বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: সারাদেশে উদ্বেগজনক হারে হাম-মিজেলসের প্রাদূর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে কক্সবাজারের চকরিয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে জরুরি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর হলরুমে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ জায়নুল আবেদীন।

সভায় জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে হাম-মিজেলসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতাল ও মাঠপর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রাদূর্ভাব প্রতিরোধে দ্রুত শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসা এবং টিকাদান কার্যক্রম জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ উপলক্ষে হাসপাতালের গঠিত মেডিকেল টিমের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় কর্মরত স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারী ও ভ্যাকসিনেটররা অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডা: মোহাম্মদ খালেদ হোসাইন, মেডিকেল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল) ডা: ইফতেখারুল ইসলাম মিশুক এবং জেলা সার্ভিলেন্স ও ইম্যুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা: মোহাম্মদ ইশতিয়াকুর রহমানসহ অন্যান্য চিকিৎসকরা।

সভায় হাম-মিজেলস প্রতিরোধে করণীয় হিসেবে—টিকাদান কর্মসূচি জোরদার, আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত ও আইসোলেশন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি। এসব বিষয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সময়মতো টিকা গ্রহণই হাম-মিজেলস প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এজন্য অভিভাবকদের সচেতন হয়ে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজন কুমার বিশ্বাস, কক্সবাজার: সারাদেশে উদ্বেগজনক হারে হাম-মিজেলসের প্রাদূর্ভাব ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে কক্সবাজারের চকরিয়ায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে জরুরি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর হলরুমে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মোহাম্মদ জায়নুল আবেদীন।

সভায় জানানো হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে হাম-মিজেলসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতাল ও মাঠপর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রাদূর্ভাব প্রতিরোধে দ্রুত শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসা এবং টিকাদান কার্যক্রম জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ উপলক্ষে হাসপাতালের গঠিত মেডিকেল টিমের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় কর্মরত স্বাস্থ্য পরিদর্শক, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক, স্বাস্থ্য সহকারী ও ভ্যাকসিনেটররা অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন শিশু বিশেষজ্ঞ ডা: মোহাম্মদ খালেদ হোসাইন, মেডিকেল অফিসার (ডিজিজ কন্ট্রোল) ডা: ইফতেখারুল ইসলাম মিশুক এবং জেলা সার্ভিলেন্স ও ইম্যুনাইজেশন মেডিকেল অফিসার ডা: মোহাম্মদ ইশতিয়াকুর রহমানসহ অন্যান্য চিকিৎসকরা।

সভায় হাম-মিজেলস প্রতিরোধে করণীয় হিসেবে—টিকাদান কর্মসূচি জোরদার, আক্রান্তদের দ্রুত শনাক্ত ও আইসোলেশন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি। এসব বিষয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, সময়মতো টিকা গ্রহণই হাম-মিজেলস প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এজন্য অভিভাবকদের সচেতন হয়ে শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।