আমেনা বেগম: দীর্ঘ তিনমাস ধরে সাতকানিয়া থানার ১নং চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৯টি ওয়ার্ডের তৃণমুল সম্মেলন শেষে শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভার মাধ্যমে শেষ হলো আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম।

গত শুত্রবার (১২ আগস্ট) বিকাল তিনটা থেকে শোকর‌্যালী শুরু করে রাত সাড়ে আটটার কাঙ্গালী ভোজের মাধ্যমে শেষ হয় কার্যক্রম।

শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তাকিম চৌধুরী, সভাপতি, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। সঞ্চালনা করেন মাস্টার আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট জহির উদ্দিন বলেন, অনেক ত্যাগের মধ্যদিয়েই আওয়ামী লীগ আজ এই পর্যন্ত দাঁড়িয়ে আছে। বাংলাদেশে উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের পতাকা ও বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারণ ও লালন করার বিকল্প নেই।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে কুতুব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা তৃণমুলে বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কারণ বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। বঙ্গবুন্ধুকে ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনাও করা যায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনর হাত শক্তিশালী করার জন্য সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমুল সম্মেলনের সমন্বয় জসিম উদ্দিন ও উপজলো আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করেছি তৃণমুলে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার। এখানে আমরা একটি সমন্বিত টিম। সবাই চেষ্টা করে আজকের অনুষ্ঠান।

বিকাল তিনটায় চরতী ইউনিয়নের তুলাতলি বাজারে চরতীর ৯টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়। তুলাতুলি বাজার থেকে র‌্যালী আরম্ভ হয়ে দুরদুরী সেন্টারে এসে র‌্যালী শেষ।

১৯৭৫ সাল থেকে ২০২২ সাল। এটিই আওয়ামী লীগের নের্তৃত্বে প্রথম শোকর‌্যালী। এই র‌্যালী ও জাতীয় শোক দিবস পালনের মাধ্যমে জানান দিলো তৃণমুল আওয়ামী লীগের একটি গোছালো সাংগঠনিক কার্যক্রম।

বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নের্তৃত্বে মিছিল সহকারে নেতাকর্মীরা দুরদুরীতে জড়ো হয়।

১নং ওয়ার্ড থেকে আনোয়ার হোসেন, ২নং ওয়ার্ড থেকে ইকবাল চৌধুরী, ৩ নং ওয়ার্ড থেকে নুর হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড থেকে নজরুল মেম্বার, ৫নং ওয়ার্ড থেকে সাইফুল হক মেম্বার, ৬নং ওয়ার্ড থেকে মো.আলী মেম্বার, ৭নং ওয়ার্ড থেকে নুর মোহাম্মদ, ৮নং ওয়ার্ড থেকে মাস্টার মোহাম্মদ হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড থেকে এয়াকুব হোসেন র‌্যালীর নের্তৃত্ব দেন।

উল্লেখ্য, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনের নের্তৃত্বে দীর্ঘ তিন মাস ধরে চরতী ইউনিয়নের ওয়ার্ড সম্মেলন সম্পন্ন হয়। এই ওয়ার্ড সম্মেলনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাঝে প্রাণ ফিরে আসে। এই তৃণমুল সম্মেলনে দীর্ঘদিন জমে থাকা অনেক নেতার কর্মীদের মাঝে জমে থাকা ক্ষোভ ও অভিমানের অবসান হয়। তৃণমুলে একটি ঐক্যের আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হয়।

চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবন্দ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের র‌্যালীতে অংশ গ্রহণ করতে দেখা যায়।

র‌্যালী শেষে চরতী ইউনিয়নের দুরদুরী সেন্টারে একটি শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ; প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ; অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাস্টার ফরিদুল আলম, সহ-সভাপতি সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, এডভোকেট আহমদ সাইফুদ্দিন সিদ্দিকী, সহ-সভাপতি, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ; এডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরী, সহ-সভাপতি, সাতকানিয়া উপজেরা আওয়ামী লীগ, আকতারুজ্জামান কায়সার, সদস্য,সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও রেজিস্ট্রার আর্ন্তজাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, ফজলুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ফরিদুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ; বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবুল হোসাইন; বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ; মাহবুবুর রহমান, সদস্য, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সম্পাদক, পার্লামেন্ট প্রতিদিন; আবদুল মালেক খান, সহ-সভাপতি,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ; সোহেল মোহাম্মদ মনজুর, সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ; খোরশেদ আলম, আবুল কাশেম, জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম, মো. হারুন প্রমুখ।

 

আমেনা বেগম: দীর্ঘ তিনমাস ধরে সাতকানিয়া থানার ১নং চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৯টি ওয়ার্ডের তৃণমুল সম্মেলন শেষে শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভার মাধ্যমে শেষ হলো আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম।

গত শুত্রবার (১২ আগস্ট) বিকাল তিনটা থেকে শোকর‌্যালী শুরু করে রাত সাড়ে আটটার কাঙ্গালী ভোজের মাধ্যমে শেষ হয় কার্যক্রম।

শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মোস্তাকিম চৌধুরী, সভাপতি, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। সঞ্চালনা করেন মাস্টার আমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এডভোকেট জহির উদ্দিন বলেন, অনেক ত্যাগের মধ্যদিয়েই আওয়ামী লীগ আজ এই পর্যন্ত দাঁড়িয়ে আছে। বাংলাদেশে উন্নয়নের জন্য আওয়ামী লীগের পতাকা ও বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারণ ও লালন করার বিকল্প নেই।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে কুতুব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা তৃণমুলে বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কারণ বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। বঙ্গবুন্ধুকে ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনাও করা যায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনর হাত শক্তিশালী করার জন্য সকল নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৃণমুল সম্মেলনের সমন্বয় জসিম উদ্দিন ও উপজলো আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করেছি তৃণমুলে আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করার। এখানে আমরা একটি সমন্বিত টিম। সবাই চেষ্টা করে আজকের অনুষ্ঠান।

বিকাল তিনটায় চরতী ইউনিয়নের তুলাতলি বাজারে চরতীর ৯টি ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়। তুলাতুলি বাজার থেকে র‌্যালী আরম্ভ হয়ে দুরদুরী সেন্টারে এসে র‌্যালী শেষ।

১৯৭৫ সাল থেকে ২০২২ সাল। এটিই আওয়ামী লীগের নের্তৃত্বে প্রথম শোকর‌্যালী। এই র‌্যালী ও জাতীয় শোক দিবস পালনের মাধ্যমে জানান দিলো তৃণমুল আওয়ামী লীগের একটি গোছালো সাংগঠনিক কার্যক্রম।

বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নের্তৃত্বে মিছিল সহকারে নেতাকর্মীরা দুরদুরীতে জড়ো হয়।

১নং ওয়ার্ড থেকে আনোয়ার হোসেন, ২নং ওয়ার্ড থেকে ইকবাল চৌধুরী, ৩ নং ওয়ার্ড থেকে নুর হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড থেকে নজরুল মেম্বার, ৫নং ওয়ার্ড থেকে সাইফুল হক মেম্বার, ৬নং ওয়ার্ড থেকে মো.আলী মেম্বার, ৭নং ওয়ার্ড থেকে নুর মোহাম্মদ, ৮নং ওয়ার্ড থেকে মাস্টার মোহাম্মদ হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড থেকে এয়াকুব হোসেন র‌্যালীর নের্তৃত্ব দেন।

উল্লেখ্য, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিনের নের্তৃত্বে দীর্ঘ তিন মাস ধরে চরতী ইউনিয়নের ওয়ার্ড সম্মেলন সম্পন্ন হয়। এই ওয়ার্ড সম্মেলনের মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মাঝে প্রাণ ফিরে আসে। এই তৃণমুল সম্মেলনে দীর্ঘদিন জমে থাকা অনেক নেতার কর্মীদের মাঝে জমে থাকা ক্ষোভ ও অভিমানের অবসান হয়। তৃণমুলে একটি ঐক্যের আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হয়।

চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবন্দ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের র‌্যালীতে অংশ গ্রহণ করতে দেখা যায়।

র‌্যালী শেষে চরতী ইউনিয়নের দুরদুরী সেন্টারে একটি শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ; প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুতুব উদ্দিন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ; অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাস্টার ফরিদুল আলম, সহ-সভাপতি সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, এডভোকেট আহমদ সাইফুদ্দিন সিদ্দিকী, সহ-সভাপতি, সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ; এডভোকেট প্রদীপ কুমার চৌধুরী, সহ-সভাপতি, সাতকানিয়া উপজেরা আওয়ামী লীগ, আকতারুজ্জামান কায়সার, সদস্য,সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ ও রেজিস্ট্রার আর্ন্তজাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, ফজলুল হক, সিনিয়র সহ-সভাপতি, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, ফরিদুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ; বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার আবুল হোসাইন; বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর আহমদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ; মাহবুবুর রহমান, সদস্য, চরতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও সম্পাদক, পার্লামেন্ট প্রতিদিন; আবদুল মালেক খান, সহ-সভাপতি,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ; সোহেল মোহাম্মদ মনজুর, সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ; খোরশেদ আলম, আবুল কাশেম, জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম, মো. হারুন প্রমুখ।