ঝালকাঠি শহরের কামারপট্টি, কাটপট্টি, কুমারপট্টি, বাউকাঠিসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কুকুরে কামড়ানো রোগী নিয়ে হাসপাতালে ছুটে আসছেন স্বজনরা। এদিকে, কুকুরের এই হঠাৎ কামড়ানোর খবর শুনে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত সিনিয়র ব্রাদার মনিন্দ্র নাথ জানান, গত রোববার থেকে আকস্মিকভাবে কুকুরে কামড়ানো রোগীর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে। এদের মধ্যে বেশির ভাগই বয়স্ক। প্রাথমিক চিকিৎসার পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও প্রতিষেধক না থাকায় তা বাহির থেকে রোগীদের কিনতে হচ্ছে।’
এদিকে শহরে পাগলা কুকুরের কামড়ানোর চিকিৎসার বিষয়ে পৌরসভার প্যানেল মেয়র তরুণ কর্মকার বলেন, ‘কুকুরে কামড়ানো রোগীরা আমাদের কাছে এলে প্রত্যয়নপত্র দিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া এসব কুকুর নিধনের বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় বিকল্প উপায়ে কুকুরগুলোকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাতে আর কাউকে কামড়াতে না পারে।’




