বোয়ালখালী সংবাদদাতা: ছাত্রলীগ একটি গৌরবের নাম। বঙ্গবন্ধুর আশীর্বাদপুষ্ঠ ইতিহাস সৃষ্টিকারী একটি সংগঠন। এই আদর্শিক প্রতিষ্ঠানটির সদস্য হওয়া গৌরবের। নিজেদের গৌরাবাম্বিত করতে হলে এই সংগঠনটির গৌরবজনক পরিচিতিকে লালন করতে হবে। শুধু ছবির মুজিব নয়, আদর্শের মুজিবকে চিন্তায়, কর্মে, বিশ্বাসে, আচরণে ধারণ করতে হবে। গতকাল ২২ আগস্ট বিকেল ৩টায় বোয়ালখালী গোমদন্ডী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বোয়ালখালী উপজেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ আলহাজ্ব মোছলেম উদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বোয়ালখালী উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি একরামুল হক মুন্না।
তিনি বলেন, দেশকে অর্থনৈতিক মুক্তিদানের গৃহীত কর্মসূচী ঘোষণা করে তার বাস্তবায়নের ঊষালগ্নে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। সাম্রাজ্যবাদের ইন্ধন ও পশ্রয়ে তাঁকে হত্যা করার মধ্য দিয়ে প্রমানিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু সঠিক পথে ছিলেন।
সাংসদ আলহাজ্ব মোছলেম উদ্দিন আহমদ বলেন, আজ তাঁর যোগ্য কন্যার সফল নেতৃত্বের ফলশ্রুতিতে শিক্ষা, শিল্প, প্রযুক্তি, সামাজিক, যোগাযোগ ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতিতে দেশ বিশ্বমাঝে মর্যাদা পেয়েছে। এই সঠিক সময়ে ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা কর্মীর উচিত হবে আগামী দিনে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যত্মবান হওয়া। মেধার অপচয় না করে মানবিক কর্মে নিজেদের একাত্ম করে এগিয়ে যাওয়া।
তিনি বলেন, অবক্ষয়, মাদক, অনিয়ম, অপচয়, জঙ্গীবাদ বিরোধী সামাজিক জাগরণ সৃষ্টি করে জনগণের প্রত্যাশার সাথে একাত্ম হয়ে জনগনের মন জয় করা ব্যতীত কোন আদর্শিক লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়।




