প্রেস বিজ্ঞপ্তি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংকৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা গতকাল সকাল ১১ ঘটিকার সময় সংগঠনের সহ সভাপতি সাবেক ভিপি এস এম সাইফুল আলমের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী যুবদল চট্টগ্রাম মহানগরে সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল হাসান, জাতীয়তাবাদী সাংকৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের সহ-সভাপতি হাফিজুল ইসলাম মজুমদার মিলন, সাংকৃতিক দল চট্টগ্রাম মহানগরের প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা মো. আবদুল হালিম, বিএনপি নেতা মো. আবু, তাতী দল কোতোয়ালী থানার সভাপতি রমজান আলী মুরাদ, শ্রমিক নেতা দেলোয়ার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতি সাবেক ভিপি সাইফুল আলম তার বক্তব্যে বলেন, আগামী ১২ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করার জন্য চট্টলাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জানান এই সমাবেশ জনগণের গণতান্ত্রিক দাবী, নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার, দেশের মানুষ বেঁচে থাকার সংগ্রাম- এই সমাবেশ সফল করা সকল দেশপ্রেমিক জনতার ইমানী দায়িত্ব। কারণ সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে কুইক রেন্ডেল নাম দিয়ে দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করে নিয়ে গেছে। উন্নয়নের কথা বলে জনগণকে ধোকা দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। আজকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলে ইতিমধ্যে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে কয়েক দফায়। কিন্তু দেশ আজ অন্ধকারে নিমজ্জিত। পানির মূল্য বৃদ্ধি করে মানুষের পকেটের টাকা নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরিমাণমত পানির অভাবে ভুগছে সাধারণ জনগণ। সরকার হোল্ডিং ট্যাক্স বাড়ানো হবে না বলে আশ্বাস দিচ্ছে ঠিকই; কিন্তু সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে কয়েকগুণ বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ট্যাক্স আদায় করে নিচ্ছে। সেক্ষেত্রে নগরবাসী হয়রানীর শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই দুর্ভোগ থেকে বাঁচতে হলে গণতন্ত্র মুক্তির বিকল্প নেই। তাই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে যে গণ আন্দোলনের সূচনা শুরু হয়েছে তার মধ্য দিয়ে সকল দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশে জনগণের প্রতিনিধি না থাকায় গণতন্ত্র বন্দি নির্বাসিত। গণতন্ত্র মুক্তি ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবীতে চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলন বেগবান করে তুলতে হবে। তাই দেশকে দুর্ভিক্ষের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে আগামী ১২ অক্টোবর চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশকে সফল করতে হবে। এই সমাবেশের মাধ্যমে অবৈধ অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে গুম, খুন, দুর্নীতি, দুর্ভিক্ষের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করা দেশপ্রেমিক জনতার ইমানী দায়িত্ব। অবিলম্বে অবৈধ সরকারের পদত্যাগ চাই, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে নির্বাচন চাই। ইবিএমকে লাথি মারো, ব্যালটের মাধ্যমে ভোট প্রতিষ্ঠা করো।
যুব নেতা কামরুল হাসান বলেন, দেশে গণতন্ত্র মুক্তির আন্দোলনে জনগণের পাশে যখন বিএনপির নেতৃত্বে দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে জনগণের পাশে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অঙ্গ সংগঠনের কর্মীরা যখন রাজপথে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ঠিক তখনই পাখির মতো নির্বিচারে গুলি করে মানুষ হত্যা করছে সরকার। এই বুলেটের বিরুদ্ধে ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দিবে জনগণ।




