প্রেস বিজ্ঞপ্তি: চট্টগ্রাম-১১ আসনের সংসদ সদস্য এম. এ. লতিফ’র উদ্যোগে বিএনপি-জামাত চক্রের ষড়যন্ত্রের হাত থেকে জনগণের জানমাল রক্ষায় তার নির্বাচনী এলাকার ৭টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানগুলোতে চট্টগ্রাম-১১ আসনের আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ’র নেতাকর্মীরা অবস্থান করে সর্বস্তরের জনগণের জানমাল রক্ষায় সহযোগিতা করবেন। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড়, ইপিজেড, সল্টগোলা ক্রসিং এর কার্যক্রম ৫ সেপ্টেম্বর এবং বন্দর ভবন, সিমেন্ট ক্রসিং, ষ্টিলমিল বাজার, কাটগড় মোড়ে কার্যক্রম আগামীকাল থেকে শুরু হবে। প্রয়োজনে অবস্থান কর্মসূচির পরিধি আরো বৃদ্ধি হতে পারে।
অবস্থান কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এম. এ. লতিফ এমপি বলেন, বিএনপি খেলার কথা বলছে আমি তাদের প্রশ্ন করি এটা কোন খেলা-গণতন্ত্র ধ্বংস করে সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার খেলা ? দেশ ও জনস্বার্থে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সব ধরনের খেলা খেলতে ও দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। বঙ্গবন্ধু কন্যা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলে আপনাদের মিছিল মিটিং করার অনুমতি দিয়েছে। আপনারা গণতন্ত্রের মানসকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতার সুযোগ নিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করার ষড়যন্ত্রের খেলা আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকেরা রাজপথে রুখে দিব।
তিনি বলেন-৭৫ এর ১৫ আগষ্টে জাতির জনক ও তাঁর পরিবারের হত্যাকান্ডের সাথে জিয়া এবং তারই ধারাবাহিকতায় শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় খালেদা জিয়া ও তার কুলাঙ্গার পুত্র তারেক জিয়া জড়িত ছিলো। তিনি জিয়াকে বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সুবিধা ভোগীদের মধ্যে অন্যতম উল্লেখ করে খালেদা জিয়া ও তারেক’র দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের দেশ ও জনগণের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ মোড়সমূহে অবস্থান কর্মসূচি পালনে পালাক্রমে অবস্থান করতে আহবান জানান।
এ সময় এম. এ. লতিফ এমপি’র সাথে উপস্থিত ছিলেন-চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুল হক মিয়া, ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, আলহাজ্ব জিয়াউল হক সুমন, সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আসলাম, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সভাপতি আজিজ মোল্লা, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ’র সাধারণ সম্পাদক আকবার হোসেন কবি, আইন বিষয়ক সম্পাদক জাহিদুল আলম মিন্টু, ওয়ার্ড যুবলীগ’র সভাপতি মোঃ আবছার উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাহীন সরোয়ার, আহমেদ আব্দুর রহিম চৌধুরী, মোঃ আকতারুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিউর রহমান টিপু, লবণ শ্রমিক লীগ সভাপতি আব্দুল মতিন মাষ্টার, ডক শ্রমিক লীগ নেতা মোঃ ইমাম হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা ফরিদ আহমদ কন্ট্রাক্টর, মঞ্জুর কাদের, ইসহাক মেম্বার, গোলাম মোহাম্মদ মুন্সি, জাহেদ আলী, আনোয়ার আলী, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মুস্তাকিম আহমদ গুড্ডু, এস. এম. পারভেজ, মামুনুজ্জামান, যুবলীগ নেতা মোঃ আকতার হোসেন, হাসান উদ্দিন সোহেল, ইমতিয়াজ সুমন, নুর উদ্দিন মারুফ, মোঃ মনির, মোঃ জুয়েল, মোঃ টিপু ও মোঃ রানা, ছাত্রলীগ নেতা মোঃ আরিফ, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ, স্বাধীনতা নারী শক্তি’র পরিচালক অধ্যাপিকা বিবি মরিয়ম-সহ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।




