সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে একটি মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৬ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের কুতুবের চর মৎস্য আড়তে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে মাছের প্রকৃত মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া না গেলেও, মাছের হেফাজতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করে প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবিরের নেতৃত্বে অভিযানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা পিরানহাগুলো ময়মনসিংহ থেকে কুতুবের চর মৎস্য আড়তে আনা হয়েছিল। প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে ২৬ মণ বা প্রায় ১ হাজার ৪০ কেজি মাছের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৮ হাজার টাকা। জব্দকৃত মাছগুলো নষ্ট না করে উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, পিরানহা দেশীয় মাছের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি প্রজাতি। জলাশয়ে এই মাছ ছড়িয়ে পড়লে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। এ কারণেই দেশে পিরানহা মাছের চাষ ও বেচাকেনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ মাছের বিরুদ্ধে উপজেলা মৎস্য বিভাগের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে একটি মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২৬ মণ নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সলঙ্গা ইউনিয়নের কুতুবের চর মৎস্য আড়তে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে মাছের প্রকৃত মালিককে ঘটনাস্থলে পাওয়া না গেলেও, মাছের হেফাজতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করে প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবিরের নেতৃত্বে অভিযানে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জব্দ করা পিরানহাগুলো ময়মনসিংহ থেকে কুতুবের চর মৎস্য আড়তে আনা হয়েছিল। প্রতি কেজি ২০০ টাকা দরে ২৬ মণ বা প্রায় ১ হাজার ৪০ কেজি মাছের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৮ হাজার টাকা। জব্দকৃত মাছগুলো নষ্ট না করে উপজেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়েছে।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম জানান, পিরানহা দেশীয় মাছের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি প্রজাতি। জলাশয়ে এই মাছ ছড়িয়ে পড়লে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে। এ কারণেই দেশে পিরানহা মাছের চাষ ও বেচাকেনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ মাছের বিরুদ্ধে উপজেলা মৎস্য বিভাগের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।