স্টাফ রিপোর্টার, চকরিয়া : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং ইছাছড়ি ছড়াখাল ও পাশে ফসলি জমি কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ছবি ভিডিও ধারনকালে স্থানীয় তিন সাংবাদিকের উপর হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এক নম্বর আসামি আলোচিত বালুদস্যুু সন্ত্রাসী নাজিম উদ্দীনকে (৪৬)কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ নিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইরফানুল হক চৌধুরী মামলার জামিন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। জেলহাজতে পাঠানো আসামি নাজিম উদ্দিন চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাং কোরবানিয়াঘোনা গ্রামের মৃত খুইল্যা মিয়ার ছেলে। সাংবাদিকদের উপর হামলার চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন সন্ত্রাসী নাজিম।

এরই মধ্যে গত কোরবানি ঈদের আগে (মে মাসে) মামলার ১ নম্বর আসামি নাজিম উদ্দীন, ২ নম্বর আসামি তাঁর ভাই সাহাব উদ্দিন, ৩ নম্বর আসামি সহযোগী নুরুল আলম উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে আসেন। ইতোমধ্যে হাইকোর্ট থেকে নেওয়া জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার (৩০ জুন) কক্সবাজারের অতিরিক্ত চীফ জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে আবার জামিনের জন্য আবেদন করেন। আদালত জামিন শুনানি শেষে মামলার এক নম্বর আসামি নাজিম উদ্দীনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই আদেশে আদালত মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল না হওয়া পর্যন্ত অপর দুই আসামিকে জামিন দেন।

আদালতে মামলার বাদি সাংবাদিকদের পক্ষে আইনী সহায়তা দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট অনিল কান্তি বড়ুয়া ও এডভোকেট লুৎফুর রহমান মিনার।

তাঁরা বলেছেন, ‘চকরিয়া উপজেলার তিনজন সিনিয়র সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি নাজিম উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে আজ মঙ্গলবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থায়ী জামিন নিতে এসেছিলেন। এ সময় মামলাটির শুনানি হয় অতিরিক্ত চীফ জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে। এসময় আদালত এক নম্বর আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল না করা পর্যন্ত অপর দুই আসামিকে জামিন দেন।’

আদালতে আসামিদের পক্ষে জামিন শুনানিতে ছিলেন কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট আবদুল মান্নান, সাবেক সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তৌহিদুল আনোয়ার সহ আরো ১০/১২ জন।

জানা গেছে, হামলার শিকার তিন সাংবাদিকের মধ্যে এম জিয়াবুল হক দৈনিক সংবাদ, সুপ্রভাত বাংলাদেশ, ছোটন কান্তি নাথ দৈনিক কালের কণ্ঠ, দৈনিক আজাদী এবং এ কে এম ইকবাল ফারুক দৈনিক আমার দেশ, দৈনিক পুর্বদেশ পত্রিকার চকরিয়া প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এরইমধ্যে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাং ইছাছড়ি এলাকার হারবাং ছড়াখাল থেকে এবং আশপাশের ফসলি জমি কেটে বালুদস্যু নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং সরকারি আশ্রয়নের পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছিলেন।

এ খবর পেয়ে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনজন সাংবাদিক ওই এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে যায়। এ সময় অবৈধ বালু উত্তোলনের ছবি- ভিডিও চিত্র ধারনকালে নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে তার বাহিনীর একদল সন্ত্রাসী জড়ো হয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় সাংবাদিক এম জিয়াবুল হকের ডান হাত ভেঙে যায়। বেদড়ক মারধরে মারাত্মক জখমপ্রাপ্ত হন সাংবাদিক ইকবাল ফারুক ও ছোটন কান্তি নাথ।

এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক এ কে এম ইকবাল ফারুক বাদী হয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারী চকরিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করেন। মামলায় নাজিম উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১০জনের নাম উল্লেখ করা হয়। আরও ১৪ থেকে ১৫জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

স্টাফ রিপোর্টার, চকরিয়া : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং ইছাছড়ি ছড়াখাল ও পাশে ফসলি জমি কেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ছবি ভিডিও ধারনকালে স্থানীয় তিন সাংবাদিকের উপর হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এক নম্বর আসামি আলোচিত বালুদস্যুু সন্ত্রাসী নাজিম উদ্দীনকে (৪৬)কে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ নিয়েছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে কক্সবাজারের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইরফানুল হক চৌধুরী মামলার জামিন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। জেলহাজতে পাঠানো আসামি নাজিম উদ্দিন চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাং কোরবানিয়াঘোনা গ্রামের মৃত খুইল্যা মিয়ার ছেলে। সাংবাদিকদের উপর হামলার চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন সন্ত্রাসী নাজিম।

এরই মধ্যে গত কোরবানি ঈদের আগে (মে মাসে) মামলার ১ নম্বর আসামি নাজিম উদ্দীন, ২ নম্বর আসামি তাঁর ভাই সাহাব উদ্দিন, ৩ নম্বর আসামি সহযোগী নুরুল আলম উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে আসেন। ইতোমধ্যে হাইকোর্ট থেকে নেওয়া জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার (৩০ জুন) কক্সবাজারের অতিরিক্ত চীফ জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে আবার জামিনের জন্য আবেদন করেন। আদালত জামিন শুনানি শেষে মামলার এক নম্বর আসামি নাজিম উদ্দীনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই আদেশে আদালত মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল না হওয়া পর্যন্ত অপর দুই আসামিকে জামিন দেন।

আদালতে মামলার বাদি সাংবাদিকদের পক্ষে আইনী সহায়তা দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট অনিল কান্তি বড়ুয়া ও এডভোকেট লুৎফুর রহমান মিনার।

তাঁরা বলেছেন, ‘চকরিয়া উপজেলার তিনজন সিনিয়র সাংবাদিককে হত্যা চেষ্টা মামলার প্রধান আসামি নাজিম উদ্দিন উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে আজ মঙ্গলবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থায়ী জামিন নিতে এসেছিলেন। এ সময় মামলাটির শুনানি হয় অতিরিক্ত চীফ জুড়িসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে। এসময় আদালত এক নম্বর আসামির জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল না করা পর্যন্ত অপর দুই আসামিকে জামিন দেন।’

আদালতে আসামিদের পক্ষে জামিন শুনানিতে ছিলেন কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট আবদুল মান্নান, সাবেক সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট তৌহিদুল আনোয়ার সহ আরো ১০/১২ জন।

জানা গেছে, হামলার শিকার তিন সাংবাদিকের মধ্যে এম জিয়াবুল হক দৈনিক সংবাদ, সুপ্রভাত বাংলাদেশ, ছোটন কান্তি নাথ দৈনিক কালের কণ্ঠ, দৈনিক আজাদী এবং এ কে এম ইকবাল ফারুক দৈনিক আমার দেশ, দৈনিক পুর্বদেশ পত্রিকার চকরিয়া প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এরইমধ্যে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের উত্তর হারবাং ইছাছড়ি এলাকার হারবাং ছড়াখাল থেকে এবং আশপাশের ফসলি জমি কেটে বালুদস্যু নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং সরকারি আশ্রয়নের পাহাড় কেটে মাটি বিক্রি করছিলেন।

এ খবর পেয়ে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনজন সাংবাদিক ওই এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে যায়। এ সময় অবৈধ বালু উত্তোলনের ছবি- ভিডিও চিত্র ধারনকালে নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে তার বাহিনীর একদল সন্ত্রাসী জড়ো হয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় সাংবাদিক এম জিয়াবুল হকের ডান হাত ভেঙে যায়। বেদড়ক মারধরে মারাত্মক জখমপ্রাপ্ত হন সাংবাদিক ইকবাল ফারুক ও ছোটন কান্তি নাথ।

এ ঘটনায় আহত সাংবাদিক এ কে এম ইকবাল ফারুক বাদী হয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারী চকরিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করেন। মামলায় নাজিম উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে ১০জনের নাম উল্লেখ করা হয়। আরও ১৪ থেকে ১৫জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।