নগর প্রতিবেদক: ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়নের প্রাক্কালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান এফসিএমএ চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সদস্য ও অত্র অঞ্চলের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে আজ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) বিকালে আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ কনফারেন্স হলে এক প্রাক- বাজেট মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চেম্বার প্রশাসক মো: মোতাহার হোসেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান বলেন,একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের জন্য রাজস্ব সংগ্রহের চাপ থাকে। কিন্তু সবাইকে চাপে ফেলে আমরা রাজস্ব সংগ্রহ না করে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন এর জন্য করহার যৌক্তিক করা হবে। যারা ভ্যাট ও ট্যাক্স নিয়ে দ্বিধায় আছেন তাদেরকে উৎসাহিত করার জন্য সিস্টেম আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। যারা অগ্রিম কর বা অতিরিক্ত ভ্যাট কিংবা অগ্রিম আয়কর প্রদান করেন তা সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত রিফান্ডের জন্য সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন,সরকার বন্ড ম্যানেজমেন্ট ট্যাক্স, ভ্যাট ও কাস্টমস ব্যবস্থাপনা কিভাবে আধুনিক ও পেপারলেস করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছে। এজন্য বর্তমান সরকার ট্যাক্স, ভ্যাট ও কাস্টমস ডিউটি দিতে যাতে কেউ কার্পন্য না করে সে জন্য নিয়মগুলোকে ডিরেগুলেট করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া নন-কমপ্লায়েন্স করদাতাদের ক্ষেত্রে ম্যানুয়েল পদ্ধতি বন্ধ, কাস্টমস এর ক্ষেত্রে ইচ্ছামাফিক কায়িক পরীক্ষা বন্ধ এবং বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত পণ্য পুনরায় রপ্তানির সাথে সমন্বয় হলে ব্যবসায়ীরা যাতে হয়রানীর শিকার না হয় সেজন্য বন্ড ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, করদাতারা যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে সারাবছর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন সেই ব্যবস্থা নিচ্ছে এনবিআর। এছাড়া ব্যবসায়ীরা যাতে এনবিআর অফিসে ঘুরতে না হয় সেজন্য সবকিছু অটোমেশন করা হয়েছে। ফলে সিঙ্গেল উইন্ডোর মাধ্যমে সার্টিফিকেট অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে চিটাগাং চেম্বার প্রশাসক মো: মোতাহার হোসেন বলেন, আমদানি পর্যায়ে করহার পুনর্বিন্যাস ও দেশীয় শিল্প সুরক্ষার জন্য নানাবিধ প্রণোদনার বিকল্প উপায় বের করতে হবে। ট্যাক্স সিস্টেমের সময়োপযোগী সংস্কারের মাধ্যমে ট্যাক্স জিডিপি অনুপাতও কাঙ্খিত মাত্রায় উন্নীত করতে হবে। চেম্বার প্রশাসক বর্তমানে মূল্যস্ফীতির কথা বিবেচনায় সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৫ লক্ষ টাকা করার প্রস্তাব করেন। এক্ষেত্রে অধিকাংশ করদাতা ১ম ও ২য় ধাপের মধ্যবর্তী শ্রেণীর, তাই তাদের কথা বিবেচনায় রেখে ১ম ধাপে ৫%-৭.৫% এবং ২য় ধাপে ১০%-১২.৫% করার প্রস্তাব করেন। পরবর্তী ধাপগুলো যৌক্তিকহারে নির্ধারণ করার জন্যও এনবিআর এর প্রতি প্রস্তাব করেন। চেম্বার প্রশাসক বৈশ্বিক জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় পরিবেশবান্ধব ইলেক্ট্রিক্যাল ভেহিক্যাল আমদানিতে শুল্ক সাশ্রয়সহ জ্বালানী উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন রিফাইনারী স্থাপন এবং বেসরকারি পর্যায়ে রিফাইনারী করার অনুমতি প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

সভায় চিটাগাং চেম্বারের পক্ষ থেকে আয়কর বিষয়ক ৩৩ টি, ভ্যাট বিষয়ক ৩৬ টি ও শুল্ক বিষয়ক ৬৭ টি প্রস্তাবনা এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করেন চেম্বার প্রশাসক।

বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে স্ক্যানার সংখ্যা বাড়ানো, কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রামের সকল সংস্থার ল্যাব আধুনিকায়ন করা, গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিগুলোর জ্বালানী সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সোলার প্যানেল ও সোলার লিথিয়াম ব্যাটারী আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কমানো, আগাম করের ক্ষেত্রে দ্রুত রিফান্ড, অডিট সহজীকরণ, সর্বোচ্চ ভ্যাট হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসা, দেশীয় উৎপাদনমূখী শিল্পকে সুরক্ষা ও প্রণোদনা, চট্টগ্রাম কাস্টমস এর জনবল ও ল্যাব এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডাবল ট্যাক্সেশন কমানো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ভ্যাট সংস্কার ও যৌক্তিক করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

বক্তব্য রাখেন-চিটাগাং চেম্বারের প্রাক্তন সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী ও ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, উইমেন চেম্বারের সভাপতি আবিদা মোস্তফা, এফবিসিসিআই’র প্রাক্তন পরিচালক মোঃ আমিরুল হক, চিটাগাং চেম্বারের প্রাক্তন সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, প্রাক্তন পরিচালক ড. মঈনুল ইসলাম মাহমুদ, নাসির উদ্দিন চৌধুরী ও এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম গার্মেন্টস এক্সেসরিজ গ্রুপ’র সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, রাঙ্গামাটি চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ মামুন,সিএন্ডএফ এসোসিয়েশন’র সভাপতি এস. এম. সাইফুল আলম, জিপিএইচ ইস্পাত’র ডিএমডি আলমাস শিমুল, প্রান্তিক গ্রুপের এমডি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম সরওয়ার, বিএসএম গ্রুপের আবুল বাশার চৌধুরী, শিপ ব্রেকিং এসোসিয়েশন’র মাস্টার আবুল কাশেম, বারভিডা’র মহাসচিব রিয়াজ রহমান, ক্যাব’র ইকবাল বাহার ছাবেরী, টায়ার টিউব এসোসিয়েশন’র সভাপতি মাঈন উদ্দিন আহমেদ, বন্দর ট্রাক মালিক কন্ট্রাক্টর এসোসিয়েশন’র সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সোহেল, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সালামত আলী, পার্ক শিপিং লাইন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, বিজিএপিএমইএ’র ১ম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ চৌধুরী, সাহির ট্রেড’র সরোয়ার আলম খান ও টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নানসহ বিভিন্ন সেক্টরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, মুহাম্মদ মুবিনুল কবীর, মোঃ আজিজুর রহমান, পান রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন এর সভাপতি মোঃ একরামুল করিম চৌধুরী, খাতুনগঞ্জ ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন’র সভাপতি আবদুস সালাম, কনফিডেন্স সিমেন্ট’র পরিচালক জহির উদ্দিন আহমেদ, পিএইচপি গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ পরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসেন চৌধুরী (সোহাগ), লুব-রেফ’র এমডি মোহাম্মদ ইউসুফ, চিটাগাং ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন’র সভাপতি আবুল কালাম, চট্টগ্রাম কাগজ এন্ড সেলোফেন ব্যবসায়ী গ্রুপ’র পরিচালক ইউসুফ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার পরিচালক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরী, স্বদেশ গ্রুপ’র চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম, বিএসআরএম গ্রুপ’র শেখর রঞ্জন কর, চট্টগ্রাম ফ্রেশ ফ্রুটস ভেজিট্যাবলস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন’র সভাপতি মাহবুব রানা, ফোর হুইলস’র মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ইনস্টিটিউট অব কস্ট ম্যানেজমেন্ট’র চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াহিদ উল্যাহ ও কাজী ইমরান এফ রহমানসহ কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়কর বিভাগের কমিশনারবৃন্দ, ফল ব্যবসায়ী সমিতি, বিপিজিএমইএ,রিহ্যাবসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী নেতৃবর্গ।

নগর প্রতিবেদক: ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়নের প্রাক্কালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান এফসিএমএ চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সদস্য ও অত্র অঞ্চলের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সাথে আজ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) বিকালে আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ কনফারেন্স হলে এক প্রাক- বাজেট মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চেম্বার প্রশাসক মো: মোতাহার হোসেন।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান বলেন,একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের জন্য রাজস্ব সংগ্রহের চাপ থাকে। কিন্তু সবাইকে চাপে ফেলে আমরা রাজস্ব সংগ্রহ না করে কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন এর জন্য করহার যৌক্তিক করা হবে। যারা ভ্যাট ও ট্যাক্স নিয়ে দ্বিধায় আছেন তাদেরকে উৎসাহিত করার জন্য সিস্টেম আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। যারা অগ্রিম কর বা অতিরিক্ত ভ্যাট কিংবা অগ্রিম আয়কর প্রদান করেন তা সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত রিফান্ডের জন্য সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন,সরকার বন্ড ম্যানেজমেন্ট ট্যাক্স, ভ্যাট ও কাস্টমস ব্যবস্থাপনা কিভাবে আধুনিক ও পেপারলেস করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করছে। এজন্য বর্তমান সরকার ট্যাক্স, ভ্যাট ও কাস্টমস ডিউটি দিতে যাতে কেউ কার্পন্য না করে সে জন্য নিয়মগুলোকে ডিরেগুলেট করার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া নন-কমপ্লায়েন্স করদাতাদের ক্ষেত্রে ম্যানুয়েল পদ্ধতি বন্ধ, কাস্টমস এর ক্ষেত্রে ইচ্ছামাফিক কায়িক পরীক্ষা বন্ধ এবং বন্ড সুবিধায় আমদানিকৃত পণ্য পুনরায় রপ্তানির সাথে সমন্বয় হলে ব্যবসায়ীরা যাতে হয়রানীর শিকার না হয় সেজন্য বন্ড ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, করদাতারা যাতে উৎসবমুখর পরিবেশে সারাবছর রিটার্ন দাখিল করতে পারেন সেই ব্যবস্থা নিচ্ছে এনবিআর। এছাড়া ব্যবসায়ীরা যাতে এনবিআর অফিসে ঘুরতে না হয় সেজন্য সবকিছু অটোমেশন করা হয়েছে। ফলে সিঙ্গেল উইন্ডোর মাধ্যমে সার্টিফিকেট অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে চিটাগাং চেম্বার প্রশাসক মো: মোতাহার হোসেন বলেন, আমদানি পর্যায়ে করহার পুনর্বিন্যাস ও দেশীয় শিল্প সুরক্ষার জন্য নানাবিধ প্রণোদনার বিকল্প উপায় বের করতে হবে। ট্যাক্স সিস্টেমের সময়োপযোগী সংস্কারের মাধ্যমে ট্যাক্স জিডিপি অনুপাতও কাঙ্খিত মাত্রায় উন্নীত করতে হবে। চেম্বার প্রশাসক বর্তমানে মূল্যস্ফীতির কথা বিবেচনায় সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৫ লক্ষ টাকা করার প্রস্তাব করেন। এক্ষেত্রে অধিকাংশ করদাতা ১ম ও ২য় ধাপের মধ্যবর্তী শ্রেণীর, তাই তাদের কথা বিবেচনায় রেখে ১ম ধাপে ৫%-৭.৫% এবং ২য় ধাপে ১০%-১২.৫% করার প্রস্তাব করেন। পরবর্তী ধাপগুলো যৌক্তিকহারে নির্ধারণ করার জন্যও এনবিআর এর প্রতি প্রস্তাব করেন। চেম্বার প্রশাসক বৈশ্বিক জ্বালানী সংকট মোকাবেলায় পরিবেশবান্ধব ইলেক্ট্রিক্যাল ভেহিক্যাল আমদানিতে শুল্ক সাশ্রয়সহ জ্বালানী উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন রিফাইনারী স্থাপন এবং বেসরকারি পর্যায়ে রিফাইনারী করার অনুমতি প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

সভায় চিটাগাং চেম্বারের পক্ষ থেকে আয়কর বিষয়ক ৩৩ টি, ভ্যাট বিষয়ক ৩৬ টি ও শুল্ক বিষয়ক ৬৭ টি প্রস্তাবনা এনবিআর চেয়ারম্যানের কাছে হস্তান্তর করেন চেম্বার প্রশাসক।

বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে স্ক্যানার সংখ্যা বাড়ানো, কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমানোর লক্ষ্যে চট্টগ্রামের সকল সংস্থার ল্যাব আধুনিকায়ন করা, গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিগুলোর জ্বালানী সাশ্রয়ের লক্ষ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানী ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সোলার প্যানেল ও সোলার লিথিয়াম ব্যাটারী আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক কমানো, আগাম করের ক্ষেত্রে দ্রুত রিফান্ড, অডিট সহজীকরণ, সর্বোচ্চ ভ্যাট হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসা, দেশীয় উৎপাদনমূখী শিল্পকে সুরক্ষা ও প্রণোদনা, চট্টগ্রাম কাস্টমস এর জনবল ও ল্যাব এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, ডাবল ট্যাক্সেশন কমানো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ভ্যাট সংস্কার ও যৌক্তিক করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

বক্তব্য রাখেন-চিটাগাং চেম্বারের প্রাক্তন সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী ও ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, উইমেন চেম্বারের সভাপতি আবিদা মোস্তফা, এফবিসিসিআই’র প্রাক্তন পরিচালক মোঃ আমিরুল হক, চিটাগাং চেম্বারের প্রাক্তন সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, প্রাক্তন পরিচালক ড. মঈনুল ইসলাম মাহমুদ, নাসির উদ্দিন চৌধুরী ও এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম গার্মেন্টস এক্সেসরিজ গ্রুপ’র সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, রাঙ্গামাটি চেম্বার সভাপতি মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ মামুন,সিএন্ডএফ এসোসিয়েশন’র সভাপতি এস. এম. সাইফুল আলম, জিপিএইচ ইস্পাত’র ডিএমডি আলমাস শিমুল, প্রান্তিক গ্রুপের এমডি ইঞ্জিনিয়ার গোলাম সরওয়ার, বিএসএম গ্রুপের আবুল বাশার চৌধুরী, শিপ ব্রেকিং এসোসিয়েশন’র মাস্টার আবুল কাশেম, বারভিডা’র মহাসচিব রিয়াজ রহমান, ক্যাব’র ইকবাল বাহার ছাবেরী, টায়ার টিউব এসোসিয়েশন’র সভাপতি মাঈন উদ্দিন আহমেদ, বন্দর ট্রাক মালিক কন্ট্রাক্টর এসোসিয়েশন’র সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সোহেল, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সালামত আলী, পার্ক শিপিং লাইন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, বিজিএপিএমইএ’র ১ম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ চৌধুরী, সাহির ট্রেড’র সরোয়ার আলম খান ও টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুল মান্নানসহ বিভিন্ন সেক্টরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

সভায় উপস্থিত ছিলেন- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, মুহাম্মদ মুবিনুল কবীর, মোঃ আজিজুর রহমান, পান রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন এর সভাপতি মোঃ একরামুল করিম চৌধুরী, খাতুনগঞ্জ ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এসোসিয়েশন’র সভাপতি আবদুস সালাম, কনফিডেন্স সিমেন্ট’র পরিচালক জহির উদ্দিন আহমেদ, পিএইচপি গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজ পরিচালক মোহাম্মদ আলী হোসেন চৌধুরী (সোহাগ), লুব-রেফ’র এমডি মোহাম্মদ ইউসুফ, চিটাগাং ট্যাক্সেস বার এসোসিয়েশন’র সভাপতি আবুল কালাম, চট্টগ্রাম কাগজ এন্ড সেলোফেন ব্যবসায়ী গ্রুপ’র পরিচালক ইউসুফ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার পরিচালক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর চৌধুরী, স্বদেশ গ্রুপ’র চেয়ারম্যান মোঃ নুরুল ইসলাম, বিএসআরএম গ্রুপ’র শেখর রঞ্জন কর, চট্টগ্রাম ফ্রেশ ফ্রুটস ভেজিট্যাবলস এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন’র সভাপতি মাহবুব রানা, ফোর হুইলস’র মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ইনস্টিটিউট অব কস্ট ম্যানেজমেন্ট’র চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াহিদ উল্যাহ ও কাজী ইমরান এফ রহমানসহ কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়কর বিভাগের কমিশনারবৃন্দ, ফল ব্যবসায়ী সমিতি, বিপিজিএমইএ,রিহ্যাবসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী নেতৃবর্গ।