প্রেস বিজ্ঞপ্তি: চট্টগ্রাম ঠেলাগাড়ি ভ্যানগাড়ি চালক লোডিং আর লোডিং সাধারণ শ্রমিক ইউনিয়ন এর উদ্যোগে শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়ক শাখা কমিটি গঠন কল্পে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন করোনা মহামারির পর থেকে সরকার কর্তৃক তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস মূল্য বৃদ্ধির কারণে সব দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি হয়েছে। যার কারণে দেশের নির্মাণ সামগ্রী রড, সিমেন্ট এর অধিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে আজকে এই সেক্টরের কাজ বন্ধের উপক্রম হয়েছে। তার সাথে সাথে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা যারা খেটে খাওয়া দিন মজুর আমাদের কর্ম কমেছে কিন্তু মজুরি বৃদ্ধি হয়নি। যার ফলে অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করছে খেটে খাওয়া শ্রমিকরা। দেশ আজ দুর্ভিক্ষের শিকারে পরিণত হয়েছে। তাই লোডিং আনলোডিং শ্রমিকদের কাজের মূল্য বৃদ্ধি করা ঠেলাগাড়ি ভ্যানগাড়ি শ্রমিকদের ভাড়া বৃদ্ধির জোর দাবি জানাচ্ছি। দেশে আজ ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানব অধিকার বলতে কিছুই নেই।

আজকে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস যাচ্ছে। আমরা যারা খেটে খাওয়া শ্রমিক, আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তাই সকল শ্রমিকদের সংগঠনের সদস্য হয়ে পরিচয় পত্র সংগ্রহ করে নিজেদের নিরাপত্তা বিধান করার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে উদ্ধাত্ত আহ্বান জানান।

মোহাম্মদ মুকুল মাঝির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মো. বাবুল মাঝি, মাঈনুদ্দীন মাঝি, ফিরোজ মাঝি, মো. রিয়াজ মাঝি, আবু তাহের, মো. রুবেল, মো. আল আমিন, নুর আলম, রুহুল আমিন, মো. মনির, মো. শিপন, মো. লিটন, মো. জুয়েল, মো. সোহাগ, মো. নাজিম প্রমুখ।

বক্তাদের সর্বসম্মতিক্রমে একমত পোষণ করে বলেন, সংগঠনের সদস্য হয়ে এলাকায় শ্রমিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে পরিচয় পত্র সংগ্রহ করে একটি কমিটি গঠন করা অতি জরুরি। বর্তমানে দেশে যে দুরবস্থা অদূর ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলে আশংকা বোধা করেন। দেশের যে লুটপাট সরকারের লোকেরা করে এসব আমাদের মতো খেটে খাওয়া শ্রমিকদের উপর বর্তায়। যার কারণে আজ দুর্ভিক্ষের প্লাবন ধাবিত হচ্ছে আমাদের দিকে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: চট্টগ্রাম ঠেলাগাড়ি ভ্যানগাড়ি চালক লোডিং আর লোডিং সাধারণ শ্রমিক ইউনিয়ন এর উদ্যোগে শাহ আমানত সেতু সংযোগ সড়ক শাখা কমিটি গঠন কল্পে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি, চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন করোনা মহামারির পর থেকে সরকার কর্তৃক তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস মূল্য বৃদ্ধির কারণে সব দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি হয়েছে। যার কারণে দেশের নির্মাণ সামগ্রী রড, সিমেন্ট এর অধিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে আজকে এই সেক্টরের কাজ বন্ধের উপক্রম হয়েছে। তার সাথে সাথে সবকিছুর দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা যারা খেটে খাওয়া দিন মজুর আমাদের কর্ম কমেছে কিন্তু মজুরি বৃদ্ধি হয়নি। যার ফলে অনাহারে অর্ধাহারে দিন যাপন করছে খেটে খাওয়া শ্রমিকরা। দেশ আজ দুর্ভিক্ষের শিকারে পরিণত হয়েছে। তাই লোডিং আনলোডিং শ্রমিকদের কাজের মূল্য বৃদ্ধি করা ঠেলাগাড়ি ভ্যানগাড়ি শ্রমিকদের ভাড়া বৃদ্ধির জোর দাবি জানাচ্ছি। দেশে আজ ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানব অধিকার বলতে কিছুই নেই।

আজকে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস যাচ্ছে। আমরা যারা খেটে খাওয়া শ্রমিক, আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তাই সকল শ্রমিকদের সংগঠনের সদস্য হয়ে পরিচয় পত্র সংগ্রহ করে নিজেদের নিরাপত্তা বিধান করার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে উদ্ধাত্ত আহ্বান জানান।

মোহাম্মদ মুকুল মাঝির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মো. বাবুল মাঝি, মাঈনুদ্দীন মাঝি, ফিরোজ মাঝি, মো. রিয়াজ মাঝি, আবু তাহের, মো. রুবেল, মো. আল আমিন, নুর আলম, রুহুল আমিন, মো. মনির, মো. শিপন, মো. লিটন, মো. জুয়েল, মো. সোহাগ, মো. নাজিম প্রমুখ।

বক্তাদের সর্বসম্মতিক্রমে একমত পোষণ করে বলেন, সংগঠনের সদস্য হয়ে এলাকায় শ্রমিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে পরিচয় পত্র সংগ্রহ করে একটি কমিটি গঠন করা অতি জরুরি। বর্তমানে দেশে যে দুরবস্থা অদূর ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে বলে আশংকা বোধা করেন। দেশের যে লুটপাট সরকারের লোকেরা করে এসব আমাদের মতো খেটে খাওয়া শ্রমিকদের উপর বর্তায়। যার কারণে আজ দুর্ভিক্ষের প্লাবন ধাবিত হচ্ছে আমাদের দিকে।