ঢাকা ব্যুরো:  উন্নয়নের নামে লুটপাট এবং ব্যক্তি বিশেষের সুবিধার জন্য হাওড় এলাকায় অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের কারণেই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি। আজ রবিবার ২৬ জুন বন্যা কবলিত কিশোরগঞ্জের ইটনা সদর, ধনপুরী ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন স্থানে বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী, মেয়র মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কিশোরগঞ্জ সহ হাওড় অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে। ডায়াবেটিক সেন্টার, বিদ্যূৎ সহ বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলি এখনো সাক্ষী হয়ে আছে।
এ সময় অন্যানের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুন, শরিফুল আলম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি সহ কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
বিশেষ অতিথি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহবায়ক আবদুস সালাম বলেন, এখন চলছে উন্নয়নের নামে লুটপাট, পদ্মা সেতুর প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়েছে প্রায় তিন গুণের মতো, আর বানভাসী মানুষের সাথে ত্রাণের নামে প্রহসন করে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অপচয় করা হয়েছে কোটি কোটি টাকা। আবদুস সালাম মানুষের সাথে এ ধরণের প্রতারণা এবং তামাশার নিন্দা জানিয়ে বলেন, জনগণ সময় মতো সবকিছু বুঝিয়ে দিবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম এবং সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু’র নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কিশোরগঞ্জের বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন। তারা ইটনা, ধলপুর এবং ইটনা সদর সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আ ন ম সাইফুল ইসলাম, তানভীর আহমেদ রবিন, মনির হোসেন চেয়ারম্যান, সদস্য আরিফুর রহমান নাদিম, ফরহাদ হোসেন, লতিফুল্লাহ জাফরু, হাজী শহীদুল ইসলাম বাবুল, আকবর হোসেন নান্টু, আবুল খায়ের লিটন, জামশেদুল আলম শ্যামল, জাসাস নেতা শওকত আজিজ সহ মহানগর বিএনপি এবং এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা ব্যুরো:  উন্নয়নের নামে লুটপাট এবং ব্যক্তি বিশেষের সুবিধার জন্য হাওড় এলাকায় অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের কারণেই ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি। আজ রবিবার ২৬ জুন বন্যা কবলিত কিশোরগঞ্জের ইটনা সদর, ধনপুরী ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন স্থানে বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী, মেয়র মির্জা আব্বাস এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় কিশোরগঞ্জ সহ হাওড় অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে। ডায়াবেটিক সেন্টার, বিদ্যূৎ সহ বিভিন্ন সেক্টরের উন্নয়ন কর্মকান্ডগুলি এখনো সাক্ষী হয়ে আছে।
এ সময় অন্যানের মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুন, শরিফুল আলম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি সহ কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
বিশেষ অতিথি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহবায়ক আবদুস সালাম বলেন, এখন চলছে উন্নয়নের নামে লুটপাট, পদ্মা সেতুর প্রাক্কলিত ব্যয় বেড়েছে প্রায় তিন গুণের মতো, আর বানভাসী মানুষের সাথে ত্রাণের নামে প্রহসন করে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অপচয় করা হয়েছে কোটি কোটি টাকা। আবদুস সালাম মানুষের সাথে এ ধরণের প্রতারণা এবং তামাশার নিন্দা জানিয়ে বলেন, জনগণ সময় মতো সবকিছু বুঝিয়ে দিবে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম এবং সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু’র নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কিশোরগঞ্জের বন্যা উপদ্রুত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেন। তারা ইটনা, ধলপুর এবং ইটনা সদর সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আ ন ম সাইফুল ইসলাম, তানভীর আহমেদ রবিন, মনির হোসেন চেয়ারম্যান, সদস্য আরিফুর রহমান নাদিম, ফরহাদ হোসেন, লতিফুল্লাহ জাফরু, হাজী শহীদুল ইসলাম বাবুল, আকবর হোসেন নান্টু, আবুল খায়ের লিটন, জামশেদুল আলম শ্যামল, জাসাস নেতা শওকত আজিজ সহ মহানগর বিএনপি এবং এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।