ক্রাইম প্রতিবেদক: আদালতে অবমাননার মামলা থাকা সত্বেও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ওয়াচম্যান নিয়োগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. মনোয়ার আলী রানা, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন আজাদ, মো. সেলিম, ও, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ওয়াচম্যান বিষয়ে সুষ্পষ্টভাবে উচ্চ আদালতের রায় থাকার পরও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতের রায়কে অবজ্ঞা করে বার বার আইনকে অমান্য করছে। এই কারণে গত ২০১২ সালে ও বর্তমান চেয়ারম্যান সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা চলমান রয়েছে। এরপরও বন্দর কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের আইনের তোয়াক্কা না করে আবারো অবৈধভাবে লোক নিয়োগ করে অর্থ বাণিজ্য করছে।

গত ২০০৮ সালে হাইকোর্ট পিটিশন দাখিল করলে ২০১০ সালে হাইকোর্ট চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির পক্ষে রায় প্রদান করেন। পরে সুপ্রিম কোর্টে বন্দর কর্তৃপক্ষ আপিল করলে ২২৬/২০১০ইং আপিলে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি শেষে গত ১৬/০২/২০১২ আপিল খারিজ করে চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির  পক্ষে রায় বহাল রাখে। এরপর বন্দর রিভিউ দায়ের করলে তাও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে রায় সমিতির পক্ষে বহাল রাখে গত ১৪/০৮/২০১৬ইং তারিখ।

বন্দর কর্তৃপক্ষ বারবার উচ্চ আদালতের রায় কার্যকর না করে এভাবে বহিরাগতদের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়ে অভিজ্ঞ পুরানো ওয়াচম্যানদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। এ জন্য দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে বন্দরের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। এটি উচ্চ আদালতের প্রতি ও অসম্মান, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। উচ্চ আদালতে আদালত অবমাননার চলমান মামলা থাকা সত্বেও অবৈধভাবে অর্থের বিনিময়ে কিছু ঘুষখোর দুষ্কৃতকারী চট্টগ্রাম বন্দর কর্মকর্তার যোগসাজশে চট্টগ্রাম বন্দরে পাহারাদার নিয়োগের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে তারা বলেন, কনডেম্প ফাইল নং ৩০৯/২০১২ সালে মহামান্য হাইকোর্টে বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম ও বিচারক মো. বদরুজ্জামান বেঞ্চে সমিতির আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়্যাল এডমিরাল নিজামউদ্দিন প্রধান বিবাদী- বর্তমানে তিনি নৌ বাহিনীর প্রধান হওয়ার কারণে ওই সময়ে দ্বিতীয় বিবাদী ক্যাপ্টেন এম. শাহজাহান, যিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন। ৩য় বিবাদী ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম, ৪র্থ বিবাদী লে. কর্নেল মো. মোয়াজ্জেম হোসাইন, ৫ম বিবাদী ডাইরেক্টর (ট্যারিফ) গোলাম সরোয়ার, ৬ষ্ঠ বিবাদী লে. কমান্ডার একরাম হোসাইন উল্লেখিত সবাই এই মামলা সম্পর্কে অবগত আছেন।তারা বর্তমানে স্ব-স্ব অবস্থানে আছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের সাথে একটি চুক্তি আবদ্ধ হন এবং গত ১৯/১০/২০১৪ইং তারিখ থেকে কিছু লোক নেওয়ার কথা ছিল। বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের সংগঠন উভয় স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিনামা লিপিবদ্ধ করা হয়।

দুঃখের বিষয়, উক্ত চুক্তি এবং আদালতের প্রতি কোন তোয়াক্কা না করে বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ যে অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে তার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দরা আরও বলেন, কোন প্রকার শ্রম অসন্তোষের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ দায়ি থাকবেন। চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাথে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াচম্যান শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের জন্য দুর্বার গণ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এর দায়ভার বন্দর প্রশাসনকে নিতে হবে।

ক্রাইম প্রতিবেদক: আদালতে অবমাননার মামলা থাকা সত্বেও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ওয়াচম্যান নিয়োগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. মনোয়ার আলী রানা, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন, সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দিন আজাদ, মো. সেলিম, ও, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ওয়াচম্যান বিষয়ে সুষ্পষ্টভাবে উচ্চ আদালতের রায় থাকার পরও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্চ আদালতের রায়কে অবজ্ঞা করে বার বার আইনকে অমান্য করছে। এই কারণে গত ২০১২ সালে ও বর্তমান চেয়ারম্যান সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা চলমান রয়েছে। এরপরও বন্দর কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের আইনের তোয়াক্কা না করে আবারো অবৈধভাবে লোক নিয়োগ করে অর্থ বাণিজ্য করছে।

গত ২০০৮ সালে হাইকোর্ট পিটিশন দাখিল করলে ২০১০ সালে হাইকোর্ট চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির পক্ষে রায় প্রদান করেন। পরে সুপ্রিম কোর্টে বন্দর কর্তৃপক্ষ আপিল করলে ২২৬/২০১০ইং আপিলে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানি শেষে গত ১৬/০২/২০১২ আপিল খারিজ করে চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির  পক্ষে রায় বহাল রাখে। এরপর বন্দর রিভিউ দায়ের করলে তাও পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে রায় সমিতির পক্ষে বহাল রাখে গত ১৪/০৮/২০১৬ইং তারিখ।

বন্দর কর্তৃপক্ষ বারবার উচ্চ আদালতের রায় কার্যকর না করে এভাবে বহিরাগতদের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দিয়ে অভিজ্ঞ পুরানো ওয়াচম্যানদের সাথে প্রতারণা করে আসছে। এ জন্য দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে বন্দরের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। এটি উচ্চ আদালতের প্রতি ও অসম্মান, আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। উচ্চ আদালতে আদালত অবমাননার চলমান মামলা থাকা সত্বেও অবৈধভাবে অর্থের বিনিময়ে কিছু ঘুষখোর দুষ্কৃতকারী চট্টগ্রাম বন্দর কর্মকর্তার যোগসাজশে চট্টগ্রাম বন্দরে পাহারাদার নিয়োগের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে তারা বলেন, কনডেম্প ফাইল নং ৩০৯/২০১২ সালে মহামান্য হাইকোর্টে বিচারক মো. আশরাফুল ইসলাম ও বিচারক মো. বদরুজ্জামান বেঞ্চে সমিতির আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়্যাল এডমিরাল নিজামউদ্দিন প্রধান বিবাদী- বর্তমানে তিনি নৌ বাহিনীর প্রধান হওয়ার কারণে ওই সময়ে দ্বিতীয় বিবাদী ক্যাপ্টেন এম. শাহজাহান, যিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন। ৩য় বিবাদী ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম, ৪র্থ বিবাদী লে. কর্নেল মো. মোয়াজ্জেম হোসাইন, ৫ম বিবাদী ডাইরেক্টর (ট্যারিফ) গোলাম সরোয়ার, ৬ষ্ঠ বিবাদী লে. কমান্ডার একরাম হোসাইন উল্লেখিত সবাই এই মামলা সম্পর্কে অবগত আছেন।তারা বর্তমানে স্ব-স্ব অবস্থানে আছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের সাথে একটি চুক্তি আবদ্ধ হন এবং গত ১৯/১০/২০১৪ইং তারিখ থেকে কিছু লোক নেওয়ার কথা ছিল। বন্দর কর্তৃপক্ষ আমাদের সংগঠন উভয় স্বাক্ষরিত একটি চুক্তিনামা লিপিবদ্ধ করা হয়।

দুঃখের বিষয়, উক্ত চুক্তি এবং আদালতের প্রতি কোন তোয়াক্কা না করে বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ যে অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে তার বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দরা আরও বলেন, কোন প্রকার শ্রম অসন্তোষের জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষ দায়ি থাকবেন। চট্টগ্রাম বন্দর মেরিন কন্ট্রাক্টর পাহারাদার কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সাথে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে ওয়াচম্যান শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকারের জন্য দুর্বার গণ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এর দায়ভার বন্দর প্রশাসনকে নিতে হবে।