ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং শিক্ষা খাতে অর্থায়ন বৃদ্ধির দাবিতে শনিবার প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকারের বিরুদ্ধে এই বিশাল বিক্ষোভ তার নেতৃত্বের জন্য নতুন করে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে প্যারিস, লিওঁ, ক্লেরমঁ-ফেরাঁ ও স্ত্রাসবুর্গ শহরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এছাড়া নিস, নঁতে এবং মার্সেই শহরে বিক্ষোভকারীদের দমাতে জলকামান ব্যবহার করা হয়েছে।

প্যারিসের সরকারি কৌঁসুলির দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের বিক্ষোভে সহিংসতা, সম্পদের ক্ষতিসাধন এবং অস্ত্রসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে ৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছয়জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। বিক্ষোভ মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ সারা দেশে ৭০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। শুক্রবার প্যারিসে বিক্ষোভ মিছিলের নির্ধারিত পথ পরিবর্তন করে পুলিশ। মিছিলের আগের শুরুর স্থান বাস্তিল চত্বরে মাইক ব্যবহার করে লোকজনকে সরে যেতে বলা হয়। অন্যথায় ১৩৫ (১৩৫) ইউরো জরিমানার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। মোতায়েনকৃত বাহিনীর সহায়তায় হেলিকপ্টার, সাঁজোয়া যান ও জলকামান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

মার্সেই শহরে পুলিশ বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ১৭ হাজার বলে জানিয়েছে। তবে শ্রমিক সংগঠন সিজিটি দাবি করেছে, সেখানে এক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তুলুজ শহরে কর্তৃপক্ষের হিসাবে বিক্ষোভে অংশ নেন ২৬ হাজার ৫০০ জন। এদিকে লিওঁ, নিস ও মন্টপেলিয়েসহ কয়েকটি শহরে সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। গত মাসে প্যারিসের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি উচ্চবিদ্যালয়ে কর্মীসংকটের প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলন বর্তমানে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নত পরিবেশের পাশাপাশি শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষক অনুপস্থিতির কারণে প্রায় ১ কোটি ৫৪ লাখ ঘণ্টার পাঠদান ব্যাহত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের ১০ দফা দাবিতে শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে মাসিক ভাতা ২০০ ইউরো বাড়ানো এবং ছাত্রাবাসের ভাড়া স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

২০১৭ (২০১৭) সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত সবচেয়ে কম জনপ্রিয়তার মুখে পড়েছেন মধ্যপন্থী প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। তাঁর মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে এই সংকট আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তবে শহরের কেন্দ্র, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন সুরক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। বিক্ষোভের কারণে নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় প্যারিসের ল্যুভর, ওর্সে জাদুঘর, পিকাসো জাদুঘর ও গ্রঁ পালে বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া অস্থিরতার আশঙ্কায় আর্ট বাসেল প্রদর্শনীও বাতিল করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ শুক্রবার উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ব্যবস্থা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও, সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। এদিকে ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের সংগঠকরা আগামী ৩১ অক্টোবর আবারও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন।

কট্টর ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র‍্যালি সরকারের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার অভিযোগ এনেছে। অন্যদিকে, সরকারি নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করে শ্রমিক সংগঠনগুলো এটিকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছে। ওর্লেয়াঁ শহরে ন্যাশনাল র‍্যালির সম্মেলনের বিপরীতেও হাজারো মানুষ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছেন। গত সপ্তাহের বিক্ষোভে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের প্রস্তাব গ্রহণ করেননি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিক্ষোভে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকা এড়িয়ে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে নির্ধারিত পথে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। তবে নিষেধাজ্ঞা ও চলাচলে বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেও বিপুলসংখ্যক মানুষ এতে অংশ নেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ফ্রান্সের সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় মোট ১ কোটি ৫৪ লাখ ঘণ্টার পাঠদান ব্যাহত হয়েছে। অনুপস্থিত শিক্ষকদের পরিবর্তে বিকল্প শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়ায় নির্ধারিত পাঠদানের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ সম্পন্ন করা যায়নি।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং শিক্ষা খাতে অর্থায়ন বৃদ্ধির দাবিতে শনিবার প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সরকারের বিরুদ্ধে এই বিশাল বিক্ষোভ তার নেতৃত্বের জন্য নতুন করে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে প্যারিস, লিওঁ, ক্লেরমঁ-ফেরাঁ ও স্ত্রাসবুর্গ শহরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এছাড়া নিস, নঁতে এবং মার্সেই শহরে বিক্ষোভকারীদের দমাতে জলকামান ব্যবহার করা হয়েছে।

প্যারিসের সরকারি কৌঁসুলির দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবারের বিক্ষোভে সহিংসতা, সম্পদের ক্ষতিসাধন এবং অস্ত্রসংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে ৬৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪০ জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছয়জন অপ্রাপ্তবয়স্ক। বিক্ষোভ মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ সারা দেশে ৭০ হাজার পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। শুক্রবার প্যারিসে বিক্ষোভ মিছিলের নির্ধারিত পথ পরিবর্তন করে পুলিশ। মিছিলের আগের শুরুর স্থান বাস্তিল চত্বরে মাইক ব্যবহার করে লোকজনকে সরে যেতে বলা হয়। অন্যথায় ১৩৫ (১৩৫) ইউরো জরিমানার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। মোতায়েনকৃত বাহিনীর সহায়তায় হেলিকপ্টার, সাঁজোয়া যান ও জলকামান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল।

মার্সেই শহরে পুলিশ বিক্ষোভকারীর সংখ্যা ১৭ হাজার বলে জানিয়েছে। তবে শ্রমিক সংগঠন সিজিটি দাবি করেছে, সেখানে এক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তুলুজ শহরে কর্তৃপক্ষের হিসাবে বিক্ষোভে অংশ নেন ২৬ হাজার ৫০০ জন। এদিকে লিওঁ, নিস ও মন্টপেলিয়েসহ কয়েকটি শহরে সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। গত মাসে প্যারিসের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি উচ্চবিদ্যালয়ে কর্মীসংকটের প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলন বর্তমানে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নত পরিবেশের পাশাপাশি শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষক অনুপস্থিতির কারণে প্রায় ১ কোটি ৫৪ লাখ ঘণ্টার পাঠদান ব্যাহত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের ১০ দফা দাবিতে শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে মাসিক ভাতা ২০০ ইউরো বাড়ানো এবং ছাত্রাবাসের ভাড়া স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

২০১৭ (২০১৭) সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত সবচেয়ে কম জনপ্রিয়তার মুখে পড়েছেন মধ্যপন্থী প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। তাঁর মেয়াদের শেষ পর্যায়ে এসে এই সংকট আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তবে শহরের কেন্দ্র, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি ভবন সুরক্ষায় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। বিক্ষোভের কারণে নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় প্যারিসের ল্যুভর, ওর্সে জাদুঘর, পিকাসো জাদুঘর ও গ্রঁ পালে বন্ধ রাখা হয়। এছাড়া অস্থিরতার আশঙ্কায় আর্ট বাসেল প্রদর্শনীও বাতিল করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ শুক্রবার উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ব্যবস্থা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিলেও, সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা। এদিকে ইয়েলো ভেস্ট আন্দোলনের সংগঠকরা আগামী ৩১ অক্টোবর আবারও বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন।

কট্টর ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র‍্যালি সরকারের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার অভিযোগ এনেছে। অন্যদিকে, সরকারি নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করে শ্রমিক সংগঠনগুলো এটিকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছে। ওর্লেয়াঁ শহরে ন্যাশনাল র‍্যালির সম্মেলনের বিপরীতেও হাজারো মানুষ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করেছেন। গত সপ্তাহের বিক্ষোভে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের প্রস্তাব গ্রহণ করেননি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিক্ষোভে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। রাজধানীর কেন্দ্রীয় এলাকা এড়িয়ে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে নির্ধারিত পথে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। তবে নিষেধাজ্ঞা ও চলাচলে বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেও বিপুলসংখ্যক মানুষ এতে অংশ নেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ফ্রান্সের সরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক অনুপস্থিত থাকায় মোট ১ কোটি ৫৪ লাখ ঘণ্টার পাঠদান ব্যাহত হয়েছে। অনুপস্থিত শিক্ষকদের পরিবর্তে বিকল্প শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়ায় নির্ধারিত পাঠদানের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ সম্পন্ন করা যায়নি।