নিজস্ব প্রতিনিধি: কক্সবাজারের কুতুaবদিয়া-মগনামা নৌরুটে চলাচলকারী সি-ট্রাকে টিকেটবিহীন যাত্রী পরিবহনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় যাত্রী সংখ্যা গোপন রেখে রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

ভুক্তভোগী যাত্রী মো. হিজবুল্লাহ অভিযোগ করে জানান, একটি ট্রিপে প্রায় ৬০ জন যাত্রী পরিবহন করা হলেও টিকেট দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৪০ জনকে। বাকি প্রায় ২০ জন যাত্রীকে কোনো টিকেট প্রদান করা হয় না। এতে প্রকৃত যাত্রী সংখ্যা গোপন রাখা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এ অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-কে কম যাত্রী দেখিয়ে প্রকৃত আয় গোপন করা।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। পাশাপাশি নৌরুটটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে এবং ভবিষ্যতে কুতুবদিয়া-মগনামা নৌপথে সি-ট্রাক চলাচলের স্থায়িত্বও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও যাত্রীরা। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিনিধি: কক্সবাজারের কুতুaবদিয়া-মগনামা নৌরুটে চলাচলকারী সি-ট্রাকে টিকেটবিহীন যাত্রী পরিবহনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় যাত্রী সংখ্যা গোপন রেখে রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

ভুক্তভোগী যাত্রী মো. হিজবুল্লাহ অভিযোগ করে জানান, একটি ট্রিপে প্রায় ৬০ জন যাত্রী পরিবহন করা হলেও টিকেট দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৪০ জনকে। বাকি প্রায় ২০ জন যাত্রীকে কোনো টিকেট প্রদান করা হয় না। এতে প্রকৃত যাত্রী সংখ্যা গোপন রাখা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এ অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-কে কম যাত্রী দেখিয়ে প্রকৃত আয় গোপন করা।

স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। পাশাপাশি নৌরুটটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে এবং ভবিষ্যতে কুতুবদিয়া-মগনামা নৌপথে সি-ট্রাক চলাচলের স্থায়িত্বও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী ও যাত্রীরা। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।