প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ভুয়া ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন নামি-দামি ব্র্যান্ডের মোবাইল দেয়ার কথা বলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত শরিবার ভোর রাতে নগরীর উত্তর পতেঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারকৃত ওই যুবক হল মশিউর রহমান (১৯)। মশিউর রহমান নোয়াখালীর সুবর্ণচরের কাটাবুনিয়া গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে। গতকাল রোববার সকাল ১১টায় নগরীর সিপিসি-৩, চান্দগাঁও ক্যাম্পে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এমএ ইউসুফ।
তিনি বলেন, গ্রেফতার মশিউর দেশের স্বনামধন্য ও খ্যাতনামা মোবাইল ব্র্যান্ড কোম্পানিগুলোর ব্যাপক জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে তাদের নাম ব্যবহার করে ১৩টিরও বেশি ভুয়া ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট খুলে। এরপর নোয়াখালীর মাস্টারপাড়া এলাকার একটি ভবনে বসে বিভিন্ন মোবাইল ফোনের চটকদার বিজ্ঞাপন দিতো। সেসব বিজ্ঞাপনে অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের প্রলোভন দেখিয়ে নগদ এ্যাপসের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে মশিউর। বিষয়টি জানতে পেরে রিয়েলমি কোম্পানি তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সতর্কতামূলক পোস্ট দেয়। পোস্টে বলা হয়, একটি চক্র অনেক ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে নগদ এ্যাপসের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ করছে। বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আসামি গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় রিয়েলমি কোম্পানি র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করে। অভিযোগের ভিত্তিতে গত শনিবার রাত ১১টায় অভিযান চালিয়ে নোয়াখালীর ওই রুম থেকে দুটি আইপি টেলিফোন, একটি রাউটার, একটি মনিটর, একটি সিপিউ, একটি কীবোর্ড, একটি মাউস, একটি চেকবই, একটি ইসলামী ব্যাংক ভিসা কার্ড, একটি কারব্যাগ, দুটি ভিজিটিং কার্ড ও নগদ ১৩ হাজার ১৯০ টাকা উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, ওই রুমে কাউকে না পেলে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। পরে রাত পৌনে ৪টায় গোপন খবরের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মশিউর জানায়, চার-পাঁচ মাস আগে আইয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী একজন প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকের কাছ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ফেসবুক মার্কেটিং এবং ওয়েব ডিজাইনের কাজ শিখে। এই কাজের মাধ্যমে ১৩টির অধিক ভুয়া ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোনের বিজ্ঞাপন দিয়ে অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের প্রলোভন দেখিয়ে নগদ এ্যাপসের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। অর্থ আত্মসাতের পর গ্রাহদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: ভুয়া ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন নামি-দামি ব্র্যান্ডের মোবাইল দেয়ার কথা বলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রতারণা করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত শরিবার ভোর রাতে নগরীর উত্তর পতেঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারকৃত ওই যুবক হল মশিউর রহমান (১৯)। মশিউর রহমান নোয়াখালীর সুবর্ণচরের কাটাবুনিয়া গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে। গতকাল রোববার সকাল ১১টায় নগরীর সিপিসি-৩, চান্দগাঁও ক্যাম্পে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এমএ ইউসুফ।
তিনি বলেন, গ্রেফতার মশিউর দেশের স্বনামধন্য ও খ্যাতনামা মোবাইল ব্র্যান্ড কোম্পানিগুলোর ব্যাপক জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে তাদের নাম ব্যবহার করে ১৩টিরও বেশি ভুয়া ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট খুলে। এরপর নোয়াখালীর মাস্টারপাড়া এলাকার একটি ভবনে বসে বিভিন্ন মোবাইল ফোনের চটকদার বিজ্ঞাপন দিতো। সেসব বিজ্ঞাপনে অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের প্রলোভন দেখিয়ে নগদ এ্যাপসের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে মশিউর। বিষয়টি জানতে পেরে রিয়েলমি কোম্পানি তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সতর্কতামূলক পোস্ট দেয়। পোস্টে বলা হয়, একটি চক্র অনেক ভুয়া ফেসবুক পেজ খুলে নগদ এ্যাপসের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণ করছে। বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আসামি গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছে। এ ঘটনায় রিয়েলমি কোম্পানি র‌্যাবের কাছে অভিযোগ করে। অভিযোগের ভিত্তিতে গত শনিবার রাত ১১টায় অভিযান চালিয়ে নোয়াখালীর ওই রুম থেকে দুটি আইপি টেলিফোন, একটি রাউটার, একটি মনিটর, একটি সিপিউ, একটি কীবোর্ড, একটি মাউস, একটি চেকবই, একটি ইসলামী ব্যাংক ভিসা কার্ড, একটি কারব্যাগ, দুটি ভিজিটিং কার্ড ও নগদ ১৩ হাজার ১৯০ টাকা উদ্ধার করে।
তিনি আরও বলেন, ওই রুমে কাউকে না পেলে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। পরে রাত পৌনে ৪টায় গোপন খবরের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর পতেঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মশিউর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মশিউর জানায়, চার-পাঁচ মাস আগে আইয়ারল্যান্ডে বসবাসকারী একজন প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকের কাছ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ফেসবুক মার্কেটিং এবং ওয়েব ডিজাইনের কাজ শিখে। এই কাজের মাধ্যমে ১৩টির অধিক ভুয়া ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোনের বিজ্ঞাপন দিয়ে অস্বাভাবিক মূল্যছাড়ের প্রলোভন দেখিয়ে নগদ এ্যাপসের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে আসছে। অর্থ আত্মসাতের পর গ্রাহদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।