নগর প্রতিবেদক: নগরের পাহাড়তলী কিন্ডার গার্টেন স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে পড়ত অনুশ্রী দাশ। সুবল-লিপি দম্পতির দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে অনুশ্রী ছিল ছোট। গত ২ আগস্ট ধুমধাম করে অনুশ্রীর জন্মদিন পালন করা হয়। গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে ইমপেরিয়াল হাসপাতালে মারা যায় সে। রাতেই তাকে সীতাকুণ্ডের শংকর মঠের মহাশ্মশানে সৎকার করা হয়।

জানা গেছে, জ্বর আক্রান্ত হওয়ার পর ১৪ সেপ্টেম্বর অনুশ্রীকে প্রথম স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। অনুশ্রীর পিতা সুবল বলেন, মেয়ের পরীক্ষার রিপোর্ট ভালো ছিল। কিন্তু মুখে খেতে পারছিল না। শুক্রবার তাকে ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভর্তি করি। বিকেলে রিপোর্টে প্লাটিলেট কমে সাড়ে ২৩ হাজারে দাঁড়ায়। তখন ডাক্তাররা বললেন, তাকে শিশুদের আইসিইউতে ভর্তি করতে হবে। সুবল চন্দ্র মেয়েকে নিয়ে ডায়াবেটিস হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে পড়েন আইসিইউর জন্য। মেডিকেল সেন্টার, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ, মা ও শিশু হাসপাতাল কোথাও আইসিইউ খালি পাননি। পরে বাধ্য হয়ে ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করে।

সুবল বলেন, ইমপেরিয়াল হাসপাতালের আইসিইউতে শুক্রবার রাত ১টার দিকে মেয়েকে দেখতে যাই। মেয়ে তখন আমাকে বলে বাবা আমি বাসায় যাব। চিকিৎসকেরা দুপুরে ডেকে বলেন, তাকে লাইফ সাপোর্টে দিতে হবে। আমি বুঝতে পারলাম আমার মেয়ে চলে যাচ্ছে। শনিবার বেলা ৩টা ২২ মিনিটে সুবল চন্দ্র দাশ আবার স্ট্যাটাস দেন, আমার অনুশ্রী লাইফ সাপোর্টে। দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় সুবল মেয়ের মৃত্যু সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেন, আমার মেয়ে অনুশ্রী আর নেই।

দিবাগত রাত পৌনে ৪টায় মেয়ের শেষ যাত্রার ছবি দিয়ে সুবল আবার লিখেন, আমার মামণি অনুশ্রীকে কত সুন্দর করে সাজিয়ে দিলাম বাবার কত আদরের মেয়ে ছিল ঈশ্বরের চরণে শেষ বিদায় দিয়ে আসলাম।

সুবল বলেন, শনিবার দুপুরে লাইফ সাপোর্টে দেওয়ার আগে মেয়ে অনেক কষ্টে আমাকে শুধু বলেছে, বাবা আমি বাসায় যাব। আমার কলিজা চলে গেছে। আমার কলিজাকে আমি শত চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারিনি।

নগর প্রতিবেদক: নগরের পাহাড়তলী কিন্ডার গার্টেন স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে পড়ত অনুশ্রী দাশ। সুবল-লিপি দম্পতির দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে অনুশ্রী ছিল ছোট। গত ২ আগস্ট ধুমধাম করে অনুশ্রীর জন্মদিন পালন করা হয়। গত শনিবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে ইমপেরিয়াল হাসপাতালে মারা যায় সে। রাতেই তাকে সীতাকুণ্ডের শংকর মঠের মহাশ্মশানে সৎকার করা হয়।

জানা গেছে, জ্বর আক্রান্ত হওয়ার পর ১৪ সেপ্টেম্বর অনুশ্রীকে প্রথম স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। অনুশ্রীর পিতা সুবল বলেন, মেয়ের পরীক্ষার রিপোর্ট ভালো ছিল। কিন্তু মুখে খেতে পারছিল না। শুক্রবার তাকে ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভর্তি করি। বিকেলে রিপোর্টে প্লাটিলেট কমে সাড়ে ২৩ হাজারে দাঁড়ায়। তখন ডাক্তাররা বললেন, তাকে শিশুদের আইসিইউতে ভর্তি করতে হবে। সুবল চন্দ্র মেয়েকে নিয়ে ডায়াবেটিস হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে পড়েন আইসিইউর জন্য। মেডিকেল সেন্টার, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, সার্জিস্কোপ, মা ও শিশু হাসপাতাল কোথাও আইসিইউ খালি পাননি। পরে বাধ্য হয়ে ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করে।

সুবল বলেন, ইমপেরিয়াল হাসপাতালের আইসিইউতে শুক্রবার রাত ১টার দিকে মেয়েকে দেখতে যাই। মেয়ে তখন আমাকে বলে বাবা আমি বাসায় যাব। চিকিৎসকেরা দুপুরে ডেকে বলেন, তাকে লাইফ সাপোর্টে দিতে হবে। আমি বুঝতে পারলাম আমার মেয়ে চলে যাচ্ছে। শনিবার বেলা ৩টা ২২ মিনিটে সুবল চন্দ্র দাশ আবার স্ট্যাটাস দেন, আমার অনুশ্রী লাইফ সাপোর্টে। দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় সুবল মেয়ের মৃত্যু সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেন, আমার মেয়ে অনুশ্রী আর নেই।

দিবাগত রাত পৌনে ৪টায় মেয়ের শেষ যাত্রার ছবি দিয়ে সুবল আবার লিখেন, আমার মামণি অনুশ্রীকে কত সুন্দর করে সাজিয়ে দিলাম বাবার কত আদরের মেয়ে ছিল ঈশ্বরের চরণে শেষ বিদায় দিয়ে আসলাম।

সুবল বলেন, শনিবার দুপুরে লাইফ সাপোর্টে দেওয়ার আগে মেয়ে অনেক কষ্টে আমাকে শুধু বলেছে, বাবা আমি বাসায় যাব। আমার কলিজা চলে গেছে। আমার কলিজাকে আমি শত চেষ্টা করেও বাঁচাতে পারিনি।