ঢাকা অফিস: কৃষিই হবে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কৃষিকে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি করতে সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। কৃষি খাতকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির মূল বুনিয়াদ কৃষি। সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।

আজ মঙ্গলবার(২৪ মার্চ) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে ঈদ পরবর্তী কর্মদিবসে শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের যে কোন দেশের চেয়ে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ কৃষির জন্য ভালো। বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষাবাদ করলে চাহিদার চেয়েও অধিক পরিমাণে খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব।

মন্ত্রী কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর সংস্থার সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের জনগণের সুষম খাদ্যের চাহিদা পূরণ ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর দেশ রেখে যাওয়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ। এজন্য সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা আগামী দিনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কৃষি ও খাদ্য বিভাগের সকলকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকলকে দক্ষতার পাশাপাশি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সরকার দেশব্যাপী বৃক্ষ রোপন করবে। বৃক্ষরোপনকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করে দেশকে সবুজায়ন করতে হবে। জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবিলায় বৃক্ষরোপনের এ আন্দোলন সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফিরোজ সরকার।

ঢাকা অফিস: কৃষিই হবে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। কৃষিকে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি করতে সরকার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। কৃষি খাতকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির মূল বুনিয়াদ কৃষি। সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকের মাঝে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।

আজ মঙ্গলবার(২৪ মার্চ) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে ঈদ পরবর্তী কর্মদিবসে শুভেচ্ছা বিনিময় উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের যে কোন দেশের চেয়ে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি ও পরিবেশ কৃষির জন্য ভালো। বৈজ্ঞানিক উপায়ে চাষাবাদ করলে চাহিদার চেয়েও অধিক পরিমাণে খাদ্য উৎপাদন করা সম্ভব।

মন্ত্রী কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর সংস্থার সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের জনগণের সুষম খাদ্যের চাহিদা পূরণ ও আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর দেশ রেখে যাওয়ার জন্য আমরা দায়বদ্ধ। এজন্য সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরো বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা আগামী দিনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। কৃষি ও খাদ্য বিভাগের সকলকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকলকে দক্ষতার পাশাপাশি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, সরকার দেশব্যাপী বৃক্ষ রোপন করবে। বৃক্ষরোপনকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করে দেশকে সবুজায়ন করতে হবে। জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবিলায় বৃক্ষরোপনের এ আন্দোলন সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি বিষয়ক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ফিরোজ সরকার।