ঢাকা ব্যুরো: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন বিশ্ববাজারে যদি তেলের দাম কমে আসে তাহলে দেশে দাম সমন্বয় করবো। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে কয়েকবারই এই দাম সমন্বয় করতে হতে পারে। এসময় সকলের একসাথে পাশে থাকা উচিত।
রবিবার (১৪ আগস্ট) ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি’ নিয়ে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামনের আগামী মাসের শেষের (সেপ্টেম্বর) দিকে আমরা লোডশেডিং থেকে বের হয়ে আসতে পারবো। বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে আমরাও সংকটে আছি। এটি সাময়িক সমস্যা। বিশ্ব পরিস্থিতি যদি আর খারাপ না হয় তাহলে আমরা ভালোর দিকে যাবো।
নসরুল হামিদ বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে ক্ষতি হয়েছে। সেজন্য আমরা দাম সমন্বয় করেছি কেবলমাত্র, তেলের দাম বাড়াইনি। যে পরিস্থিতি যাচ্ছে তাতে আমাদের নিয়মিত সমন্বয় করতে হবে।
এফইআরবির নির্বাহী পরিচালক রিশান নাসরুল্লাহের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিনের সম্পাদক এবং এফইআরবির সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লাহ আমজাদ হোসেন।
উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট রাত ১২টার পর থেকে ভোক্তাপর্যায়ে খুচরা মূল্য ডিজেল ১১৪ টাকা প্রতি লিটার, কেরোসিন ১১৪ টাকা প্রতি লিটার, অকটেন ১৩৫ টাকা প্রতি লিটার ও পেট্রল ১৩০ টাকা প্রতি লিটারে বিক্রি হচ্ছে। আগে ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা মূল্য ছিল প্রতি লিটার ডিজেল ছিল ৮০ টাকা, কেরোসিন ৮০ টাকা, অকটেন ৮৯ টাকা ও পেট্রল ৮৬ টাকা।




