ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: ফটিকছড়িতে চা শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। ১৪৫ টাকা বেতন নয় ৩০০ টাকা বেতন করার দাবীতে চা শ্রমিকরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
২৩ আগষ্ট রামগড় চা বাগান শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে খাগড়াছড়ি-ফেনী মহাসড়ক অবরোধ করে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাব্বির রহমান সানি ও ভূজপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন ফারুকী সহ কর্মকর্তাগণ আন্দোলন স্থলে ছুটে যান। সংকট নিরসনে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ চা শ্রমিক নেতাদের সাথে বৈঠক চলছে বলে জানান চা শ্রমিক ইউনিয়ন চট্টগ্রাম ভ্যালীর সভাপতি নিরঞ্জন নাথ মন্টু।
২০শে অগাস্ট শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে চা শ্রমিক নেতাদের বৈঠকের পর ২৫ টাকা বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা নতুন মজুরি ঘোষণা করা হলেও পরবর্তী উপজেলার বিভিন্ন বাগানের শ্রমিকরা আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। উদালিয়া চা বাগান,বারমাসিয়া চা বাগান,খৈয়া চড়া চা বাগান,কর্ণফুলী চা বাগানসহ বিভিন্ন বাগানের শ্রমিকরা মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিল করছে।
বারামাসিয়া চা বাগান শ্রমিক নেতা ও স্থানীয় ইউপি সদস্য আপন কূর্মী ৩০০ টাকা বেতনের দাবী থাকলেও শ্রমিকরা কাজে যোগদান করেছে বলে জানান।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে এ আশ্বাসে কাজে ফেরাতে চাই একটি পক্ষ। এ সিদ্ধান্ত না মেনে কর্ণফুলী বাগানেও কাজে না গিয়ে আন্দোলন করেছে শ্রমিকরা।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের চট্টগ্রাম ভ্যালীর সভাপতি নিরঞ্জন নাথ মন্টু শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার আহবান জানালে অন্য পক্ষ তাকে দালাল দালাল বলে স্লোগান দিতে থাকে।
শ্রমিক নেতা প্রেম লাল মানব্রাজি বলেন, আমরা এতোদিন আন্দোলন করেছি ৩০০ টাকা বেতন বৃদ্ধির দাবিতে।
বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের চট্টগ্রাম ভ্যালীর সভাপতি নিরঞ্জন নাথ মন্টু বলেন, ৩০০ টাকা মুজুরী বৃদ্ধি এটি আমাদের ন্যায্য দাবি। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি যেটা সিদ্ধান্ত দেন আমরা সেটা মানবো। এর আগে কাজে ফেরার জন্য সিদ্ধান্ত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। কিন্তু একটি পক্ষ তা মানতে নারাজ।




