নুরুল ইসলাম,লোহাগাড়া : দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় বন্যাত্তোর পরিস্থিতিতে দূর্গত এলাকার জনগণ চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। এরমধ্যে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে হাঙ্গর খালের প্রচন্ড স্রোতে হাঙ্গল খাল মারাত্নকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পদুয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডস্থ নাওঘাটার মাঝের দোকানের উত্তর পার্শ্বে উত্তর পাড়াগামী ইটাচ্ছাদিত বেড়িবাঁধের অংশবিশেষ।

অপর দিকে বলরাম মহাজন পাড়া সংলগ্ন স্থানের বেড়িবাঁধের অংশবিশেষ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পুরো এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে। এলাকার বাসিন্দারা তাঁরা স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করে বেড়িবাঁধের উপরিভাগ ইটাচ্ছাদন করে যাতায়াত সড়ক হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন।

সম্প্রাতিককালে বানের পানিতে সড়কের বেড়িবাঁধটি ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে। এতে যাতায়াত সমস্যায় এলাকাবাসীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

পদুয়া ইউপির স্থানীয় সদস্য নাসির উদ্দীন বলেন, উক্ত বেড়িবাঁধটি এলাকাবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বানের পানি বেড়িবাঁধ উপচে সমতল ভূমির দিকে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধটি বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। এতে জনগণ যাতায়াত সমস্যায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তিনি বেড়িবাঁধটি সংস্কার অপরিহার্য বলে মনে করেন।

অপরদিকে একই খালের বানের পানিতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয় পদুয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডস্থ বলরাম পাড়া সংলগ্ন বেড়িবাঁধ। এতে বানের পানির প্রবল স্রোতে স্থানীয়দের বসতবাড়ি প্লাবিত হয় এবং পানিবন্দি হয়ে পড়ে অসংখ্য লোকজন। বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ পরিণতির কথা উল্লেখ করে বিধ্বস্ত স্থান সংলগ্ন বাসীন্দারা জানান, উক্ত স্থানে বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হওয়ায় অনেকে বানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী বলেন, হাঙ্গর খালের বানের পানিতে বেড়িবাঁধের এক অংশ বিধ্বস্ত হয় এবং অন্য অংশ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পুরো এলাকাকে প্লাবিত করে। তিনি বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি টিম ক্ষতিগ্রস্ত স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন।

নুরুল ইসলাম,লোহাগাড়া : দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় বন্যাত্তোর পরিস্থিতিতে দূর্গত এলাকার জনগণ চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন। এরমধ্যে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে হাঙ্গর খালের প্রচন্ড স্রোতে হাঙ্গল খাল মারাত্নকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পদুয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডস্থ নাওঘাটার মাঝের দোকানের উত্তর পার্শ্বে উত্তর পাড়াগামী ইটাচ্ছাদিত বেড়িবাঁধের অংশবিশেষ।

অপর দিকে বলরাম মহাজন পাড়া সংলগ্ন স্থানের বেড়িবাঁধের অংশবিশেষ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পুরো এলাকা লন্ডভন্ড হয়ে পড়ে। এলাকার বাসিন্দারা তাঁরা স্থানীয়ভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করে বেড়িবাঁধের উপরিভাগ ইটাচ্ছাদন করে যাতায়াত সড়ক হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন।

সম্প্রাতিককালে বানের পানিতে সড়কের বেড়িবাঁধটি ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে। এতে যাতায়াত সমস্যায় এলাকাবাসীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।

পদুয়া ইউপির স্থানীয় সদস্য নাসির উদ্দীন বলেন, উক্ত বেড়িবাঁধটি এলাকাবাসীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বানের পানি বেড়িবাঁধ উপচে সমতল ভূমির দিকে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধটি বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। এতে জনগণ যাতায়াত সমস্যায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। তিনি বেড়িবাঁধটি সংস্কার অপরিহার্য বলে মনে করেন।

অপরদিকে একই খালের বানের পানিতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয় পদুয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডস্থ বলরাম পাড়া সংলগ্ন বেড়িবাঁধ। এতে বানের পানির প্রবল স্রোতে স্থানীয়দের বসতবাড়ি প্লাবিত হয় এবং পানিবন্দি হয়ে পড়ে অসংখ্য লোকজন। বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ পরিণতির কথা উল্লেখ করে বিধ্বস্ত স্থান সংলগ্ন বাসীন্দারা জানান, উক্ত স্থানে বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হওয়ায় অনেকে বানের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান লেয়াকত আলী বলেন, হাঙ্গর খালের বানের পানিতে বেড়িবাঁধের এক অংশ বিধ্বস্ত হয় এবং অন্য অংশ সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পুরো এলাকাকে প্লাবিত করে। তিনি বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানান এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি টিম ক্ষতিগ্রস্ত স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন।