মনির আহম্মদ চৌধূরী,নগর প্রতিবেদক: ‎চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার আম বাগান এলাকায় দুই মেয়ে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বাতেন নামের এক মুয়াজ্জিনকে আটক করেছে পুলিশ।‎ শুক্রবার (২২ মে) রাতে খুলশী আবহাওয়া অফিস সংলগ্ন রেললাইনের পাশের একটি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

‎অভিযুক্ত বাতেন স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় খুলশী থানা পুলিশ।

ভুক্তভোগী শিশুদের পরিবার জানায়, দুই শিশু বাসায় ফিরতে দেরি করায় খোঁজ নিতে গিয়ে তাদের মসজিদের ভেতরে পাওয়া যায়। পরে শিশুদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায় যে, সবার ছুটি হলেও তাদের আলাদাভাবে আটকে রাখা হয় এবং অভিযুক্ত তাদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেন।

‎বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির সদস্যরা শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন। একই ধরনের অভিযোগ পাওয়ার পর কমিটির পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ‎তবে শিশুদের পরিবার আইনের মাধ্যমে বিচার দাবি করলে খুলশী থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

‎খবর পেয়ে ওসি আরিফুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে অভিযুক্তকে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ওসি আরিফুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

‎তিনি বলেন, কিছু মানুষ উত্তেজিত হয়ে মব তৈরির চেষ্টা করছিল। তবে পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। আমরা কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দিইনি।

‎তিনি আরও জানান, “শিশুদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হবে।”

‎পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শিশুদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

মনির আহম্মদ চৌধূরী,নগর প্রতিবেদক: ‎চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার আম বাগান এলাকায় দুই মেয়ে শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে বাতেন নামের এক মুয়াজ্জিনকে আটক করেছে পুলিশ।‎ শুক্রবার (২২ মে) রাতে খুলশী আবহাওয়া অফিস সংলগ্ন রেললাইনের পাশের একটি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

‎অভিযুক্ত বাতেন স্থানীয় একটি মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় খুলশী থানা পুলিশ।

ভুক্তভোগী শিশুদের পরিবার জানায়, দুই শিশু বাসায় ফিরতে দেরি করায় খোঁজ নিতে গিয়ে তাদের মসজিদের ভেতরে পাওয়া যায়। পরে শিশুদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া যায় যে, সবার ছুটি হলেও তাদের আলাদাভাবে আটকে রাখা হয় এবং অভিযুক্ত তাদের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করেন।

‎বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির সদস্যরা শিশুদের সঙ্গে কথা বলেন। একই ধরনের অভিযোগ পাওয়ার পর কমিটির পক্ষ থেকে অভিযুক্তকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ‎তবে শিশুদের পরিবার আইনের মাধ্যমে বিচার দাবি করলে খুলশী থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

‎খবর পেয়ে ওসি আরিফুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে অভিযুক্তকে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ওসি আরিফুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

‎তিনি বলেন, কিছু মানুষ উত্তেজিত হয়ে মব তৈরির চেষ্টা করছিল। তবে পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। আমরা কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দিইনি।

‎তিনি আরও জানান, “শিশুদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে অভিযুক্তকে আদালতে পাঠানো হবে।”

‎পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শিশুদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।