দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রামের “অতি পরিচিত” নেতাদের পাশ কাটিয়ে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এটিএম পেয়ারুল ইসলাম। সভায় চট্টগ্রামসহ আরও ৬০ জেলা পরিষদের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।আজ শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা গেছে, এটি এম পেয়ারুল ইসলাম ছাড়াও দল থেকে আরো অতি পরিচিত ১৬ নেতা দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন। সেই ১৬ জনকে পিছনে ফেলে পেয়ারুল পেয়েছেন নৌকার মনোনয়ন।

দল থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সালাম, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা মঞ্চের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুছ, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের সাবেক মহাসচিব আবুল হাশেম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্যাপক মো. মাঈনুদ্দিন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ইদ্রিস, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি লায়ন শামসুল হক, রূপালী ব্যাংকের পরিচালক ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবু সুফিয়ান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদে এবং উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মো. ওসমান গণি চৌধুরী।

নির্বাচন কমিশন গত ২৩ আগস্ট জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর। ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। ২৫ সেপ্টেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ হবে ১৭ অক্টোবর।এর আগে ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগে সভাপতি এম এ সালাম।

দি ক্রাইম ডেস্ক: চট্টগ্রামের “অতি পরিচিত” নেতাদের পাশ কাটিয়ে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এটিএম পেয়ারুল ইসলাম। সভায় চট্টগ্রামসহ আরও ৬০ জেলা পরিষদের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়।আজ শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) গণভবনে আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

জানা গেছে, এটি এম পেয়ারুল ইসলাম ছাড়াও দল থেকে আরো অতি পরিচিত ১৬ নেতা দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন। সেই ১৬ জনকে পিছনে ফেলে পেয়ারুল পেয়েছেন নৌকার মনোনয়ন।

দল থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সালাম, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা মঞ্চের মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইউনুছ, মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা পরিষদের সাবেক মহাসচিব আবুল হাশেম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম এহেছানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্যাপক মো. মাঈনুদ্দিন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ইদ্রিস, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি লায়ন শামসুল হক, রূপালী ব্যাংকের পরিচালক ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবু সুফিয়ান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা আবু সাঈদ, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুর রশিদে এবং উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা মো. ওসমান গণি চৌধুরী।

নির্বাচন কমিশন গত ২৩ আগস্ট জেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ১৯ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর। ২২ থেকে ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। ২৫ সেপ্টেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময়। ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ হবে ১৭ অক্টোবর।এর আগে ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগে সভাপতি এম এ সালাম।