ঐতিহাসিক পল্টন ট্র্যাজেডির দুই দশক পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে দলটি এই উদ্যোগ নিয়েছে। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই কর্মসূচিগুলোর ঘোষণা দেন।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২৮ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ শাখা যৌথভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে। পাশাপাশি সারাদেশের জেলা ও মহানগরী শাখাগুলোকেও বিক্ষোভ মিছিল, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে আওয়ামী লীগ লগি-বৈঠার নজিরবিহীন তাণ্ডব চালিয়েছিল। সে সময় নৃশংসভাবে মানুষ পিটিয়ে হত্যার মাধ্যমে দলটি প্রায় দুই দশকের ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। জামায়াতের দাবি, পল্টন ট্র্যাজেডি ঘটানোর মাধ্যমে দীর্ঘ দুই দশক ধরে দেশের গণতন্ত্র হত্যা এবং নাগরিক অধিকার হরণ করে রাখা হয়েছিল।

ঐতিহাসিক পল্টন ট্র্যাজেডির দুই দশক পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে দলটি এই উদ্যোগ নিয়েছে। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই কর্মসূচিগুলোর ঘোষণা দেন।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২৮ অক্টোবর জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ শাখা যৌথভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করবে। পাশাপাশি সারাদেশের জেলা ও মহানগরী শাখাগুলোকেও বিক্ষোভ মিছিল, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন ও জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সামনে আওয়ামী লীগ লগি-বৈঠার নজিরবিহীন তাণ্ডব চালিয়েছিল। সে সময় নৃশংসভাবে মানুষ পিটিয়ে হত্যার মাধ্যমে দলটি প্রায় দুই দশকের ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল। জামায়াতের দাবি, পল্টন ট্র্যাজেডি ঘটানোর মাধ্যমে দীর্ঘ দুই দশক ধরে দেশের গণতন্ত্র হত্যা এবং নাগরিক অধিকার হরণ করে রাখা হয়েছিল।