দি ক্রাইম ডেস্ক: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ে উপজেলাভিত্তিক বিশেষ কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জেলা বিএনপির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ কমিটি গঠন করা হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া ও সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিগুলোর নাম ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গঠিত কমিটিগুলো স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরামর্শ এবং সাধারণ জনগণ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সরাসরি মতামত নেবে। এরপর বাস্তবভিত্তিক পর্যালোচনা করে আগামী ১০ দিনের মধ্যে গোপনীয় প্রতিবেদন হিসেবে জেলা কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনার পর সমন্বিত উদ্যোগ ও আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।

প্রার্থীর যোগ্যতা মূল্যায়নের জন্য ৬টি সুনির্দিষ্ট মাপকাঠি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো— প্রার্থীর নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর; বর্তমান ও অতীত কার্যকালসহ সাংগঠনিক পদবির বিবরণ; বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও মামলা-মোকদ্দমার বিবরণ; দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা; সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা।

ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী আনোয়ারা উপজেলায় রয়েছেন, মাষ্টার মোহাম্মদ রফিক, সরোয়ার হোসেন মাসুদ, জাগির আহমদ, আমিনুল ইসলাম, দিল মোহাম্মদ মনজু ও এম মনছুর উদ্দিন।

কর্ণফুলীতে আছেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, এস এম মামুন মিয়া, হাজী মোহাম্মদ ওসমান, মোহাম্মদ ইসমাইল, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন ও সালেহ জহুর।

বাঁশখালীতে যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, আমিনুর রহমান চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মাষ্টার মোহাম্মদ লোকমান ও দেলোয়ার আজীম।

সাতকানিয়ায় জামাল হোসেন, মুজিবুর রহমান, হাজি মো. রফিকুল আলম, শেফায়ত উল্লাহ চক্ষু ও মোস্তফিজুর রহমান।

লোহাগাড়ায় আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, নাজমুল মোস্তফা আমিন, এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান, সালাহউদ্দিন চৌধুরী সোহেল ও ফৌজুল কবির ফজলু।

চন্দনাইশে নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, মোজাম্মেল হক বেলাল, খন্দকার হেলাল উদ্দিন, জসিম উদ্দিন ও ইখতিয়ার হোসেন চৌধুরী ইফতু।

বোয়ালখালী উপজেলায় আজিজুল হক চৌধুরী, শওকত আলম চৌধুরী, জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন ও মোহাম্মদ শাহীনুর শাহীন।

পটিয়াতে রেজাউল করিম নেচার, সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু, বদরুল খায়ের চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির, মোহাম্মদ ইব্রাহীম ও শাহাদাত হোসেন সুমন এবং উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক ইউনিটে রাজীব জাফর চৌধুরী ও দেলোয়ার হোসেন।

বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব লায়ন মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘দলীয় প্রতীক না থাকলেও সমর্থিত যোগ্য প্রার্থী ঘোষণা করা হবে এবং তাদের যাচাই-বাছাইয়ের জন্যই এই কমিটি করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা, রাজনৈতিক জীবন, কারাবরণ ও আন্দোলন-সংগ্রামে প্রার্থীর ভূমিকাসহ সামগ্রিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবেদন দেবেন। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ নির্বাচনে অংশ নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

দি ক্রাইম ডেস্ক: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ে উপজেলাভিত্তিক বিশেষ কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জেলা বিএনপির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ কমিটি গঠন করা হয়। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া ও সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিগুলোর নাম ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গঠিত কমিটিগুলো স্থানীয় জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পরামর্শ এবং সাধারণ জনগণ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সরাসরি মতামত নেবে। এরপর বাস্তবভিত্তিক পর্যালোচনা করে আগামী ১০ দিনের মধ্যে গোপনীয় প্রতিবেদন হিসেবে জেলা কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনার পর সমন্বিত উদ্যোগ ও আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে।

প্রার্থীর যোগ্যতা মূল্যায়নের জন্য ৬টি সুনির্দিষ্ট মাপকাঠি নির্ধারণ করা হয়েছে। সেগুলো হলো— প্রার্থীর নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর; বর্তমান ও অতীত কার্যকালসহ সাংগঠনিক পদবির বিবরণ; বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও মামলা-মোকদ্দমার বিবরণ; দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা; সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা।

ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী আনোয়ারা উপজেলায় রয়েছেন, মাষ্টার মোহাম্মদ রফিক, সরোয়ার হোসেন মাসুদ, জাগির আহমদ, আমিনুল ইসলাম, দিল মোহাম্মদ মনজু ও এম মনছুর উদ্দিন।

কর্ণফুলীতে আছেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, এস এম মামুন মিয়া, হাজী মোহাম্মদ ওসমান, মোহাম্মদ ইসমাইল, মোহাম্মদ ফারুক হোসেন ও সালেহ জহুর।

বাঁশখালীতে যুগ্ম আহ্বায়ক মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, আমিনুর রহমান চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, মাষ্টার মোহাম্মদ লোকমান ও দেলোয়ার আজীম।

সাতকানিয়ায় জামাল হোসেন, মুজিবুর রহমান, হাজি মো. রফিকুল আলম, শেফায়ত উল্লাহ চক্ষু ও মোস্তফিজুর রহমান।

লোহাগাড়ায় আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, নাজমুল মোস্তফা আমিন, এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান, সালাহউদ্দিন চৌধুরী সোহেল ও ফৌজুল কবির ফজলু।

চন্দনাইশে নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, মোজাম্মেল হক বেলাল, খন্দকার হেলাল উদ্দিন, জসিম উদ্দিন ও ইখতিয়ার হোসেন চৌধুরী ইফতু।

বোয়ালখালী উপজেলায় আজিজুল হক চৌধুরী, শওকত আলম চৌধুরী, জাবেদ মেহেদী হাসান সুজন ও মোহাম্মদ শাহীনুর শাহীন।

পটিয়াতে রেজাউল করিম নেচার, সাইফুদ্দীন সালাম মিঠু, বদরুল খায়ের চৌধুরী, শফিকুল ইসলাম চেয়ারম্যান, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির, মোহাম্মদ ইব্রাহীম ও শাহাদাত হোসেন সুমন এবং উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক ইউনিটে রাজীব জাফর চৌধুরী ও দেলোয়ার হোসেন।

বিজ্ঞপ্তির অনুলিপি দলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব লায়ন মো. হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘দলীয় প্রতীক না থাকলেও সমর্থিত যোগ্য প্রার্থী ঘোষণা করা হবে এবং তাদের যাচাই-বাছাইয়ের জন্যই এই কমিটি করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা এলাকায় গ্রহণযোগ্যতা, রাজনৈতিক জীবন, কারাবরণ ও আন্দোলন-সংগ্রামে প্রার্থীর ভূমিকাসহ সামগ্রিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রতিবেদন দেবেন। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ নির্বাচনে অংশ নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’