রংপুর বিভাগের আটটি জেলার শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, নেতৃত্ব এবং শৃঙ্খলাবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে ছয় দিনব্যাপী ‘৩য় আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরি-২৬’। বাংলাদেশ স্কাউটস, দিনাজপুর অঞ্চলের উদ্যোগে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গত ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ মেগা আয়োজন চলবে আগামী ৯ নভেম্বর পর্যন্ত। এই ক্যাম্পুরিতে রংপুর বিভাগের ৮টি জেলা থেকে ১৩০টি ইউনিটের প্রায় ১ হাজার ২০০ জন কাব স্কাউট, গার্ল-ইন-কাব স্কাউট, ইউনিট লিডার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

বুধবার ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্কাউটিং আয়োজনের সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন বাংলাদেশ স্কাউটস, দিনাজপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার ও ক্যাম্পুরির ক্যাম্প চিফ মো. আখতারুজ্জামান। এবারের কাব ক্যাম্পুরির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নীল আকাশ, সবুজ বন, স্কাউটিংয়ে গড়ি জীবন’। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলার স্কাউট সদস্যরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন।

ক্যাম্পুরিতে অংশগ্রহণকারী শিশুদের জন্য ১০টি ভিন্নধর্মী চ্যালেঞ্জভিত্তিক স্কাউটিং কার্যক্রমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এসব আয়োজন সুচারুভাবে পরিচালনায় ক্যাম্পুরি প্রাঙ্গণে গড়ে তোলা হয়েছে দুটি ভিলেজ ও চারটি সাব-ক্যাম্প। দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিশুদের সুবিধার্থে আবাসন, খাবার, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, চিকিৎসা সেবা ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসন। এ আয়োজন সফলভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো সক্রিয় সহযোগিতা প্রদান করছে।

আয়োজক সূত্রে জানানো হয়, আঞ্চলিক এ ক্যাম্পুরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যবাহী মহাতাঁবুজলসায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলমের। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ স্কাউটিং ক্যাম্পের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ, আত্মনির্ভরশীলতা, পরোপকারিতা, শৃঙ্খলা ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা ভবিষ্যতে দেশের দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

রংপুর বিভাগের আটটি জেলার শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, নেতৃত্ব এবং শৃঙ্খলাবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে শুরু হয়েছে ছয় দিনব্যাপী ‘৩য় আঞ্চলিক কাব ক্যাম্পুরি-২৬’। বাংলাদেশ স্কাউটস, দিনাজপুর অঞ্চলের উদ্যোগে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গত ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া এ মেগা আয়োজন চলবে আগামী ৯ নভেম্বর পর্যন্ত। এই ক্যাম্পুরিতে রংপুর বিভাগের ৮টি জেলা থেকে ১৩০টি ইউনিটের প্রায় ১ হাজার ২০০ জন কাব স্কাউট, গার্ল-ইন-কাব স্কাউট, ইউনিট লিডার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

বুধবার ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে স্কাউটিং আয়োজনের সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন বাংলাদেশ স্কাউটস, দিনাজপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার ও ক্যাম্পুরির ক্যাম্প চিফ মো. আখতারুজ্জামান। এবারের কাব ক্যাম্পুরির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘নীল আকাশ, সবুজ বন, স্কাউটিংয়ে গড়ি জীবন’। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলার স্কাউট সদস্যরা এতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছেন।

ক্যাম্পুরিতে অংশগ্রহণকারী শিশুদের জন্য ১০টি ভিন্নধর্মী চ্যালেঞ্জভিত্তিক স্কাউটিং কার্যক্রমের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এসব আয়োজন সুচারুভাবে পরিচালনায় ক্যাম্পুরি প্রাঙ্গণে গড়ে তোলা হয়েছে দুটি ভিলেজ ও চারটি সাব-ক্যাম্প। দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিশুদের সুবিধার্থে আবাসন, খাবার, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, চিকিৎসা সেবা ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে আয়োজক কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসন। এ আয়োজন সফলভাবে বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, জেলা পরিষদ, পৌরসভা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো সক্রিয় সহযোগিতা প্রদান করছে।

আয়োজক সূত্রে জানানো হয়, আঞ্চলিক এ ক্যাম্পুরির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠান ও ঐতিহ্যবাহী মহাতাঁবুজলসায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার মো. জাহাঙ্গীর আলমের। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ স্কাউটিং ক্যাম্পের মাধ্যমে কোমলমতি শিশুদের মধ্যে নেতৃত্বগুণ, আত্মনির্ভরশীলতা, পরোপকারিতা, শৃঙ্খলা ও পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং তারা ভবিষ্যতে দেশের দক্ষ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।