জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান সরকার কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগ এবং ভারতের সঙ্গে এক ধরনের সমঝোতা করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দলীয়করণের প্রতিবাদে আগামী ৩০ অক্টোবর গণবিক্ষোভ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম সরকারপ্রধানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত এবং উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মতো ঘটনা। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে সরকার ও বিএনপি আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংককে কাছে টানার জন্য তারা মিথ্যা মামলা ও মামলা বাণিজ্যের আশ্রয় নিয়েছে এবং ব্ল্যাকমেইল করেছে। গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নিয়েও সরকার স্পষ্ট কোনো অবস্থান নিতে পারছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি সরকারকে নিজেদের দিকে তাকাতে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, শুধু ব্যক্তি বা সরকারের পরিবর্তন হলেই হবে না, পুরো বন্দোবস্তের পরিবর্তন হতে হবে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নাহিদ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখন মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, এলপিজি গ্যাসের দাম নির্বাচনের পরে ১ হাজার ২০০ টাকা থাকলেও বর্তমানে সরকারি হিসাবে তা ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং বেসরকারি বাজারে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে জনগণ অসহায়বোধ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের পাশে আছে। এই ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জ্বালানি মন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, একদিকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সন্ত্রাস ও মাদক কারবারিদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, অন্যদিকে বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের ওপর দমনপীড়ন চলছে। সাংবাদিকদের ওপর দমনপীড়ন সবচেয়ে বেশি চলছে উল্লেখ করে তিনি নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে এক সাংবাদিককে গুলি করার ঘটনা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকায় ৬০টি যানবাহনে ডাকাতির ঘটনার কথা তুলে ধরেন। সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই একদলীয় কমিটি জনগণের সঙ্গে প্রহসন করছে। তিনি এই কমিটি অবিলম্বে বিলুপ্ত করে গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানান। এছাড়া প্রস্তাবিত সাইবার আইন সংশোধনীর তীব্র বিরোধিতা করে তিনি বলেন, এটি কোনোভাবেই সংসদে পাস হতে দেওয়া হবে না।

কর্মসূচিতে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়রপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ এবং দক্ষিণের মেয়রপ্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান সরকার কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা থাকা আওয়ামী লীগ এবং ভারতের সঙ্গে এক ধরনের সমঝোতা করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দলীয়করণের প্রতিবাদে আগামী ৩০ অক্টোবর গণবিক্ষোভ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণকালে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলাম সরকারপ্রধানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, এটি অত্যন্ত অনাকাঙ্ক্ষিত এবং উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপানোর মতো ঘটনা। তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের আগে সরকার ও বিএনপি আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা করে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংককে কাছে টানার জন্য তারা মিথ্যা মামলা ও মামলা বাণিজ্যের আশ্রয় নিয়েছে এবং ব্ল্যাকমেইল করেছে। গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নিয়েও সরকার স্পষ্ট কোনো অবস্থান নিতে পারছে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি সরকারকে নিজেদের দিকে তাকাতে, দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, শুধু ব্যক্তি বা সরকারের পরিবর্তন হলেই হবে না, পুরো বন্দোবস্তের পরিবর্তন হতে হবে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে নাহিদ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখন মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, এলপিজি গ্যাসের দাম নির্বাচনের পরে ১ হাজার ২০০ টাকা থাকলেও বর্তমানে সরকারি হিসাবে তা ১ হাজার ৮০০ টাকা এবং বেসরকারি বাজারে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে জনগণ অসহায়বোধ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের পাশে আছে। এই ব্যর্থতার দায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জ্বালানি মন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগের দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, একদিকে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সন্ত্রাস ও মাদক কারবারিদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, অন্যদিকে বিরোধী দল ও সাধারণ মানুষের ওপর দমনপীড়ন চলছে। সাংবাদিকদের ওপর দমনপীড়ন সবচেয়ে বেশি চলছে উল্লেখ করে তিনি নেত্রকোনায় প্রকাশ্যে এক সাংবাদিককে গুলি করার ঘটনা এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকায় ৬০টি যানবাহনে ডাকাতির ঘটনার কথা তুলে ধরেন। সংবিধান সংশোধন কমিটি প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, এই একদলীয় কমিটি জনগণের সঙ্গে প্রহসন করছে। তিনি এই কমিটি অবিলম্বে বিলুপ্ত করে গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের আহ্বান জানান। এছাড়া প্রস্তাবিত সাইবার আইন সংশোধনীর তীব্র বিরোধিতা করে তিনি বলেন, এটি কোনোভাবেই সংসদে পাস হতে দেওয়া হবে না।

কর্মসূচিতে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে এনসিপির মেয়রপ্রার্থী আসিফ মাহমুদ এবং দক্ষিণের মেয়রপ্রার্থী নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।