মানুষ। যারা মানবাধিকারের লঙ্ঘনের ছবক দেয় তারাই মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, মহানগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এনামুল হক চৌধুরী, ৪১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সহ-সভাপতি ওয়াহিদুল আলম, আওয়ামী সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আলমগীর হাসান, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লুৎফুল আহসান শাহ, ৩৬ নং ওয়ার্ড ইউনিট আওয়ামী লীগ সভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা নেছার মিয়া আজিজ, ওয়ার্ড সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিউর রহমান টিপু, মোঃ জুয়েল, মহানগর যুবলীগ নেতা সালাউদ্দিন বাবর, মোঃ তানভীর, স্বাধীনতা নারী শক্তির পরিচালক, সহকরী পরিচালক, ইউনিট নেত্রী ও সদস্যসহ কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




