ঢাকা অফিস: নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসস্থ শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদতবরণকারী সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদগণের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নৌবাহিনী প্রধান শিখা অনির্বাণের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।

পরবর্তীতে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান নৌসদর দপ্তরে এসে পৌঁছালে নৌ সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। এ সময় নৌসদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ এবং নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা ও সুনীল অর্থনীতির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক ব্লু ওয়াটার নেভি হিসেবে গড়ে তোলা এবং নৌবাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, সাবমেরিন, অত্যাধুনিক সোনার ও রাডার সিস্টেমসহ আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা সুসংহত করার লক্ষ্যে নৌবাহিনী প্রধান দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উল্লেখ্য, নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

ঢাকা অফিস: নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) ঢাকা সেনানিবাসস্থ শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শাহাদতবরণকারী সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদগণের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নৌবাহিনী প্রধান শিখা অনির্বাণের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন।

পরবর্তীতে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান নৌসদর দপ্তরে এসে পৌঁছালে নৌ সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর নৌবাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। তিনি গার্ড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। এ সময় নৌসদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ এবং নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশের বিশাল সমুদ্রসীমা ও সুনীল অর্থনীতির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি শক্তিশালী ও আধুনিক ব্লু ওয়াটার নেভি হিসেবে গড়ে তোলা এবং নৌবাহিনীতে আধুনিক ফ্রিগেট, সাবমেরিন, অত্যাধুনিক সোনার ও রাডার সিস্টেমসহ আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা সুসংহত করার লক্ষ্যে নৌবাহিনী প্রধান দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উল্লেখ্য, নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান গত ২৩ জুলাই বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।