সুকান্ত বিকাশ ধর, সাতকানিয়া: সাতকানিয়া উপজেলার চট্টগ্রাম -কক্সবাজার মহাসড়কে মিনি বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বাসে আগুন, পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মীরনগর ও রসূলাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. হাসিবুল ইসলাম (২২), মোহাম্মদ হোসাইন (৩০), লিয়াকত সিকদার (২৪) ও মো. আজাহার সিকদার (১৯)। তারা উভয়ই কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলাবাদ এবং মীরনগর এলাকার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর পাশাপাশি নাশকতা, পুলিশের কর্তব্য পালনে বাধা ও সরকারি সম্পদ ক্ষতিসাধনের অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়েছে। অপরদিকে, দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকেও আরও একটি মামলা থানায় প্রক্রিয়াধীন বলে থানার ওসি মো.আবদুল আলীম এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো.জাহিদ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম -কক্সবাজার মহাসড়কের কালিয়াইশ ইউনিয়নের নয়াখালের উত্তর পাশে ডিবিএম ইটভাটা এলাকায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা দেলোয়ার হোসেন (৩২) ও তার দুই বছর বয়সী মেয়ে ওয়াসিফার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও চারজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত লোকজন ঘাতক বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়, দুর্ভোগে পড়েন হাজারো যাত্রী।

এ সময় ঘটনাস্থলে যাওয়া হাইওয়ে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। পরে সাতকানিয়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) জাহেদের নেতৃত্বে একটি টহল টিম ঘটনাস্থলে গেলে তাদের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর এবং অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এমনকি আগুন নেভাতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদেরও বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন বলে জানা গেছে।

পরে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শুক্রবার রাতে থানা পুলিশের টহল দলের দায়িত্বে থাকা এসআই জাহেদ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হতাহতদের উদ্ধারের জন্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যায়৷ পথিমধ্যে দুষ্কৃতিকারীরা আমাদের উপর হামলার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

এদিকে, দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে মহাসড়কে নিষিদ্ধ সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে টোকেন বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবদুল আলীম বলেন, পুলিশের উপর হামলা-গাড়ি ভাংচুরসহ বিভিন্ন নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের শনিবার বিকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া বাবা-মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায়ও একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার বাইরেও কেউ জড়িত কিনা তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।

সুকান্ত বিকাশ ধর, সাতকানিয়া: সাতকানিয়া উপজেলার চট্টগ্রাম -কক্সবাজার মহাসড়কে মিনি বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা ও মেয়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বাসে আগুন, পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন পুলিশ।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মীরনগর ও রসূলাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মো. হাসিবুল ইসলাম (২২), মোহাম্মদ হোসাইন (৩০), লিয়াকত সিকদার (২৪) ও মো. আজাহার সিকদার (১৯)। তারা উভয়ই কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রসুলাবাদ এবং মীরনগর এলাকার বাসিন্দা।

এ ঘটনায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ এর পাশাপাশি নাশকতা, পুলিশের কর্তব্য পালনে বাধা ও সরকারি সম্পদ ক্ষতিসাধনের অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়েছে। অপরদিকে, দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকেও আরও একটি মামলা থানায় প্রক্রিয়াধীন বলে থানার ওসি মো.আবদুল আলীম এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

সাতকানিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো.জাহিদ বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম -কক্সবাজার মহাসড়কের কালিয়াইশ ইউনিয়নের নয়াখালের উত্তর পাশে ডিবিএম ইটভাটা এলাকায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা দেলোয়ার হোসেন (৩২) ও তার দুই বছর বয়সী মেয়ে ওয়াসিফার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও চারজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত লোকজন ঘাতক বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়, দুর্ভোগে পড়েন হাজারো যাত্রী।

এ সময় ঘটনাস্থলে যাওয়া হাইওয়ে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। পরে সাতকানিয়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) জাহেদের নেতৃত্বে একটি টহল টিম ঘটনাস্থলে গেলে তাদের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর এবং অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এমনকি আগুন নেভাতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদেরও বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন বলে জানা গেছে।

পরে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শুক্রবার রাতে থানা পুলিশের টহল দলের দায়িত্বে থাকা এসআই জাহেদ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হতাহতদের উদ্ধারের জন্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যায়৷ পথিমধ্যে দুষ্কৃতিকারীরা আমাদের উপর হামলার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

এদিকে, দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে মহাসড়কে নিষিদ্ধ সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে টোকেন বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবদুল আলীম বলেন, পুলিশের উপর হামলা-গাড়ি ভাংচুরসহ বিভিন্ন নাশকতার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের শনিবার বিকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া বাবা-মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায়ও একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার বাইরেও কেউ জড়িত কিনা তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে।