নিজস্ব প্রতিবেদক:  চুড়ি দেওয়ার কথা বলে ১২ বছরের শিশুকে গণর্ষণের পর এবার আকবরশাহে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পাহাড়ের ঢালুর নিচ থেকে অচেতন অবস্থায় ওই ২০ বছর বয়সী বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, ধর্ষণের পর ওই তরুণীকে ফেলে ধর্ষকেরা পালিয়েছে। আজ শনিবার (০৭ মে) বিকেল তিনটার দিকে পীর আউলিয়ার মাজারের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী কুমিল্লার দেবিদ্বারের বাসিন্দা। ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রামে বেড়াতে এসেছেন। বিকাল তিনটার দিকে স্থানীয়রা তাকে অচেতন অবস্থায় পাহাড়ের ঢালুতে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আকবরশাহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলহাস বলেন, অচেতন অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেয়েটি বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় ঘটনার কথা জানা যায়নি।এর আগে গত শুক্রবার চুড়ি দেওয়ার কথা বলে ১২ বছরের শিশুকে গণধর্ষণের অভিযেগে দুই প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ফেনী সোনাগাজীর মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে মো. জসিম (৫০) এবং রৌফাবাদ এলাকার মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে মো. সাকিল আহম্মদ মুন্না (২৯)। গত ১ মে চুড়ি দেওয়ার কথা বলে প্রতিবেশি মো. জসিম (৫০) ও মো. মুন্না (২৯) পাশের রুমে ডেকে নিয়ে ১২ বছরের ওই শিশুকে গণধর্ষণ করে। ভয় পেয়ে ওই শিশু পরিবারের কাউকে এ ঘটনা জানায়নি।

পুলিশ জানায়, গত ১ মে চুড়ি দেওয়ার কথা বলে প্রতিবেশি মো. জসিম (৫০) ও মো. মুন্না (২৯) পাশের রুমে ডেকে নিয়ে ১২ বছরের ওই শিশুকে গণধর্ষণ করে। ভয় পেয়ে ওই শিশু পরিবারের কাউকে এ ঘটনা জানায়নি। ৩ মে শিশুটি অসুস্থ হয়ে গেলে মাকে ঘটনার কথা জানায়। পরে ৫ মে শিশুটির ভাই বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খাইরুল ইসলাম তখন জানিয়েছেন, গত ১ মে রাত প্রায় ১১টার দিকে প্রতিবেশি জসিম ও মুন্না ১২ বছরের এক শিশুকে গণধর্ষণ করে। এ ঘটনায় শিশুটির ভাই থানায় মামলা করলে আমরা দুই আসামিকে গ্রেফতার করি। এদেরমধ্যে একজনকে চান্দগাঁও এলাকা থেকে অন্যজনকে হালিশহর থেকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে গণর্ধষণের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক:  চুড়ি দেওয়ার কথা বলে ১২ বছরের শিশুকে গণর্ষণের পর এবার আকবরশাহে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। পাহাড়ের ঢালুর নিচ থেকে অচেতন অবস্থায় ওই ২০ বছর বয়সী বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, ধর্ষণের পর ওই তরুণীকে ফেলে ধর্ষকেরা পালিয়েছে। আজ শনিবার (০৭ মে) বিকেল তিনটার দিকে পীর আউলিয়ার মাজারের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ভুক্তভোগী তরুণী কুমিল্লার দেবিদ্বারের বাসিন্দা। ঈদের ছুটিতে চট্টগ্রামে বেড়াতে এসেছেন। বিকাল তিনটার দিকে স্থানীয়রা তাকে অচেতন অবস্থায় পাহাড়ের ঢালুতে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

আকবরশাহ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলহাস বলেন, অচেতন অবস্থায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেয়েটি বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় ঘটনার কথা জানা যায়নি।এর আগে গত শুক্রবার চুড়ি দেওয়ার কথা বলে ১২ বছরের শিশুকে গণধর্ষণের অভিযেগে দুই প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ফেনী সোনাগাজীর মৃত বদিউজ্জামানের ছেলে মো. জসিম (৫০) এবং রৌফাবাদ এলাকার মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে মো. সাকিল আহম্মদ মুন্না (২৯)। গত ১ মে চুড়ি দেওয়ার কথা বলে প্রতিবেশি মো. জসিম (৫০) ও মো. মুন্না (২৯) পাশের রুমে ডেকে নিয়ে ১২ বছরের ওই শিশুকে গণধর্ষণ করে। ভয় পেয়ে ওই শিশু পরিবারের কাউকে এ ঘটনা জানায়নি।

পুলিশ জানায়, গত ১ মে চুড়ি দেওয়ার কথা বলে প্রতিবেশি মো. জসিম (৫০) ও মো. মুন্না (২৯) পাশের রুমে ডেকে নিয়ে ১২ বছরের ওই শিশুকে গণধর্ষণ করে। ভয় পেয়ে ওই শিশু পরিবারের কাউকে এ ঘটনা জানায়নি। ৩ মে শিশুটি অসুস্থ হয়ে গেলে মাকে ঘটনার কথা জানায়। পরে ৫ মে শিশুটির ভাই বাদী হয়ে বায়েজিদ থানায় মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই আসামিকে গ্রেফতার করে।

বায়েজিদ বোস্তামি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খাইরুল ইসলাম তখন জানিয়েছেন, গত ১ মে রাত প্রায় ১১টার দিকে প্রতিবেশি জসিম ও মুন্না ১২ বছরের এক শিশুকে গণধর্ষণ করে। এ ঘটনায় শিশুটির ভাই থানায় মামলা করলে আমরা দুই আসামিকে গ্রেফতার করি। এদেরমধ্যে একজনকে চান্দগাঁও এলাকা থেকে অন্যজনকে হালিশহর থেকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে গণর্ধষণের শিকার শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।