ঢাকা ব্যুরো: বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্যতম উৎস হিসেবে বায়ুর আকার দিনে দিনে আরও বড় হবে। উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের ৯টি স্থানে বায়ু বিদ্যুতের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্য বায়ু প্রবাহের তথ্য উপাত্ত (ডাটা) সংগ্রহ করে Wind Mapping কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিক উপযুক্ততা যাচাই করে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। আজ রবিবার ০৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনের মুক্তি হলে অনুষ্ঠিত মংলায় ৫৫ মেগাওয়াট বায়ু ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এমপি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে যদিও বায়ু থেকে মাত্র ২৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, ৩টি প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ চলমান, ৫ টি প্রকল্পের অধীনে আরও ২৩০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ প্রক্রিয়াধীন, তবুও বায়ু ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আকার আরও বড় হবে। আজকে বাগেরহাটের মংলায় স্থাপিত হতে যাওয়া ৫৫ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেল। পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি এধরনের প্রকল্প বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতেও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।

আমেরিকার ন্যাশনাল রিনিউএ্যবল এনার্জি ল্যাবরেটরি (NREL) প্রদত্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা বিশেষত খুলনার দাকোপ, চট্টগ্রামের আনোয়ারা এবং চাঁদপুরের নদী মোহনার এলাকা সমূহে ১০০ মিটার উচ্চতায় বাতাসের গড়বেগ ৬ মিঃ/সেঃ এর বেশী যা বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।
চুক্তিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে বোর্ডের সচিব গোলাম রাব্বানী ও মংলা গ্রীন পাওয়ার লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝু ওয়েনটাও (Xu Wentao ) স্বাক্ষর করেন।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুঠানে অন্যান্যের মাঝে বিদ্যুৎ সচিব মোঃ হাবিবুর রহমান ও মংলা গ্রীন পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝু ওয়েনটাও (Xu Wentao) বক্তব্য রাখেন।
Post Views: 239




