প্রেস বিজ্ঞপ্তি: মেরিন একাডেমির প্রাক্তন কমান্ড্যান্ট ক্যাপ্টেন এম জাকারিয়া বলেন, বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ পণ্য পরিবহণ সমুদ্র পথেই হয়ে থাকে। আর আমাদের বঙ্গোপসাগর এজন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক জায়গা। তাই, বিশ্ব অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে মেরিন ক্যাডেটদের ভূমিকা অপরিসীম। জীবন ধারণের জন্য খাদ্য, জীবন রক্ষাকারী ঔষধসহ শিল্পায়নের যন্ত্রপাতির মতো প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর পরিবহন বিঘ্নিত হলে গোটা বিশ্বই স্থবির হবে। এ সময়বৈশ্বিক মহামারির কারণে বহু সংখ্যক মেরিন অফিসার ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সমুদ্রে আটকা পড়লেও মানসিকভাবে ভেঙ্গে না পড়ে যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির ব্যক্তব্যে মেরিন ইঞ্জি. ক্যাপ্টেন আজিজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিকে এমনভাবে মেরিনার তৈরির ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে তারা উচ্চ প্রযুক্তির সমুদ্র জাহাজ পরিচালনা করতে পারেন। যেখানে আমাদের ছেলে-মেয়েরা কেবল প্রশিক্ষিতই হবে না, দেশে-বিদেশে তাদের ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে এবং বেকার সমস্যা দূর হবে।
অনুষ্টানে এক্সেলরেট এনার্জির কান্ট্রি ম্যানেজার হাবিব ভূঁইয়া (প্রাক্তন এমডি, বিএসসি) বলেন, এক্সেলরেট এনার্জি নেতৃস্থানীয় ভাসমান এলএনজি সমাধান উদ্ভাবক এবং প্রদানকারী হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছে। বাজারের গতিশীলতা এবং গ্রাহকদের শক্তির চাহিদা পরিবর্তিত হওয়ায়, কোম্পানি নমনীয়, সমন্বিত পরিষেবা প্রদানের জন্য সমস্যা সমাধানের দক্ষতা নিয়ে এসেছে।
এই কোম্পানি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন পরিবেশে বর্তমান বাজারে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সমাধান প্রদানের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। এক্সেলরেট এনার্জি বিশ্ব পরিচ্ছন্ন, সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য শক্তি অ্যাক্সেস করার উপায় পরিবর্তন করছে।
অনুষ্টানে অনান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মেরিন ইঞ্জি. সিএফ জামান, ক্যাপ্টেন এম হেলাল উদ্দিন, ক্যাপ্টেন শফিক ভুঁইয়াসহ প্রায় ২০০ এর অধিক প্রাক্তন-ক্যাডেটরা মূল্যবান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য বিশ্ব সংস্থার সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন নৌপরিবহন অধিদপ্তরসহ নৌপরিবহনের সাথে সংযুক্ত প্রতিষ্টানগুলো প্রতিবছর পালন করে আসছে দিবসটি। মূলত বিশ্ব অর্থনীতিতে বিশেষ করে নৌ খাতের অবদানকে ফোকাস করার জন্য বিশ্ব নৌ সংস্থা এবং এর সদস্য রাষ্ট্রগুলো প্রতিবছর বিশ্ব নৌ দিবস পালন করে থাকে।
সর্বশেষ ক্যাডেটরা সম্মানিত ক্যাপ্টেনদের উদ্দেশ্যে গার্ড অফ অনার প্রদান করেন।




