কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্র ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানিও বাড়ছে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে দ্বীপচর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বাড়ি-ঘরে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুন) সকালে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর রয়েছে। ফলে কুড়িগ্রামে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, চিলমারী ও রৌমারীর চরাঞ্চলের বাড়িঘরে পানি উঠতে শুরু করেছে।

সিলেট-সুনামগঞ্জের ১৩ উপজেলা প্লাবিতসিলেট-সুনামগঞ্জের ১৩ উপজেলা প্লাবিত এসব এলাকার আমন বীজতলা, পাট, সবজি ও ভুট্রাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার অন্তত ৩০টি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন জানান, ধরলার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানিও বাড়ছে। রেইনকাটের কারণে বাঁধের কিছু স্থানে ধ্বস ঠেকাতে জরুরী মেরাতমতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার ও ব্রহ্মপুত্র ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানিও বাড়ছে। অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে দ্বীপচর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে বাড়ি-ঘরে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুন) সকালে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৯ সেন্টিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর রয়েছে। ফলে কুড়িগ্রামে ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, চিলমারী ও রৌমারীর চরাঞ্চলের বাড়িঘরে পানি উঠতে শুরু করেছে।

সিলেট-সুনামগঞ্জের ১৩ উপজেলা প্লাবিতসিলেট-সুনামগঞ্জের ১৩ উপজেলা প্লাবিত এসব এলাকার আমন বীজতলা, পাট, সবজি ও ভুট্রাসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার অন্তত ৩০টি পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্ল্যাহ আল মামুন জানান, ধরলার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কুড়িগ্রামে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানিও বাড়ছে। রেইনকাটের কারণে বাঁধের কিছু স্থানে ধ্বস ঠেকাতে জরুরী মেরাতমতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।