টালিউড অভিনেত্রী পায়েল সরকার মঙ্গলবার রাতে ‘নজরবন্দি’ ছবির মিউজিক লঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এই আয়োজনে অভিনেত্রীর সাজপোশাক ছিল বেশ আকর্ষণীয়। তিনি কচি কলাপাতা রঙের একটি সিক্যুয়েনের কাজ করা গাউন পরেছিলেন।

পোশাকের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সবার নজর কেড়েছে তার কানের দুল। দুলের নকশায় ‘ইভিল আই’ বা কুনজর থেকে রক্ষার প্রতীক ফুটে উঠেছে। এই দুল দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, তবে কি কুনজর এড়াতেই অভিনেত্রী এমন দুল বেছে নিয়েছেন?

এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন পায়েল। তিনি জানান, ইভিল আই পরার সঙ্গে কাউকে নজর কাটানোর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে অভিনেত্রী অকপটেই স্বীকার করেছেন যে তিনি কুনজরে বিশ্বাস করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তার কিছুটা আতঙ্কও কাজ করে।

পায়েলের মতে, এই বিশ্বাসের পরিধি হলো কারও নেতিবাচক মনোভাবের আঁচ পেলে সেই মানুষটির থেকে দূরত্ব বজায় রাখা। তিনি বলেন, কেউ যদি একটানা তার ব্যাপারে নেতিবাচক চিন্তা করে, তবে তার সঙ্গে সময় কাটাতে বা সম্পর্ক রাখতে তার ইচ্ছা করে না। মানুষের এই নেতিবাচক চিন্তাভাবনা যদি সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলে, তবে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসাই তার কাছে স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত। তিনি অন্ধবিশ্বাসে আচ্ছন্ন নন, বরং মানুষের মনোভাব ও তার প্রভাবকেই বেশি গুরুত্ব দেন।

টালিউড অভিনেত্রী পায়েল সরকার মঙ্গলবার রাতে ‘নজরবন্দি’ ছবির মিউজিক লঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এই আয়োজনে অভিনেত্রীর সাজপোশাক ছিল বেশ আকর্ষণীয়। তিনি কচি কলাপাতা রঙের একটি সিক্যুয়েনের কাজ করা গাউন পরেছিলেন।

পোশাকের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সবার নজর কেড়েছে তার কানের দুল। দুলের নকশায় ‘ইভিল আই’ বা কুনজর থেকে রক্ষার প্রতীক ফুটে উঠেছে। এই দুল দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, তবে কি কুনজর এড়াতেই অভিনেত্রী এমন দুল বেছে নিয়েছেন?

এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন পায়েল। তিনি জানান, ইভিল আই পরার সঙ্গে কাউকে নজর কাটানোর কোনো সম্পর্ক নেই। তবে অভিনেত্রী অকপটেই স্বীকার করেছেন যে তিনি কুনজরে বিশ্বাস করেন এবং বিষয়টি নিয়ে তার কিছুটা আতঙ্কও কাজ করে।

পায়েলের মতে, এই বিশ্বাসের পরিধি হলো কারও নেতিবাচক মনোভাবের আঁচ পেলে সেই মানুষটির থেকে দূরত্ব বজায় রাখা। তিনি বলেন, কেউ যদি একটানা তার ব্যাপারে নেতিবাচক চিন্তা করে, তবে তার সঙ্গে সময় কাটাতে বা সম্পর্ক রাখতে তার ইচ্ছা করে না। মানুষের এই নেতিবাচক চিন্তাভাবনা যদি সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলে, তবে সেই সম্পর্ক থেকে সরে আসাই তার কাছে স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত। তিনি অন্ধবিশ্বাসে আচ্ছন্ন নন, বরং মানুষের মনোভাব ও তার প্রভাবকেই বেশি গুরুত্ব দেন।