ঢাকা ব্যুরো: রাজধানীর লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতেই দফায় দফায় মারামারি করেছেন নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে বিব্রত কেন্দ্রীয় নেতারা। পরে তারাও একে অপরের সঙ্গে পরোক্ষভাবে তর্কে জড়ান। পুরো সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে তা নিয়ন্ত্রণে বার বার পুলিশকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর লালবাগের নবাবগঞ্জ পার্কে এসব ঘটনা ঘটে।
ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিকের সমর্থকরা একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান। এ সময় কেন্দ্রীয় নেতারা মাইকে বার বার বললেও থামেনি বিশৃঙ্খলা।
বক্তৃতা দিতে উঠে বিশৃঙ্খলা দেখে হুঁশিয়ারী দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘লাফালাফি, বাড়াবাড়ি করবেন না। নির্বাচনের ১৪ মাস বাকি, অথচ শোডাউন দিয়ে শক্তি প্রদর্শন শুরু করেছেন। আপনারা কেউ এমপি হতে পারবেন না, নেতা হতে পারবেন না।’
সম্মেলন হওয়া নিয়ে শঙ্কা ছিল, জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা আজম আমাকে বলেছে, আজকে মিটিং হবে না। আমি বলেছি, ওই মাঠে যাব এবং বক্তৃতা করব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলে এসেছি, ক্যাম্পাসে যারা বিশৃঙ্খলা করবে, ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার ক্ষতি করবে, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করবে, শেখ হাসিনা তাদের রেহাই দেবেন না।’
সম্মেলনে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আইন সম্পাদক নাজিবুল্লাহ হিরু, কার্যনির্বাহী সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।




